স্ট্রিম প্রতিবেদক

একই দিনে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও কমল স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এবার কমানো হয়েছে ৫ হাজার ৪২৩ টাকা। এতে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় প্রথম দফায় সোমবার থেকে কার্যকর হওয়ার শর্তে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমানো হয়। এরপর রাতে দ্বিতীয় দফায় সিদ্ধান্ত নিয়ে সোমবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে ভরিতে আরও ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমানো হয়।
সব মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন দফায় ভালো মানের স্বর্ণের দাম মোট ১৩ হাজার ৯৩৯ টাকা কমল। দেশের ইতিহাসে এর আগে এত কম সময়ের মধ্যে তিনবার স্বর্ণের দাম পরিবর্তনের নজির নেই।
এর আগে টানা দাম বাড়ার পর গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে মোট ৩০ হাজার টাকারও বেশি কমেছিল। এরপর শনিবার প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়ানো হয়। তবে এরপর আবারও তিন দফায় দরপতন হলো। গত ২৯ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছিল। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা, যা ছিল দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ১৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত যে দর কার্যকর ছিল, তা হলো—২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৬ হাজার ৬৫ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৭৪৭ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৫২৫ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরের শুরু থেকেই স্বর্ণের দামে অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ বার বাড়ানো এবং ৮ বার কমানো হয়েছে।

একই দিনে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও কমল স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এবার কমানো হয়েছে ৫ হাজার ৪২৩ টাকা। এতে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় প্রথম দফায় সোমবার থেকে কার্যকর হওয়ার শর্তে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমানো হয়। এরপর রাতে দ্বিতীয় দফায় সিদ্ধান্ত নিয়ে সোমবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে ভরিতে আরও ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমানো হয়।
সব মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন দফায় ভালো মানের স্বর্ণের দাম মোট ১৩ হাজার ৯৩৯ টাকা কমল। দেশের ইতিহাসে এর আগে এত কম সময়ের মধ্যে তিনবার স্বর্ণের দাম পরিবর্তনের নজির নেই।
এর আগে টানা দাম বাড়ার পর গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে মোট ৩০ হাজার টাকারও বেশি কমেছিল। এরপর শনিবার প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়ানো হয়। তবে এরপর আবারও তিন দফায় দরপতন হলো। গত ২৯ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছিল। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা, যা ছিল দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ১৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত যে দর কার্যকর ছিল, তা হলো—২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৬ হাজার ৬৫ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৭৪৭ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৫২৫ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরের শুরু থেকেই স্বর্ণের দামে অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ বার বাড়ানো এবং ৮ বার কমানো হয়েছে।

কোরবানির ঈদকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন সবাই আরও বেশি করে কনটেন্ট আপলোড করে। কনটেন্টের এই হঠাৎ বিস্ফোরণের পেছনে শুধু উৎসবের উচ্ছ্বাসই নয়, আছে অর্থনীতিও। এখন ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক—প্রায় সব বড় প্ল্যাটফর্মই কনটেন্ট নির্মাতাদের বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে অর্থ দেয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
নতুন করে তিন বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচির কাজ শুরু করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সোমবার (২৫ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৫ দিন আগে
ঈদের আগে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
৬ দিন আগে
কোরবানি ঈদের আগ দিয়ে রাজধানীর বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে মসলার দাম। বিশেষ করে জিরা, এলাচ, দারুচিনি, গোলমরিচ, লবঙ্গ, মরিচ গুঁড়াসহ মাংস রান্নায় ব্যবহৃত সব ধরনের মসলার দাম গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাড়ছে।
৭ দিন আগে