স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর শর্তসহ একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির পর তেলের দাম দ্রুত কমে গেছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।
তবে জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধের আগে যে পর্যায়ে তেল উৎপাদন ও পরিশোধন চলছিল, সে অবস্থায় পুরোপুরি ফিরতে কয়েক সপ্তাহ, কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছরও লাগতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি শুক্রবার থেকে খুলে দেওয়া হবে। কয়েক মাস ধরে ইরান কার্যত এই পথ বন্ধ করে রেখেছিল। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময় আরও বিস্তৃত চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টিও থাকবে।
হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হওয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদক দেশ—ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে প্রতিদিন ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এটি বিশ্বের মোট চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরাকের কিছু তেলক্ষেত্রে পুনরায় উৎপাদন শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে উৎপাদন শুরু হবে। তবে অন্য কিছু ক্ষেত্র চালু করতে আরও অনেক বেশি সময় প্রয়োজন হবে।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির বিশ্লেষকেরা বলেছেন, যদি উৎপাদন ধীরে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ানো হয়, তাহলে হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত্রগুলো তিন মাসের মধ্যে আগের উৎপাদনের ৭০ শতাংশ এবং ছয় মাসের মধ্যে ৯০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তবে প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল দৈনিক উৎপাদনে যেতে আরও দীর্ঘ সময় লাগবে।
শিল্প খাত পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইআইআরের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের কারণে ৭ মে পর্যন্ত প্রতিদিন ৩৫ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল পরিশোধন সক্ষমতা বন্ধ ছিল। এটি বিশ্বের মোট সক্ষমতার প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এ সময় কিছু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সতর্কতামূলক কারণে বন্ধ রাখা শোধনাগারগুলো পুনরায় চালু করতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো মেরামতে আরও বেশি সময় প্রয়োজন হবে।
ভিটল বাহরাইনের গবেষণা বিভাগের প্রধান বাদার নূরউদ্দিন চলতি মাসের শুরুতে বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের শোধনাগারগুলো ৪০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে তাদের সক্ষমতার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
রিস্ট্যাড এনার্জির হিসাবে, মধ্যপ্রাচ্যে মেরামত ব্যয় গড়ে প্রায় ৪৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। জটিলতা ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রার কারণে পরিশোধন ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোই এই ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ হবে।
যুদ্ধের শুরুর দিকে কাতারসহ কয়েকটি দেশের প্রধান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় হামলার পর উৎপাদন বন্ধ করে দেয় অথবা কার্যক্রম সীমিত করে।
পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর গ্যাসকে অতিশীতল জ্বালানিতে রূপান্তর করে পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগবে।
গ্যাসকে তরলে রূপান্তরের জন্য প্রায় মাইনাস ১৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (মাইনাস ২৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় শীতল করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় ‘কুলডাউন’ ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাপীয় ধাক্কা এড়াতে এটি ধীরে সম্পন্ন করা হয়। এলএনজি উৎপাদনের ট্রেন বা প্রক্রিয়াকরণ লাইনগুলো একসঙ্গে চালু করা যায় না, ধাপে ধাপে চালু করতে হয়।
যুদ্ধ চলাকালে কুয়েত ও বাহরাইনের চাহিদা পূরণে কাতার এনার্জি তিনটি ট্রেন সচল রেখেছে। তবে পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে কয়েক বছর সময় লাগবে। কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানি হামলায় কাতারের এলএনজি সক্ষমতার ১৭ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার প্রভাব পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে।
সরবরাহ বিঘ্নের কারণে বিশ্বের তেলের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে, এমনকি কয়েক বছরও।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলের উৎপাদন বন্ধ থাকায় বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলোর তেল মজুত অন্তত ২০০৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে এবং রেকর্ড গতিতে কমছে।
বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান নাইন্টি ওয়ানের প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের প্রধান পল গুডেন বলেন, সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লাগবে। আমাদের হিসাবে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বৈশ্বিক তেলের মজুত ১০০ কোটির বেশি ব্যারেল কমে গেছে। বর্তমান দামে এই তেলের মূল্য ৮৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
পল গুডেনের ভাষায়, তাই তেলের বাজার সম্ভবত কয়েক বছর ধরে একধরনের ‘হ্যাংওভার’-এর মধ্যে থাকবে। কারণ, সরকারগুলো মজুত পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যতের ভূরাজনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে চাইবে।
(রয়টার্স থেকে অনূদিত)

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর শর্তসহ একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির পর তেলের দাম দ্রুত কমে গেছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।
তবে জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধের আগে যে পর্যায়ে তেল উৎপাদন ও পরিশোধন চলছিল, সে অবস্থায় পুরোপুরি ফিরতে কয়েক সপ্তাহ, কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছরও লাগতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি শুক্রবার থেকে খুলে দেওয়া হবে। কয়েক মাস ধরে ইরান কার্যত এই পথ বন্ধ করে রেখেছিল। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময় আরও বিস্তৃত চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টিও থাকবে।
হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হওয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদক দেশ—ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে প্রতিদিন ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এটি বিশ্বের মোট চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরাকের কিছু তেলক্ষেত্রে পুনরায় উৎপাদন শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে উৎপাদন শুরু হবে। তবে অন্য কিছু ক্ষেত্র চালু করতে আরও অনেক বেশি সময় প্রয়োজন হবে।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির বিশ্লেষকেরা বলেছেন, যদি উৎপাদন ধীরে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ানো হয়, তাহলে হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত্রগুলো তিন মাসের মধ্যে আগের উৎপাদনের ৭০ শতাংশ এবং ছয় মাসের মধ্যে ৯০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তবে প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল দৈনিক উৎপাদনে যেতে আরও দীর্ঘ সময় লাগবে।
শিল্প খাত পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইআইআরের তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের কারণে ৭ মে পর্যন্ত প্রতিদিন ৩৫ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল পরিশোধন সক্ষমতা বন্ধ ছিল। এটি বিশ্বের মোট সক্ষমতার প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এ সময় কিছু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সতর্কতামূলক কারণে বন্ধ রাখা শোধনাগারগুলো পুনরায় চালু করতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো মেরামতে আরও বেশি সময় প্রয়োজন হবে।
ভিটল বাহরাইনের গবেষণা বিভাগের প্রধান বাদার নূরউদ্দিন চলতি মাসের শুরুতে বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের শোধনাগারগুলো ৪০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে তাদের সক্ষমতার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
রিস্ট্যাড এনার্জির হিসাবে, মধ্যপ্রাচ্যে মেরামত ব্যয় গড়ে প্রায় ৪৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। জটিলতা ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রার কারণে পরিশোধন ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোই এই ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ হবে।
যুদ্ধের শুরুর দিকে কাতারসহ কয়েকটি দেশের প্রধান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় হামলার পর উৎপাদন বন্ধ করে দেয় অথবা কার্যক্রম সীমিত করে।
পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর গ্যাসকে অতিশীতল জ্বালানিতে রূপান্তর করে পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগবে।
গ্যাসকে তরলে রূপান্তরের জন্য প্রায় মাইনাস ১৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (মাইনাস ২৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় শীতল করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় ‘কুলডাউন’ ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাপীয় ধাক্কা এড়াতে এটি ধীরে সম্পন্ন করা হয়। এলএনজি উৎপাদনের ট্রেন বা প্রক্রিয়াকরণ লাইনগুলো একসঙ্গে চালু করা যায় না, ধাপে ধাপে চালু করতে হয়।
যুদ্ধ চলাকালে কুয়েত ও বাহরাইনের চাহিদা পূরণে কাতার এনার্জি তিনটি ট্রেন সচল রেখেছে। তবে পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে কয়েক বছর সময় লাগবে। কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানি হামলায় কাতারের এলএনজি সক্ষমতার ১৭ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার প্রভাব পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে।
সরবরাহ বিঘ্নের কারণে বিশ্বের তেলের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে, এমনকি কয়েক বছরও।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলের উৎপাদন বন্ধ থাকায় বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলোর তেল মজুত অন্তত ২০০৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে এবং রেকর্ড গতিতে কমছে।
বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান নাইন্টি ওয়ানের প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের প্রধান পল গুডেন বলেন, সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লাগবে। আমাদের হিসাবে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বৈশ্বিক তেলের মজুত ১০০ কোটির বেশি ব্যারেল কমে গেছে। বর্তমান দামে এই তেলের মূল্য ৮৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
পল গুডেনের ভাষায়, তাই তেলের বাজার সম্ভবত কয়েক বছর ধরে একধরনের ‘হ্যাংওভার’-এর মধ্যে থাকবে। কারণ, সরকারগুলো মজুত পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যতের ভূরাজনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে চাইবে।
(রয়টার্স থেকে অনূদিত)
.png)

বিশ্বরাজনীতির পুরোনো ছক যেন দ্রুত ভেঙে পড়ছে, তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ। যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে বৃহৎ শক্তিগুলোর টানাপোড়েন সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা, প্রতিযোগিতা ও নতুন মেরুকরণ।
৮ ঘণ্টা আগে
আধুনিক বিশ্বে শরণার্থী সংকট সামলানোর একটি নতুন পদ্ধতি তৈরি হয়েছে। ধনী ও শক্তিশালী দেশগুলো নিজের দেশে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার বদলে অন্য দেশকে অর্থ দিয়ে তাদের সেখানে রাখতে চাইছে। ফলে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া শুধু মানবিক দায়িত্বের বিষয় থাকছে না, এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে অর্থনীতি, রাজনীতি, নিরাপত্তা ও কূটনীত
১৪ আগস্ট ২০২৬
ভারতে ছাত্রদের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ আপাতত থেমেছে। শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। দিল্লির যন্তর মন্তর পরিষ্কার করা হয়েছে। দেয়ালের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ও যেন আপাতত নিজেদের পর্ব শেষ করেছে। অন্যদিকে বিজেপি আবার সংসদে নিজেদের বিল পাস করানোর কাজে ফিরেছে।
১২ আগস্ট ২০২৬
চতুর্থবারের মতো ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে ভারত। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। এবার সম্মেলনের পাশাপাশি আয়োজিত আউটরিচ সেশনগুলোও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
১২ আগস্ট ২০২৬