স্ট্রিম ডেস্ক

সরকার প্রতি বছর একটি আয়-ব্যয়ের হিসাব করে, সেটি-ই বাজেট। অর্থাৎ আগামী বছর সরকার কত টাকা আয় করতে চায়, আর সেই টাকা কোন কোন খাতে খরচ করবে–এই পুরো পরিকল্পনার নামই বাজেট। এখানে সরকার আগে ব্যয়ের হিসাব করে, পরে সে বুঝে আয়ের খাত ঠিক করে।
সরকারের সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস হলো কর বা ট্যাক্স। মানুষ যখন বাজারে কিছু কেনে, রেস্টুরেন্টে খাওয়াদাওয়া করে অথবা মোবাইলে রিচার্জ করে–তখন যে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেয়া হয়, সেটার একটা বড় অংশ যায় সরকারের কাছে। একে বলে ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর)। আবার কারও আয় নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হলে, তাঁর আয় থেকে যে অংশ কেটে নেওয়া হয়, সেটিকে বলে আয়কর। এসব কর মিলে যা আসে, তাকেই বলে রাজস্ব আয়।
সরকার শুধু ভ্যাট আর আয়কর থেকে না, আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মুনাফা, এমনকি বিদেশ থেকে পাওয়া ঋণ বা অনুদানের মাধ্যমেও আয় করে।
সরকারের খরচ দুই ধরনের হয়–একটা হলো নিয়মিত খরচ, যেমন–সরকারি কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ-পানি বিল, অফিস চালানোর খরচ ইত্যাদি। আরেকটা হলো উন্নয়নমূলক খরচ, যেমন–নতুন স্কুল, হাসপাতাল, সড়ক, সেতু বানানো ইত্যাদি। এই উন্নয়নমূলক খরচের পরিকল্পনাকেই বলে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংক্ষেপে এডিপি (ADP)।
কখনো কখনো সরকারের আয় থেকে খরচ বেশি হয়। তখন এটিকে বলে ঘাটতি বাজেট। এই ঘাটতি মেটাতে সরকার ঋণ নেয়–দেশি বা বিদেশি উৎস থেকে।
বাজেটের সময় যেসব শব্দ প্রায়ই শোনা যায়, সেগুলোর অর্থ এখানে দেওয়া হলো-
ভর্তুকি- কোনো জিনিসের প্রকৃত দাম থেকে সরকার কিছু অংশ নিজে দিয়ে দেয়, যেন নাগরিকেরা সস্তায় তা কিনতে পারেন। এটিকেই ভর্তুকি দেওয়া বলে। যেমন, কৃষকের জন্য সারের দাম কম রাখা হয়। কারণ সরকার বাকিটা বহন করে।
ঘাটতি- এটি হলো আয় ও খরচের মধ্যে পার্থক্য। যদি খরচ বেশি হয় ও আয় কম, তাহলে সেটি ঘাটতি বাজেট।
উন্নয়ন বাজেট- এটি হলো সেসব খরচ, যা সরাসরি দেশের অবকাঠামো ও জনসেবার মান বাড়ায়–যেমন রাস্তা বানানো, সেতু তৈরি, বিদ্যুৎ প্রকল্প ইত্যাদি।
রাজস্ব বাজেট- দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গৃহীত বাজেটকে রাজস্ব বাজেট বলে।
সামাজিক নিরাপত্তা খাত- বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ইত্যাদি এই খাতের অন্তর্ভুক্ত। সরকারের বাজেটে এ খাতেও বরাদ্দ রাখা হয়।
মুদ্রাস্ফীতি- একই জিনিসের দাম আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়া, ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। সাধারণত পণ্যের মজুদ ও সরবরাহকৃত মুদ্রার পরিমাণে ভারসাম্য না থাকলে, অর্থাৎ, অতিরিক্ত মুদ্রা ছাপানো হলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। বাজেট ঘোষণার পর অনেক সময়ই মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়।
অপর্যাপ্ত বরাদ্দ- কোনো খাতে খুব কম টাকা বরাদ্দ দেওয়া, যেটা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
উৎস কর- গ্রাহকের আয় বা লেনদেনের সময় সরাসরি কেটে নেওয়া কর। যেমন, অনেক প্রতিষ্ঠানে বেতন প্রদানের সঙ্গেই কর কেটে রাখা হয়।
আবগারি শুল্ক- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের ওপর যখন কর আরোপ করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলে।

সরকার প্রতি বছর একটি আয়-ব্যয়ের হিসাব করে, সেটি-ই বাজেট। অর্থাৎ আগামী বছর সরকার কত টাকা আয় করতে চায়, আর সেই টাকা কোন কোন খাতে খরচ করবে–এই পুরো পরিকল্পনার নামই বাজেট। এখানে সরকার আগে ব্যয়ের হিসাব করে, পরে সে বুঝে আয়ের খাত ঠিক করে।
সরকারের সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস হলো কর বা ট্যাক্স। মানুষ যখন বাজারে কিছু কেনে, রেস্টুরেন্টে খাওয়াদাওয়া করে অথবা মোবাইলে রিচার্জ করে–তখন যে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেয়া হয়, সেটার একটা বড় অংশ যায় সরকারের কাছে। একে বলে ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর)। আবার কারও আয় নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হলে, তাঁর আয় থেকে যে অংশ কেটে নেওয়া হয়, সেটিকে বলে আয়কর। এসব কর মিলে যা আসে, তাকেই বলে রাজস্ব আয়।
সরকার শুধু ভ্যাট আর আয়কর থেকে না, আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মুনাফা, এমনকি বিদেশ থেকে পাওয়া ঋণ বা অনুদানের মাধ্যমেও আয় করে।
সরকারের খরচ দুই ধরনের হয়–একটা হলো নিয়মিত খরচ, যেমন–সরকারি কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ-পানি বিল, অফিস চালানোর খরচ ইত্যাদি। আরেকটা হলো উন্নয়নমূলক খরচ, যেমন–নতুন স্কুল, হাসপাতাল, সড়ক, সেতু বানানো ইত্যাদি। এই উন্নয়নমূলক খরচের পরিকল্পনাকেই বলে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংক্ষেপে এডিপি (ADP)।
কখনো কখনো সরকারের আয় থেকে খরচ বেশি হয়। তখন এটিকে বলে ঘাটতি বাজেট। এই ঘাটতি মেটাতে সরকার ঋণ নেয়–দেশি বা বিদেশি উৎস থেকে।
বাজেটের সময় যেসব শব্দ প্রায়ই শোনা যায়, সেগুলোর অর্থ এখানে দেওয়া হলো-
ভর্তুকি- কোনো জিনিসের প্রকৃত দাম থেকে সরকার কিছু অংশ নিজে দিয়ে দেয়, যেন নাগরিকেরা সস্তায় তা কিনতে পারেন। এটিকেই ভর্তুকি দেওয়া বলে। যেমন, কৃষকের জন্য সারের দাম কম রাখা হয়। কারণ সরকার বাকিটা বহন করে।
ঘাটতি- এটি হলো আয় ও খরচের মধ্যে পার্থক্য। যদি খরচ বেশি হয় ও আয় কম, তাহলে সেটি ঘাটতি বাজেট।
উন্নয়ন বাজেট- এটি হলো সেসব খরচ, যা সরাসরি দেশের অবকাঠামো ও জনসেবার মান বাড়ায়–যেমন রাস্তা বানানো, সেতু তৈরি, বিদ্যুৎ প্রকল্প ইত্যাদি।
রাজস্ব বাজেট- দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গৃহীত বাজেটকে রাজস্ব বাজেট বলে।
সামাজিক নিরাপত্তা খাত- বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ইত্যাদি এই খাতের অন্তর্ভুক্ত। সরকারের বাজেটে এ খাতেও বরাদ্দ রাখা হয়।
মুদ্রাস্ফীতি- একই জিনিসের দাম আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়া, ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। সাধারণত পণ্যের মজুদ ও সরবরাহকৃত মুদ্রার পরিমাণে ভারসাম্য না থাকলে, অর্থাৎ, অতিরিক্ত মুদ্রা ছাপানো হলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। বাজেট ঘোষণার পর অনেক সময়ই মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়।
অপর্যাপ্ত বরাদ্দ- কোনো খাতে খুব কম টাকা বরাদ্দ দেওয়া, যেটা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
উৎস কর- গ্রাহকের আয় বা লেনদেনের সময় সরাসরি কেটে নেওয়া কর। যেমন, অনেক প্রতিষ্ঠানে বেতন প্রদানের সঙ্গেই কর কেটে রাখা হয়।
আবগারি শুল্ক- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের ওপর যখন কর আরোপ করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলে।

আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে টানা দুই দফা দাম বাড়ার পর এবার স্বর্ণের দাম কমেছে। ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
১ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় শুরু হয়েছে রেশনিং। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় শিল্পসহ অন্যান্য খাতে কমেছে গ্যাস সরবরাহ। তবে লোডশেডিং বেড়েছে। এতে আগে থেকেই গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ভুগতে থাকা শিল্পখাত নিয়ে ‘কপালে চিন্তার ভাঁজ’ পড়েছে ব্যবসায়ীদের।
১ দিন আগে