স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকারি বিনিয়োগের কার্যকারিতা বাড়াতে ফলাফলভিত্তিক নতুন মূল্যায়ন কাঠামো চালুর ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, নতুন কাঠামোতে প্রকল্পের আকার বা ব্যয়ের পরিমাণ নয়, বরং অর্থনৈতিক রিটার্ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক প্রভাব এবং পরিবেশগত টেকসইতাকে প্রকল্প নির্বাচনের মানদণ্ড ধরা হবে।
প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটে সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় যে চার সূচককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে প্রথমটি হলো ‘ভ্যালু ফর মানি’ বা ব্যয়ের বিপরীতে সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করা। অর্থমন্ত্রী বলেন, এই পদ্ধতি চালু হলে দীর্ঘদিনের প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি, সময়ক্ষেপণ এবং প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
মূল্যায়নের দ্বিতীয় প্রধান মানদণ্ড ‘রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট’ বা বিনিয়োগের প্রত্যাবর্তন। কোনো প্রকল্পে ব্যয় করা সরকারি অর্থ অর্থনীতিতে কতটা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সুফল দিচ্ছে পরিমাপ হবে। এ ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক উন্নয়নকে বিশেষভাবে বিবেচিত হবে।
তৃতীয় সূচক কর্মসংস্থান সৃষ্টি। প্রতি বছর শ্রমবাজারে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রবেশ করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, যেসব প্রকল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি এবং দারিদ্র্য হ্রাসে ভূমিকা রাখবে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এ ছাড়া, সরকারি বিনিয়োগ মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান সূচকে পরিবেশগত টেকসইতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন কাঠামোর আওতায় প্রকল্পের পরিবেশ, জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন বিনিয়োগ মূল্যায়ন কাঠামোর উদ্দেশ্য সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। অপ্রয়োজনীয় বা কম ফলপ্রসূ প্রকল্পে ব্যয় কমিয়ে সমাজ ও অর্থনীতিতে সর্বাধিক প্রভাব ফেলে—এমন প্রকল্পেই কেবল বরাদ্দ দেওয়া হবে।

সরকারি বিনিয়োগের কার্যকারিতা বাড়াতে ফলাফলভিত্তিক নতুন মূল্যায়ন কাঠামো চালুর ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, নতুন কাঠামোতে প্রকল্পের আকার বা ব্যয়ের পরিমাণ নয়, বরং অর্থনৈতিক রিটার্ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক প্রভাব এবং পরিবেশগত টেকসইতাকে প্রকল্প নির্বাচনের মানদণ্ড ধরা হবে।
প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটে সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় যে চার সূচককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে প্রথমটি হলো ‘ভ্যালু ফর মানি’ বা ব্যয়ের বিপরীতে সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করা। অর্থমন্ত্রী বলেন, এই পদ্ধতি চালু হলে দীর্ঘদিনের প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি, সময়ক্ষেপণ এবং প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
মূল্যায়নের দ্বিতীয় প্রধান মানদণ্ড ‘রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট’ বা বিনিয়োগের প্রত্যাবর্তন। কোনো প্রকল্পে ব্যয় করা সরকারি অর্থ অর্থনীতিতে কতটা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সুফল দিচ্ছে পরিমাপ হবে। এ ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক উন্নয়নকে বিশেষভাবে বিবেচিত হবে।
তৃতীয় সূচক কর্মসংস্থান সৃষ্টি। প্রতি বছর শ্রমবাজারে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রবেশ করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, যেসব প্রকল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি এবং দারিদ্র্য হ্রাসে ভূমিকা রাখবে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এ ছাড়া, সরকারি বিনিয়োগ মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান সূচকে পরিবেশগত টেকসইতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন কাঠামোর আওতায় প্রকল্পের পরিবেশ, জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন বিনিয়োগ মূল্যায়ন কাঠামোর উদ্দেশ্য সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। অপ্রয়োজনীয় বা কম ফলপ্রসূ প্রকল্পে ব্যয় কমিয়ে সমাজ ও অর্থনীতিতে সর্বাধিক প্রভাব ফেলে—এমন প্রকল্পেই কেবল বরাদ্দ দেওয়া হবে।
.png)

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গাজীপুর, সাভার, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জের অনেক শিল্প কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে রপ্তানি আদেশ বাতিল হবে। ঠিকমতো বেতন-ভাতা দিতে না পারলে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিতে পারে।
১১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এনএসইজেড) প্রায় ২০০ কোটি টাকা দেশীয় বিনিয়োগে বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে মোট ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন এবং সেবা রপ্তানি থেকে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
১০ বছরের বেশি সময় আটকে থাকার পর চট্টগ্রামের আনোয়ারায় শুরু হচ্ছে চাইনিজ ইকোনমিক জোনের নির্মাণ কাজ। সোমবার (২৭ জুলাই) প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে মূল কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে