স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন গতিশীল এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন খাতে উৎসে উল্লেখযোগ্য হারে কর কমানো এবং করপোরেট করহার দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রাখার প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, করহার বাড়ানো নয়, বরং সরকারের লক্ষ্য করের আওতা সম্প্রসারণ, কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পূর্বানুমানযোগ্য কর কাঠামো নিশ্চিত করা।
উৎপাদন ব্যয় কমাতে শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে উৎসে অগ্রিম করের সাধারণ হার ৫ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে যন্ত্রপাতি ভাড়াবাবদ নন-রেসিডেন্ট করদাতাকে উৎসে করের হার ১৫ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে শিল্প স্থাপনের অর্থায়ন ব্যয় কমাতে বিদেশি ঋণের সুদের ওপর উৎসে কর ২০ থেকে ১০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাখাতে উৎসে করের হার ১২ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ কেনার ক্ষেত্রে উৎসে কর ৪ থেকে ৩, রিফাইনারির জ্বালানি তেল সরবরাহে ১ দশমিক ৫ থেকে ১, বিমা খাতে রি-ইনসিওরেন্স প্রিমিয়াম বাবদ নন-রেসিডেন্ট করদাতাকে ১০ থেকে ৫, স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে ৫ থেকে ০.৫ শতাংশ নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, উৎসে কর কমানো, করপোরেট করের স্থিতিশীলতা এবং কর প্রশাসনের ডিজিটাল সংস্কারের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।

বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন গতিশীল এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন খাতে উৎসে উল্লেখযোগ্য হারে কর কমানো এবং করপোরেট করহার দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রাখার প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, করহার বাড়ানো নয়, বরং সরকারের লক্ষ্য করের আওতা সম্প্রসারণ, কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পূর্বানুমানযোগ্য কর কাঠামো নিশ্চিত করা।
উৎপাদন ব্যয় কমাতে শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে উৎসে অগ্রিম করের সাধারণ হার ৫ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে যন্ত্রপাতি ভাড়াবাবদ নন-রেসিডেন্ট করদাতাকে উৎসে করের হার ১৫ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে শিল্প স্থাপনের অর্থায়ন ব্যয় কমাতে বিদেশি ঋণের সুদের ওপর উৎসে কর ২০ থেকে ১০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাখাতে উৎসে করের হার ১২ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ কেনার ক্ষেত্রে উৎসে কর ৪ থেকে ৩, রিফাইনারির জ্বালানি তেল সরবরাহে ১ দশমিক ৫ থেকে ১, বিমা খাতে রি-ইনসিওরেন্স প্রিমিয়াম বাবদ নন-রেসিডেন্ট করদাতাকে ১০ থেকে ৫, স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে ৫ থেকে ০.৫ শতাংশ নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, উৎসে কর কমানো, করপোরেট করের স্থিতিশীলতা এবং কর প্রশাসনের ডিজিটাল সংস্কারের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এই তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট এবং ৩০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বেশ চ্যালেঞ্জিং।’
৩ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, শুধু আগামী অর্থবছরে নয়; ২০২৭-২৮ অর্থবছরেও করমুক্ত আয়সীমা পৌনে ৪ লাখ টাকা অব্যাহত থাকবে।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
৪ ঘণ্টা আগে