স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, দীপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে হত্যার অন্যতম হোতা শাহাদাত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। পাবনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত শাহাদাত দীপু দাস হত্যা মামলার অভিযুক্ত নন। তাঁর মৃত্যুর ঘটনাটি পাবনার আটঘরিয়ায় পানি নিষ্কাশনের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার দুর্ঘটনা।
যাচাইয়ের শুরুতে ছবির সূত্র খুঁজতে গিয়ে ১৮ জুন প্রকাশিত খবরের কাগজের প্রতিবেদন দেখা যায়। সেখানে বলা হয়েছে, পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর বাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শাহাদাৎ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ওই দিন সকাল ১০টার দিকে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাদের ওপর জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিচে পড়ছিল। পানি পড়া বন্ধ করতে শাহাদাৎ ছাদে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বৈদ্যুতিক তারে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
একই ঘটনার বিষয়ে সময়ের আলোর প্রতিবেদনেও বলা হয়, দেবোত্তর বাজারের আল-আরাফা ইসলামী এজেন্ট ব্যাংকের ভবনের ছাদে পানি নিষ্কাশনের সময় শাহাদাত হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
এখন টিভির প্রতিবেদনেও বলা হয়, পানি নিষ্কাশনের সময় শাহাদাত বিদ্যুতের মেইন তারের সংস্পর্শে আসেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস মরদেহ উদ্ধার করে।
তবে কোনো প্রতিবেদনেই শাহাদাতকে দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলার অভিযুক্ত বলা হয়নি। এসব প্রতিবেদনে তার সঙ্গে ওই হত্যাকাণ্ডের কোনো সংশ্লিষ্টতাও পাওয়া যায়নি।
পরে এ বিষয়ে রিউমর স্ক্যানারের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট দুজনের বক্তব্য পাওয়া যায়। শাহাদাত যে দোকানে কাজ করতেন, সেই ‘আকুল স্টোর’-এর মালিক মোহাম্মদ আকুল রিউমর স্ক্যানারকে জানান, শাহাদাত তাঁর ভাগনে। তার বাড়ি পাবনা জেলাতেই। তিনি দাবিটিকে ভুয়া বলে জানান। আকুলের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহাদাত গত তিন-চার বছরে ময়মনসিংহের দিকে যাননি।
দাবিটির বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্যও নেয় রিউমর স্ক্যানার। তিনি বলেন, ‘এরকম কোনো তথ্য আমাদের কাছে নাই। এখন পর্যন্ত বলা যায় এটি ভুয়া।’
অর্থাৎ, পাবনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত শাহাদাতের মৃত্যুর ঘটনা সত্য। তবে তাকে দীপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে হত্যার অন্যতম হোতা দাবিতে প্রচারের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, স্ট্রিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দীপু স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ঘটনার পরদিন দীপুর ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনের বিরুদ্ধে ভালুকা থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ২১ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, দীপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে হত্যার অন্যতম হোতা শাহাদাত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। পাবনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত শাহাদাত দীপু দাস হত্যা মামলার অভিযুক্ত নন। তাঁর মৃত্যুর ঘটনাটি পাবনার আটঘরিয়ায় পানি নিষ্কাশনের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার দুর্ঘটনা।
যাচাইয়ের শুরুতে ছবির সূত্র খুঁজতে গিয়ে ১৮ জুন প্রকাশিত খবরের কাগজের প্রতিবেদন দেখা যায়। সেখানে বলা হয়েছে, পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর বাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শাহাদাৎ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ওই দিন সকাল ১০টার দিকে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাদের ওপর জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিচে পড়ছিল। পানি পড়া বন্ধ করতে শাহাদাৎ ছাদে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বৈদ্যুতিক তারে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
একই ঘটনার বিষয়ে সময়ের আলোর প্রতিবেদনেও বলা হয়, দেবোত্তর বাজারের আল-আরাফা ইসলামী এজেন্ট ব্যাংকের ভবনের ছাদে পানি নিষ্কাশনের সময় শাহাদাত হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
এখন টিভির প্রতিবেদনেও বলা হয়, পানি নিষ্কাশনের সময় শাহাদাত বিদ্যুতের মেইন তারের সংস্পর্শে আসেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস মরদেহ উদ্ধার করে।
তবে কোনো প্রতিবেদনেই শাহাদাতকে দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলার অভিযুক্ত বলা হয়নি। এসব প্রতিবেদনে তার সঙ্গে ওই হত্যাকাণ্ডের কোনো সংশ্লিষ্টতাও পাওয়া যায়নি।
পরে এ বিষয়ে রিউমর স্ক্যানারের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট দুজনের বক্তব্য পাওয়া যায়। শাহাদাত যে দোকানে কাজ করতেন, সেই ‘আকুল স্টোর’-এর মালিক মোহাম্মদ আকুল রিউমর স্ক্যানারকে জানান, শাহাদাত তাঁর ভাগনে। তার বাড়ি পাবনা জেলাতেই। তিনি দাবিটিকে ভুয়া বলে জানান। আকুলের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহাদাত গত তিন-চার বছরে ময়মনসিংহের দিকে যাননি।
দাবিটির বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্যও নেয় রিউমর স্ক্যানার। তিনি বলেন, ‘এরকম কোনো তথ্য আমাদের কাছে নাই। এখন পর্যন্ত বলা যায় এটি ভুয়া।’
অর্থাৎ, পাবনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত শাহাদাতের মৃত্যুর ঘটনা সত্য। তবে তাকে দীপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে হত্যার অন্যতম হোতা দাবিতে প্রচারের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, স্ট্রিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দীপু স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ঘটনার পরদিন দীপুর ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনের বিরুদ্ধে ভালুকা থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ২১ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
.png)

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, এক ট্রাকচালক চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপির চাঁদাবাজরা গাড়িতে আগুন দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি হলুদ কাভার্ডভ্যান সড়কের ওপর জ্বলছে।
১ দিন আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনজুড়ে মাঠের তুলনায় সামাজিক মাধ্যমেই প্রচারণা ছিল বেশি। তবে দিনশেষে দেখা গেছে, এসব প্রচারের বড় অংশ ছিল পুরোনো ও ভুয়া ভিডিও।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গাইবান্ধায় রামমূর্তি স্থাপনে বাধা দেওয়ার পর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হিন্দুদের বিক্ষোভ। ভিডিওর ওপরে লেখা, ‘রাম মূর্তি স্থাপনে বাধা দেওয়ায় গাইবান্ধায় বিক্ষোভ করেছে হিন্দুরা।’
৩ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে রাস্তায় মিছিল করায় সেনাবাহিনীর হামলায় ১০ জন আহত হয়েছেন।
৮ দিন আগে