স্ট্রিম প্রতিবেদক

চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ২২ শতাংশে নেমেছে। সোমবার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত হিসাবে প্রবৃদ্ধি হ্রাসের এই চিত্র উঠে এসেছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) তা কমে হয় ৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমান বাজারমূল্যে তৃতীয় প্রান্তিকে দেশের অর্থনীতির আকার দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ১০০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৪ লাখ ১৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এই প্রান্তিকে দেশের শিল্প খাত শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে, আগের বছর একই সময়ে এ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
একই সময়ে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ থেকে কমে ১ দশমিক ৭৪ শতাংশে নেমেছে। জিডিপিতে বড় অবদান রাখা সেবা খাতের প্রবৃদ্ধিও ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে কমে ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ হয়েছে।
বিবিএস জানায়, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে দেশে সাধারণ নির্বাচন হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে একধরনের অনিশ্চয়তা ছিল। এছাড়া আগের অর্থবছরের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রভাবও এই প্রবৃদ্ধি হ্রাসের কারণ।
মার্চ পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১০ জুন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ হওয়ার সাময়িক হিসাব দিয়েছিল বিবিএস। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকের তথ্য যুক্ত হওয়ার পর বার্ষিক প্রবৃদ্ধির সংশোধিত হিসাব প্রকাশ করা হবে।
একটি দেশের অর্থনীতির আকার বোঝাতে জিডিপি ব্যবহার হয়। জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন হলো নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) দেশের ভেতরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মোট বাজারদর। অন্যদিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হলো আগের বছরের তুলনায় চলতি বছরে জিডিপি কত শতাংশ বাড়ল তার হার।

চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ২২ শতাংশে নেমেছে। সোমবার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত হিসাবে প্রবৃদ্ধি হ্রাসের এই চিত্র উঠে এসেছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) তা কমে হয় ৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমান বাজারমূল্যে তৃতীয় প্রান্তিকে দেশের অর্থনীতির আকার দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ১০০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৪ লাখ ১৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এই প্রান্তিকে দেশের শিল্প খাত শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে, আগের বছর একই সময়ে এ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
একই সময়ে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ থেকে কমে ১ দশমিক ৭৪ শতাংশে নেমেছে। জিডিপিতে বড় অবদান রাখা সেবা খাতের প্রবৃদ্ধিও ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে কমে ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ হয়েছে।
বিবিএস জানায়, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে দেশে সাধারণ নির্বাচন হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে একধরনের অনিশ্চয়তা ছিল। এছাড়া আগের অর্থবছরের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রভাবও এই প্রবৃদ্ধি হ্রাসের কারণ।
মার্চ পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১০ জুন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ হওয়ার সাময়িক হিসাব দিয়েছিল বিবিএস। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকের তথ্য যুক্ত হওয়ার পর বার্ষিক প্রবৃদ্ধির সংশোধিত হিসাব প্রকাশ করা হবে।
একটি দেশের অর্থনীতির আকার বোঝাতে জিডিপি ব্যবহার হয়। জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন হলো নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) দেশের ভেতরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মোট বাজারদর। অন্যদিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হলো আগের বছরের তুলনায় চলতি বছরে জিডিপি কত শতাংশ বাড়ল তার হার।
.png)

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উৎসে কর মনিটরিং ও যাচাইকরণ জোরদারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সোমবার (২০ জুলাই) বিবৃতিতে এই কথা জানায় সংগঠনটি।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশব্যাপী বিভিন্ন পণ্যের উৎসে কর আদায় পর্যবেক্ষণ ও যাচাই কার্যক্রম জোরদার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলগুলোতে বিশেষ দল এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
১৯ জুলাই ২০২৬
দেশে নিষিদ্ধ অনলাইন গেমিং, বেটিং, জুয়া এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্পৃক্ততা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসব অবৈধ খাতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন করেছেন চাকরিজীবীরা। তাদের পরেই আছেন গৃহিণী, কৃষি ও মৎস্য খাতে যুক্তরা।
১৮ জুলাই ২০২৬
এলডিসি থেকে উত্তরণ মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল করতে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং গ্রুপ অব ৭৭ অ্যান্ড চায়না (জি-৭৭)।
১৮ জুলাই ২০২৬