স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের বাজারে টানা দুই দফা দাম বাড়ার পর এবার স্বর্ণের দাম কমেছে। ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকা।
এর আগে সর্বশেষ গত ১১ মার্চ স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ দফা দাম বেড়েছে এবং ১৫ দফা কমেছে। আর ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ৯৩ বার; যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৬ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ দফা দাম বেড়েছে এবং ১০ দফা কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার; যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

দেশের বাজারে টানা দুই দফা দাম বাড়ার পর এবার স্বর্ণের দাম কমেছে। ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকা।
এর আগে সর্বশেষ গত ১১ মার্চ স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ দফা দাম বেড়েছে এবং ১৫ দফা কমেছে। আর ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ৯৩ বার; যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৬ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ দফা দাম বেড়েছে এবং ১০ দফা কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার; যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
৪১ মিনিট আগে
এখন থেকে আইটি ছাড়াও সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে
ন্যূনতম আয়কর ৫ হাজার টাকার পাশাপাশি প্রথম করদাতাদের ক্ষেত্রে এটি ন্যূনতম ১ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবারের বাজেটে। অর্থ্যাৎ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে করের পরিমাণ কম হলেও পুরোনো করদাতাদের ৫ হাজার এবং নতুনদের ১ হাজার টাকা দিতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি পার্বত্য তিন জেলায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্থানীয় মানুষের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কৃষি ও বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে সরকার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে