বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

আগামী পাঁচ বছরে (২০২৬-২০৩০) বৈশ্বিক তাপমাত্রা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, এর ফলে হুমকির মুখে পড়বে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা।
প্রতিবেদন মতে, উত্তর গোলার্ধের আর্কটিক অঞ্চলের তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড় বৃদ্ধির চেয়েও অনেক বেশি হারে বাড়বে। এই সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে এলো যখন ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে।
এতে আরও বলা হয়, নিকট ভবিষ্যতে এই ধরনের গরমের গ্রীষ্মকাল নিয়মিত হবে। ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পায়নের (১৮৫০-১৯০০ সালের গড়) চেয়ে ১ দশমিক ৩ থেকে ১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে।
প্রতিবেদনের প্রধান লেখক ড. লিওন হারম্যানসন বলেন, ‘২০২৬ সালের শেষদিকে শক্তিশালী “এল নিনো”র পূর্বাভাস রয়েছে, যা ২০২৭ সালে তাপমাত্রা বাড়ার সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে।’
এল নিনোর প্রভাবে গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের মতো দেশে অস্বাভাবিক তাপদাহ বাড়তে পারে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং শ্রমজীবী মানুষের কর্মক্ষমতা কমবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার অঙ্গীকার হয়েছিল। ৯১ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের যেকোনো বছর বৈশ্বিক তাপমাত্রা সাময়িকভাবে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আর্কটিক অঞ্চল। আগামী পাঁচ শীতকালে (নভেম্বর-মার্চ) এই অঞ্চলের তাপমাত্রা ১৯৯১-২০২০ সালের গড়ের চেয়ে ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে। এর ফলে ব্যারেন্টস সাগর, বেরিং সাগর এবং ওখোটস্ক সাগরে বরফ গলার হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়বে।
বৃষ্টির ধরন পরিবর্তনের বিষয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ক্রান্তীয় ও উচ্চ অক্ষাংশের অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেলেও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বৃষ্টি কমে যাবে। আগামী দিনগুলোতে সাহেল, উত্তর ইউরোপ, আলাস্কা ও সাইবেরিয়ায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলেও আমাজন অববাহিকায় তীব্র খরা দেখা দিতে পারে। ফলে বনাঞ্চলে দাবানলের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়বে।

আগামী পাঁচ বছরে (২০২৬-২০৩০) বৈশ্বিক তাপমাত্রা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, এর ফলে হুমকির মুখে পড়বে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা।
প্রতিবেদন মতে, উত্তর গোলার্ধের আর্কটিক অঞ্চলের তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড় বৃদ্ধির চেয়েও অনেক বেশি হারে বাড়বে। এই সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে এলো যখন ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে।
এতে আরও বলা হয়, নিকট ভবিষ্যতে এই ধরনের গরমের গ্রীষ্মকাল নিয়মিত হবে। ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পায়নের (১৮৫০-১৯০০ সালের গড়) চেয়ে ১ দশমিক ৩ থেকে ১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে।
প্রতিবেদনের প্রধান লেখক ড. লিওন হারম্যানসন বলেন, ‘২০২৬ সালের শেষদিকে শক্তিশালী “এল নিনো”র পূর্বাভাস রয়েছে, যা ২০২৭ সালে তাপমাত্রা বাড়ার সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে।’
এল নিনোর প্রভাবে গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের মতো দেশে অস্বাভাবিক তাপদাহ বাড়তে পারে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং শ্রমজীবী মানুষের কর্মক্ষমতা কমবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার অঙ্গীকার হয়েছিল। ৯১ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের যেকোনো বছর বৈশ্বিক তাপমাত্রা সাময়িকভাবে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আর্কটিক অঞ্চল। আগামী পাঁচ শীতকালে (নভেম্বর-মার্চ) এই অঞ্চলের তাপমাত্রা ১৯৯১-২০২০ সালের গড়ের চেয়ে ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে। এর ফলে ব্যারেন্টস সাগর, বেরিং সাগর এবং ওখোটস্ক সাগরে বরফ গলার হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়বে।
বৃষ্টির ধরন পরিবর্তনের বিষয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ক্রান্তীয় ও উচ্চ অক্ষাংশের অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেলেও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বৃষ্টি কমে যাবে। আগামী দিনগুলোতে সাহেল, উত্তর ইউরোপ, আলাস্কা ও সাইবেরিয়ায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলেও আমাজন অববাহিকায় তীব্র খরা দেখা দিতে পারে। ফলে বনাঞ্চলে দাবানলের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়বে।
.png)

ঢাকার ধামরাইয়ে গাজিখালী নদীতে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের বিরুদ্ধে অপরিশোধিত তরল বর্জ্য ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে নদীর পানি কালচে হয়ে গেছে। ভেসে উঠছে মরা মাছসহ জলজ প্রাণী। নদীর তীরজুড়ে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।
১৯ জুলাই ২০২৬
আপাতত ৩৮ হাজারের যে সংখ্যা দেখানো হচ্ছে, এটি মূলত অস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি। এখানকার একটি অংশ পরে স্থায়ী বাস্তুচ্যুতির শিকার হবেন। বাস্তুচ্যুতরা তাঁদের সহায়-সম্বল হারান। ফলে দারিদ্র্যসীমার নিচের মানুষেরা হন অতিদরিদ্র।
১৪ জুলাই ২০২৬
প্রায় প্রতিবর্ষায় বন্যা আসে। এ বছরও জুলাই মাসে টানা সাত দিনের বৃষ্টিতে বন্যার কবলে পড়েছে দেশ। দেশের দক্ষিণাঞ্চল সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ইতিমধ্যেই পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি ও বন্যায় মারা গেছেন অন্তত ৫১ জন।
১৩ জুলাই ২০২৬
গত ৪০ দিনে রাজধানী ঢাকা এবং ভারতের আসামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিপুল পরিমাণ বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে, যার অধিকাংশই বিদেশি। ধরা পড়েছেন পাচার চক্রের একাধিক সদস্য। পাচারের ধরন, আটক ব্যক্তিদের বয়ান এবং কয়েকটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বৈশ্বিক বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের একটি নি
০৭ জুলাই ২০২৬