১৭ মাসে ৭ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকির তথ্য পেয়েছে এনবিআর, আদায় ৫৩২ কোটি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১৩: ০২
আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের লোগো

বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গত ১৭ মাসে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকির তথ্য পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট। পাশাপাশি এই সময়ে ফাঁকি দেওয়া ৫৩২ কোটি টাকার কর আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার (৪ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর ফাঁকি উদ্ঘাটন ও আদায়ে নিজেদের এই ‘উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ অর্জনের তথ্য জানিয়েছে এনবিআরের এই ইউনিটটি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত ৩ হাজার ৩০০টির বেশি আয়কর নথিতে কর ফাঁকির অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইউনিটটি।

তদন্তে এই বিপুল পরিমাণে কর ফাঁকির তথ্য বেরিয়ে আসে। এর বিপরীতে চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পুনরুদ্ধারকৃত রাজস্বের মধ্যে শুধু চলতি অর্থবছরেই ৪১৪ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।’

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি করদাতা বিভিন্ন করবর্ষে এসব আয়কর ফাঁকি দিয়েছিলেন। পরে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের অনুসন্ধান ও তদন্তে এসব কর ফাঁকির বিষয় প্রমাণিত হয়। এরপর অনেক করদাতা আয়কর এ-চালানের মাধ্যমে সেই কর সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন।

মূলত রাজস্ব খাতে কর ফাঁকির প্রবণতা হ্রাস, আয়কর আইন পরিপালনের সংস্কৃতি তৈরি এবং স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে ন্যায্য কর আদায়ের লক্ষ্যেই আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট সৃষ্টি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ইউনিটের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং কর্মকর্তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণদানের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারলে রাজস্ব আহরণে আমূল পরিবর্তন আসবে।

সম্পর্কিত