মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আনতে চায় বাংলাদেশ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১০: ৩১
মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সো মোয়ে বাংলাদেশের আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে নেন। ছবি: পিআইডি

জ্বালানি সংকট নিরসনে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে বাংলাদেশ। রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াও সো মোয়ের বৈঠকে এই আগ্রহ দেখায় ঢাকা।

বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানিতে বাংলাদেশ বিশেষভাবে আগ্রহী। মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে এই প্রস্তাব দেন জ্বালানিমন্ত্রী।

এতে বলা হয়, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আকারেও বাংলাদেশে গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। জ্বালানিমন্ত্রীও ওই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন।

মিয়ানমার থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের আগের একটি প্রস্তাব নতুন করে বিবেচনায় আনার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা এগিয়ে নিতে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। এজন্য তিনি মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলেন। প্রয়োজন হলে নিজেও মিয়ানমার সফরে যেতে আগ্রহী বলে জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের প্রসঙ্গ ধরে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, সেখানে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর গঠনের প্রস্তাব এসেছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে গ্যাস পাইপলাইন করা গেলে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে তা সহায়ক হতে পারে।

বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সহযোগিতার আরও অনেক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র রয়েছে। প্রতিবেশী প্রথম নীতির আলোকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক আগ্রহের কথা তিনি রাষ্ট্রদূতকে বলেন।

জবাবে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা যেতে পারে।

অন্যদের মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত