‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতীক’ দোয়েল ল্যাপটপ প্রকল্প কেন ব্যর্থ হলো

প্রকাশ : ০২ জুলাই ২০২৬, ২২: ১১
স্ট্রিম গ্রাফিক

এক সময় 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' গড়ার অন্যতম প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল দোয়েল ল্যাপটপ প্রকল্পকে। ২০১১ সালে তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল স্বল্পমূল্যে দেশে সংযোজন করা ল্যাপটপ শিক্ষার্থী, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া। দোয়েলকে বিশ্বের অন্যতম সাশ্রয়ী মূল্যের ল্যাপটপ হিসেবেও প্রচার করা হয়েছিল। সরকার আশা করেছিল, এই প্রকল্প ডিজিটাল বৈষম্য কমাবে, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ঘটাবে এবং দেশে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার উৎপাদনের ভিত্তি তৈরি করবে।

কিন্তু বড় স্বপ্ন নিয়ে শুরু হলেও প্রকল্পটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনি। নিম্নমানের পণ্য, দুর্বল বিপণন, প্রকৃত অর্থে স্থানীয় উৎপাদনের অভাব, বাজার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়া এবং রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিফোন শিল্প সংস্থার (টিএসএস) দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা—সব মিলিয়ে প্রকল্পটি ধীরে ধীরে মুখ থুবড়ে পড়ে। কার্যত ২০১৬ সালেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেগুলোও ব্যর্থ হয়।

২০২৪ সালে সরকারিভাবে এর ব্যর্থতা স্বীকার করা হয়। সেবছরের জানুয়ারিতে তৎকালীন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন, টিএসএসের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে দোয়েল ল্যাপটপ প্রকল্প ধ্বংস হয়ে গেছে। এরপর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও প্রকল্পটি পুনরুজ্জীবনের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বর্তমানে এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালিত প্রযুক্তি উৎপাদন উদ্যোগের একটি ব্যর্থতার উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আর টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টিএসএস) ল্যাপটপ উৎপাদন থেকে সরে এসে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো ও ডিজিটাল সরঞ্জাম উৎপাদনের দিকে ঝুঁকেছে। প্রশ্ন হলো, এত বড় স্বপ্নের প্রকল্প কেন সফল হলো না?

বড় স্বপ্ন, দুর্বল ভিত্তি

২০১১ সালের ১১ অক্টোবর দোয়েল ল্যাপটপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উৎপাদনের দায়িত্ব দেওয়া হয় রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিফোন শিল্প সংস্থাকে (টিএসএস)। ১৯৬৭ সালে জার্মান প্রতিষ্ঠান সিমেন্সের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত টিএসএস মূলত টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম উৎপাদনের জন্য গড়ে উঠেছিল। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে দেশীয় প্রতিষ্ঠান টু-এম করপোরেশন এবং মালয়েশিয়ার টিএফটি টেকনোলজিকে অংশীদার করা হয়।

পরিকল্পনা ছিল, প্রথমে বিদেশ থেকে সিকেডি ও এসকেডি কিট এনে দেশে সংযোজন করা হবে। পরে ধীরে ধীরে দেশীয় যন্ত্রাংশের ব্যবহার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০ শতাংশে নেওয়া হবে। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাস্তবে এগোয়নি।

শুরুর দিকে অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক এবং উইন্ডোজভিত্তিক চারটি মডেল বাজারে ছাড়া হয়। পরে ২০১৮ সালের পর ইন্টেলের পেন্টিয়াম, কোর আই-৩, আই-৫ ও আই-৭ প্রসেসরযুক্ত নতুন মডেলও আনা হয়।

প্রথম দফায় সাধারণ মডেলের দাম ছিল ১০ থেকে ১৩ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মডেলের দাম ছিল ২০ হাজার টাকার বেশি। পরবর্তী বছরগুলোতে দাম বেড়ে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, দোয়েল প্রকল্পের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল এটি প্রকৃত অর্থে উৎপাদনভিত্তিক শিল্প ছিল না। অধিকাংশ যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে দেশে শুধু সংযোজন করা হতো। ফলে মূল প্রযুক্তি, মাদারবোর্ডের নকশা, মান নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা-উন্নয়ন বিদেশি অংশীদারের ওপরই নির্ভরশীল ছিল। সমালোচকদের মতে, এটি ছিল নামমাত্র ‘মেড ইন বাংলাদেশ’।

এ ছাড়া শুরুতেই ভেঙে যায় অংশীদারত্ব। প্রকল্প শুরুর এক বছরের মধ্যেই দেশীয় অংশীদার টু-এম করপোরেশন এবং মালয়েশিয়ার টিএফটি টেকনোলজি যৌথ উদ্যোগ থেকে সরে যায়।

তাদের হাতে ছিল প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ মালিকানা। ফলে তারা সরে যাওয়ার পর টিএসএস শুধু বিনিয়োগই নয়, প্রযুক্তিগত সহায়তা, আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা এবং গবেষণা সক্ষমতাও হারায়।

এরপর টিএসএসের হাতে অ্যাসেম্বলি কারখানা থাকলেও প্রতিযোগিতামূলক দামে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ বা নতুন প্রযুক্তি উন্নয়নের মতো সক্ষমতা আর ছিল না।

নিম্নমানের পণ্যেই নষ্ট হয় আস্থা

দোয়েলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল ১০ হাজার টাকার ‘প্রাইমারি ২১০২’ মডেল। কিন্তু এই মডেলেই ছিল সবচেয়ে বেশি ত্রুটি। ব্যাটারির সমস্যা, অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া, অপারেটিং সিস্টেমের ত্রুটি এবং মাদারবোর্ডের দুর্বলতার কারণে এটি কার্যত বাজারে সফল হতে পারেনি।

অন্যদিকে ‘বেসিক ০৭০৩’ মডেলের ব্যাটারি মাত্র এক ঘণ্টার মতো ব্যাকআপ দিত। পরে অতিরিক্ত এক হাজার টাকার বিনিময়ে উন্নত ব্যাটারি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তত দিনে ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট হয়ে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে কম দামের ল্যাপটপ তৈরির রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে যন্ত্রাংশের মানের সঙ্গে আপস করা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত ব্র্যান্ডটির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসে ল্যাপটপের মান নিয়ে। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল—অত্যন্ত ধীরগতির কার্যক্ষমতা; বারবার হ্যাং হয়ে যাওয়া; ব্যাটারির স্বল্পস্থায়িত্ব; ঝাপসা ডিসপ্লে; বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ত্রুটি।

এসব সমস্যার প্রতিফলন দেখা যায় গবেষণাতেও। ২০১৪ সালের এক গবেষণায় ৮২.৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ব্যাটারির মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় প্রসেসর, র‌্যাম, ব্যাটারি ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বড় ধরনের দুর্বলতার কথা উঠে আসে।

বাজার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়া

বাজারে প্রকৃত চাহিদা যাচাই না করেই বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ আমদানি করে টিএসএস। ২০১৩ সালের মধ্যে ৪২ হাজার ১৯৫টি ল্যাপটপ তৈরির জন্য যন্ত্রাংশ আমদানি করা হয়। এতে ব্যয় হয় প্রায় ১৩৮ কোটি টাকা। এসব যন্ত্রাংশ দিয়ে ৩৭ হাজার ৫৯টি ল্যাপটপ সংযোজন করা হলেও বিক্রি হয় মাত্র ২৮ হাজার ৬২২টি।

সবচেয়ে হতাশাজনক চিত্র ছিল ১০ হাজার টাকার ‘প্রাইমারি ২১০২’ মডেলের। দুই বছরে বিক্রি হয় মাত্র ৯৮টি। পরে দাম অর্ধেকে নামিয়ে ৫ হাজার টাকা করা হলেও বিক্রি বাড়েনি।

২০১৬ সাল পর্যন্ত টিএসএসের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১১টি মডেলের মোট ৬৩ হাজার ২৪৫টি ল্যাপটপ সংযোজন করা হয়। এর মধ্যে বিক্রি হয় প্রায় ৫৮ হাজার ৭৫০টি। এরপর উৎপাদন নেমে আসে খুবই সীমিত পর্যায়ে।

দোয়েলের আরেকটি বড় দুর্বলতা ছিল বিক্রয়োত্তর সেবা না থাকা। ওয়ারেন্টি, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং সার্ভিস সেন্টারের কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেনি। ফলে সাধারণ ক্রেতারা ল্যাপটপ কিনতে আগ্রহ হারান।

রাজধানীর আইডিবি ভবন ও মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারের অনেক বিক্রেতাও ক্রেতাদের দোয়েল না কেনার পরামর্শ দিতেন। কারণ, টিএসএস ডিলারদের জন্য আকর্ষণীয় কমিশন বা বিক্রয় সহায়তা দিতে পারেনি।

উন্মুক্ত বাজারে ব্যর্থ হওয়ার পর প্রকল্পটি সরকারি ক্রয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এমনকি প্রথম দফায় বিক্রি হওয়া প্রায় ২৮ হাজার ল্যাপটপের মধ্যেও ১৭ হাজার ৮১৫টিই কিনেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পরে ডাক অধিদপ্তরে ২৪ হাজার, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আইসিটি প্রকল্পে ২৩ হাজার ৩৩১টি এবং শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে ১৩ হাজার ৬২৫টি ল্যাপটপ সরবরাহ করা হয়।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা অনেক ডিভাইসই অল্প সময়ের মধ্যে অকেজো হয়ে পড়ে।

দ্বিতীয় দফার চেষ্টাও ব্যর্থ

২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে টিএসএস নতুন কৌশল নেয়। এবার তারা স্বল্পমূল্যের পরিবর্তে মধ্যম ও উচ্চমূল্যের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করে। ইন্টেল ও এএমডির আধুনিক প্রসেসর ব্যবহার করে ‘ফ্রিডম’ এবং ‘অ্যাডভান্স’ সিরিজের ল্যাপটপ বাজারে আনা হয়।

কিছু মডেলের দাম ছিল ২৮ হাজার থেকে ৭২ হাজার টাকারও বেশি। কাগজে-কলমে এসব ল্যাপটপের স্পেসিফিকেশন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার মতো ছিল।

আইডিবি ভবনসহ কয়েকটি স্থানে শোরুম চালু করা হয়। কিন্তু বিপণন, ডিলার নেটওয়ার্ক এবং ব্র্যান্ডিংয়ের অভাবে সেগুলোও বাজারে সফল হয়নি। ২০২০ সালে দেশের প্রায় ১০ লাখ ল্যাপটপের বাজারে দোয়েলের অংশ ছিল মাত্র ১ শতাংশ।

২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ১১ হাজার ৪০০টি উৎপাদিত হলেও বাজারে এর চাহিদা ছিল খুবই কম। ২০২২ সালে দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্র্যান্ডের দুর্বল ভাবমূর্তি এবং কম বিক্রির সমস্যা তখনও কাটেনি।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন সক্ষমতা অনেক বেশি থাকলেও মাত্র দেড় হাজার ল্যাপটপ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এভাবে ব্যর্থতার ফলে কয়েক বছরেই প্রতিষ্ঠানটির মোট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়ায় কোটি কোটি টাকা।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক টিএসএস কারখানা পরিদর্শনের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি এবং অপচয়ের কারণে দোয়েল প্রকল্প ভেঙে পড়েছে।

তিনি টিএসএসকে সেবছরের ৩০ জুনের মধ্যে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে জানিয়ে দেন, সরকার নতুন করে অর্থ দেবে না। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির কাঠামোগত পরিবর্তন বা বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের পথও খোলা থাকবে। কিন্তু তা আর হয়নি।

২০২৪ সালের মার্চে নিউ এজ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে টিএসএসের ধারাবাহিক লোকসান, দোয়েলের দুর্বল চাহিদা এবং প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়।

এখন কী করছে টিএসএস

দোয়েল ল্যাপটপ প্রকল্প বন্ধ হলেও টিএসএস পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ২০২৫ সালে সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেয়। টঙ্গীর কারখানাকে হাইটেক পার্কে রূপান্তরের কাজ চলছে।

বর্তমানে টিএসএসের মূল লক্ষ্য ওয়াই-ফাই রাউটার, মোবাইল চার্জার, ইউএসবি কেবল, স্মার্ট মিটারসহ বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ ও ডিজিটাল অবকাঠামো–সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি উৎপাদন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক (বি-টু-বি) প্রযুক্তি সেবা প্রদান।

এ ছাড়া ইডটকো বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে টেলিকম টাওয়ারে ব্যবহৃত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি মেরামত ও নবায়ন কেন্দ্রও স্থাপন করা হচ্ছে।

২০২৪ সালের আইইওএম সোসাইটির সম্মেলনপত্রসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় দোয়েল ল্যাপটপকে সরকারি প্রযুক্তি প্রকল্প ব্যর্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেস স্টাডি হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

গবেষকদের মতে, দোয়েল ল্যাপটপ প্রকল্পের ব্যর্থতা দেখিয়েছে, শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার বা উচ্চাভিলাষী ঘোষণা দিয়ে প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তোলা যায় না।

একটি সফল প্রযুক্তি শিল্পের জন্য প্রয়োজন যথাযথ প্রস্তুতি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, শক্তিশালী সরবরাহব্যবস্থা, ধারাবাহিক গবেষণা ও উন্নয়ন, বাজারভিত্তিক পরিকল্পনা, কার্যকর বিক্রয়োত্তর সেবা এবং প্রতিযোগিতামূলক নীতিগত পরিবেশ।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত