স্ট্রিম প্রতিবেদক

সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গভীর রাতে তেল আসার সংবাদে শত শত মোটরসাইকেল একটি ফিলিং স্টেশনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং অনেক চালক স্টেশন চত্বরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, ২০০ টাকার তেলের জন্য মানুষ ঘর-সংসার ফেলে পাম্পে রাত কাটাচ্ছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ব্যবহৃত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
লিংক - এখানে, এখানে, এখানে, এখানে
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বাংলাদেশে, বিশেষ করে বগুড়া অঞ্চলে, জ্বালানি সরবরাহে চাপ ও পাম্প বন্ধ থাকার বাস্তব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে এসেছে। ২৪ মার্চের একটি সংবাদ প্রতিবেদনে জানা যায়, বগুড়ার ৭৮টি ফিলিং স্টেশনের বেশিরভাগই তেলশূন্য হয়ে বন্ধ ছিল, পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বগুড়া শহরের চারমাথা থেকে মোকামতলা পর্যন্ত ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের দুই পাশে অন্তত ৩০টি ফিলিং স্টেশনের প্রায় সবই বন্ধ ছিল।
ফলে তেলের লাইন, সীমিত বিক্রি এবং ভোগান্তি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
তবে ভাইরাল ছবিটি খুঁটিয়ে দেখলে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। প্রথমত, ছবিতে সারিবদ্ধ মোটরসাইকেলের বিন্যাস অস্বাভাবিকভাবে ঘন এবং অনেক ক্ষেত্রেই একই ধরনের পুনরাবৃত্তি দেখা যায়, যা বাস্তব পার্কিংয়ের এলোমেলো চরিত্রের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। দ্বিতীয়ত, ফিলিং স্টেশনের পাম্প, সাইনেজ, সামনের স্থাপনা ও মাটিতে শুয়ে থাকা মানুষের শরীরের ভঙ্গিতে সূক্ষ্ম বিকৃতি আছে। ছবিতে মানবদেহ, মোটরসাইকেলের অবয়ব ও আলো-ছায়ার সম্পর্কে অসামঞ্জস্য আছে।

তৃতীয়ত, সিন্থ-আইডি (SynthID) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিটির বেশিরভাগ বা পুরো অংশই গুগল এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত। বিশ্লেষণে আরও কিছু সাধারণ এআই-নির্মিত অসঙ্গতি দেখা যায়। সাইনবোর্ডের বড় লাল লেখায় ‘পেট্রোল পাম্প বন্ধ’ পড়া গেলেও, নিচের ছোট লেখা ও নীল অংশের লেখা অর্থহীন এবং শব্দগুলো পুরোপুরি দৃশ্যমান নয়, যা এআই-তৈরি ছবিতে ছোট টেক্সট বিকৃত হওয়ার লক্ষণ।
এদিকে, এই ঘটনার পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো ফটোসাংবাদিকতার উৎস, একই ঘটনার ভিন্ন কোণের আসল ছবি, বা বিশ্বস্ত গণমাধ্যমে এই নির্দিষ্ট ছবিসহ যাচাইযোগ্য প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। গতকাল ও আজকের মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতিবেদন খুঁজে এই নির্দিষ্ট ছবির বা একই ধরনের ছবির পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গভীর রাতে তেল আসার সংবাদে শত শত মোটরসাইকেল একটি ফিলিং স্টেশনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং অনেক চালক স্টেশন চত্বরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, ২০০ টাকার তেলের জন্য মানুষ ঘর-সংসার ফেলে পাম্পে রাত কাটাচ্ছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ব্যবহৃত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
লিংক - এখানে, এখানে, এখানে, এখানে
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বাংলাদেশে, বিশেষ করে বগুড়া অঞ্চলে, জ্বালানি সরবরাহে চাপ ও পাম্প বন্ধ থাকার বাস্তব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে এসেছে। ২৪ মার্চের একটি সংবাদ প্রতিবেদনে জানা যায়, বগুড়ার ৭৮টি ফিলিং স্টেশনের বেশিরভাগই তেলশূন্য হয়ে বন্ধ ছিল, পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বগুড়া শহরের চারমাথা থেকে মোকামতলা পর্যন্ত ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের দুই পাশে অন্তত ৩০টি ফিলিং স্টেশনের প্রায় সবই বন্ধ ছিল।
ফলে তেলের লাইন, সীমিত বিক্রি এবং ভোগান্তি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
তবে ভাইরাল ছবিটি খুঁটিয়ে দেখলে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। প্রথমত, ছবিতে সারিবদ্ধ মোটরসাইকেলের বিন্যাস অস্বাভাবিকভাবে ঘন এবং অনেক ক্ষেত্রেই একই ধরনের পুনরাবৃত্তি দেখা যায়, যা বাস্তব পার্কিংয়ের এলোমেলো চরিত্রের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। দ্বিতীয়ত, ফিলিং স্টেশনের পাম্প, সাইনেজ, সামনের স্থাপনা ও মাটিতে শুয়ে থাকা মানুষের শরীরের ভঙ্গিতে সূক্ষ্ম বিকৃতি আছে। ছবিতে মানবদেহ, মোটরসাইকেলের অবয়ব ও আলো-ছায়ার সম্পর্কে অসামঞ্জস্য আছে।

তৃতীয়ত, সিন্থ-আইডি (SynthID) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিটির বেশিরভাগ বা পুরো অংশই গুগল এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত। বিশ্লেষণে আরও কিছু সাধারণ এআই-নির্মিত অসঙ্গতি দেখা যায়। সাইনবোর্ডের বড় লাল লেখায় ‘পেট্রোল পাম্প বন্ধ’ পড়া গেলেও, নিচের ছোট লেখা ও নীল অংশের লেখা অর্থহীন এবং শব্দগুলো পুরোপুরি দৃশ্যমান নয়, যা এআই-তৈরি ছবিতে ছোট টেক্সট বিকৃত হওয়ার লক্ষণ।
এদিকে, এই ঘটনার পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো ফটোসাংবাদিকতার উৎস, একই ঘটনার ভিন্ন কোণের আসল ছবি, বা বিশ্বস্ত গণমাধ্যমে এই নির্দিষ্ট ছবিসহ যাচাইযোগ্য প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। গতকাল ও আজকের মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতিবেদন খুঁজে এই নির্দিষ্ট ছবির বা একই ধরনের ছবির পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
.png)

তবে স্ট্রিমকে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ওই দুই যুবক রেললাইনে ঘুমিয়েছিলেন—এমন তথ্য তাঁরা কোনো গণমাধ্যমকে দেননি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
পোস্টগুলোর ক্যাপশনে বলা হয়, চাঁদার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে এই দাবির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল পাওয়া যায়নি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি গত ৫ আগস্ট তার লাইভে কথা বলার আগের মুহূর্তের দৃশ্য। ভিডিওটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা যায়।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
১২ আগস্ট ২০২৬