স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার জন্য আকুতি করছেন। দাবি করা হয়েছে, লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালানোর দায়ে বিএনপি কর্মীকে মামলা দেওয়ায় তাঁকে আহত করা হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে ট্রাফিক পুলিশের পোশাক পরা এক ব্যক্তিকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমারে একটু হসপিটাল নিয়া যান। আমি বাঁচতে চাই। আজকে যদি আমরা আপনেগোরে মামলা না করতাম, এটা তো আমাগো দোষ না। রাস্তায় লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চলতো, একটা জায়গায় ১০টা অ্যাক্সিডেন্ট করত। আমাগো তো দোষ নাই। যেগুলো অন্যায় আমরা সেগুলোরেই মামলা দেই। আরে ভাই, যদি মামলা না দেই, তাইলে তো লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি রাস্তায় নামবো।’
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি বাস্তব কোনো ঘটনার নয়। এটি একটি স্ক্রিপ্টেড বা সাজানো ভিডিওর অংশ।
ভিডিওটির স্থিরচিত্র দিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চে TeAm RAMS নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি ২০২৬ সালের ২৬ জুন ‘ট্রাফিক পুলিশের জীবন’ ক্যাপশনে পোস্ট করা হয়।
ওই ভিডিওর শুরুর অংশের সঙ্গে ফেসবুকে ছড়ানো ভিডিওটির হুবহু মিল পাওয়া যায়। এ ছাড়া ভিডিওটির আরও কয়েকটি অংশেও দৃশ্যগত মিল দেখা যায়।
পুরো ভিডিওটি পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, এটি বাস্তব ঘটনার ভিডিও নয়। ভিডিওটি সাজানো কনটেন্ট হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
TeAm RAMS পেজের অন্যান্য কিছু ভিডিও পর্যবেক্ষণ করেও একই বিষয় দেখা যায়। ভাইরাল ভিডিওতে ট্রাফিক পুলিশের চরিত্রে থাকা ব্যক্তিকে ওই পেজের অন্য ভিডিওতেও ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। (১,২,৩)
অর্থাৎ, আহত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের আর্তনাদ দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি বাস্তব ঘটনার নয়। এটি একটি সাজানো ভিডিওর অংশ।

ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার জন্য আকুতি করছেন। দাবি করা হয়েছে, লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালানোর দায়ে বিএনপি কর্মীকে মামলা দেওয়ায় তাঁকে আহত করা হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে ট্রাফিক পুলিশের পোশাক পরা এক ব্যক্তিকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমারে একটু হসপিটাল নিয়া যান। আমি বাঁচতে চাই। আজকে যদি আমরা আপনেগোরে মামলা না করতাম, এটা তো আমাগো দোষ না। রাস্তায় লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চলতো, একটা জায়গায় ১০টা অ্যাক্সিডেন্ট করত। আমাগো তো দোষ নাই। যেগুলো অন্যায় আমরা সেগুলোরেই মামলা দেই। আরে ভাই, যদি মামলা না দেই, তাইলে তো লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি রাস্তায় নামবো।’
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি বাস্তব কোনো ঘটনার নয়। এটি একটি স্ক্রিপ্টেড বা সাজানো ভিডিওর অংশ।
ভিডিওটির স্থিরচিত্র দিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চে TeAm RAMS নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি ২০২৬ সালের ২৬ জুন ‘ট্রাফিক পুলিশের জীবন’ ক্যাপশনে পোস্ট করা হয়।
ওই ভিডিওর শুরুর অংশের সঙ্গে ফেসবুকে ছড়ানো ভিডিওটির হুবহু মিল পাওয়া যায়। এ ছাড়া ভিডিওটির আরও কয়েকটি অংশেও দৃশ্যগত মিল দেখা যায়।
পুরো ভিডিওটি পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, এটি বাস্তব ঘটনার ভিডিও নয়। ভিডিওটি সাজানো কনটেন্ট হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
TeAm RAMS পেজের অন্যান্য কিছু ভিডিও পর্যবেক্ষণ করেও একই বিষয় দেখা যায়। ভাইরাল ভিডিওতে ট্রাফিক পুলিশের চরিত্রে থাকা ব্যক্তিকে ওই পেজের অন্য ভিডিওতেও ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। (১,২,৩)
অর্থাৎ, আহত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের আর্তনাদ দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি বাস্তব ঘটনার নয়। এটি একটি সাজানো ভিডিওর অংশ।
.png)

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কক্সবাজারে দিনে দুপুরে এক নারীকে অপহরণ করেছেন কক্সবাজার উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান সফিক।
৪ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, দীপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে হত্যার অন্যতম হোতা শাহাদাত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, এক ট্রাকচালক চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপির চাঁদাবাজরা গাড়িতে আগুন দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি হলুদ কাভার্ডভ্যান সড়কের ওপর জ্বলছে।
৩ দিন আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনজুড়ে মাঠের তুলনায় সামাজিক মাধ্যমেই প্রচারণা ছিল বেশি। তবে দিনশেষে দেখা গেছে, এসব প্রচারের বড় অংশ ছিল পুরোনো ও ভুয়া ভিডিও।
৪ দিন আগে