কোক স্টুডিও বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে নতুন গান ‘মহা জাদু’। হাবিব ওয়াহিদের কণ্ঠ-সুর আর তাজাকিস্তানের শিল্পী মেহরনিগরি রুস্তমের কণ্ঠে গানটি নতুনভাবে হাজির হয়েছে শ্রোতাদের সামনে। কিন্তু গানের গীতিকার কে এই খোয়াজ মিয়া? গানের কথায় কী বলতে চেয়েছেন খোয়াজ মিয়া?
গৌতম কে শুভ

তৃতীয় মৌসুমের ষষ্ঠ গান ‘মহা জাদু’ নিয়ে এসেছে কোক স্টুডিও বাংলা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে গানটি। ‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ গানটি বেশ পুরোনো। গ্রামগঞ্জের বিভিন্ন শিল্পী থেকে ইউটিউবে, অনেকের গলায় শোনা যায় এই গান। তবে এবার হাবিব ওয়াহিদের কণ্ঠ-সুর আর তাজিকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মেহরনিগরি রুস্তমের কণ্ঠে নতুনভাবে হাজির হয়েছে গানটি।
‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’র কথা লিখেছেন গীতিকার বাউল খোয়াজ মিয়া। আর ফারসি অংশের গীতিকার হাদিস দেহঘান ইতিমধ্যেই গানটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানান আলোচনা। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব বাংলা লোকগানের সঙ্গে পাশ্চাত্য সংগীত মিশ্রণের জন্য শ্রোতাদের কাছে পরিচিত। ২০০৩ সালে তাঁর অ্যালবাম ‘কৃষ্ণ’ বাংলা গানে ফিউশনের নতুন স্বাদ নিয়ে আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোঁজ চলছে এই গানের গীতিকারের। প্রশ্ন অনেকের, কে এই খোয়াজ মিয়া?
একজন খোয়াজ মিয়া
‘মহা জাদু’ গানের গীতিকার বাউল খোয়াজ মিয়া চলতি বছরের ২৬ জুন প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর জন্ম ১৯৪২ সালের ১২ মার্চ সিলেটের বিশ্বনাথে। তিনি গানে গানেই লিখে গেছেন তাঁর পরিচয়, ‘দৌলতপুর ইউপি, পোস্ট অফিস ঠিকানাতে লেখি। ঐ গেরামে জন্ম আমার, ঐ গেরামে থাকি।’
খোয়াজ মিয়া বাউল ও সুফিবাদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে বহু গান লিখেছেন। তাঁর গানে মানবতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, পারঘাটাতত্ত্ব, গুরুতত্ত্ব, শিষ্যতত্ত্ব, সৃষ্টিতত্ত্ব, আত্মা-অন্বেষণ, প্রেম ও ভক্তিমূলক চেতনার প্রকাশ দেখা যায়। তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত মরমি সাধক দুর্বিন শাহের শিষ্য। আর বায়াত গ্রহণ করেছিলেন ছাবাল শাহের।
ছোটবেলা থেকেই খোয়াজ মিয়া গান গেয়ে ঘুরে বেড়াতেন শখের বশে। একসময় এই শখ নেশায় পরিণত হয়। সিলেট অঞ্চলের বাউলদের ভাব-বাণী তাঁর ভেতরে তোলপাড় করতে থাকে। তবে নিজের এলাকায় গান গাইতে পারতেন না। কারণ, বাবা গানবাজনা পছন্দ করতেন না। তাই যৌবনকালে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে আশপাশের গ্রামে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মহাজনি, মালজোড়া গান গাইতে থাকেন।
১৯৬২ সালের কথা, খোয়াজ মিয়ার বয়স তখন মাত্র ২২ বছর। বাড়ির কাউকে না জানিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন গুরুর খোঁজে। গানের প্রতি আকর্ষণ তাঁকে টেনে নিয়ে যায় দুর্বিন শাহর দুয়ারে। শুরু হয় গুরুর দেখানো পথে নতুন জীবন। তবে পরিবারের চাপে পড়ে ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করতে হয়। মূলত গানের উন্মাদনা থেকে তাঁকে সংসারমুখী করতেই পরিবারের এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু সংসারের বন্ধন তাঁর গানকে থামাতে পারেনি। খোয়াজ মিয়া সংগীতচর্চা চালিয়ে গেছেন।
প্রথম সন্তান জন্মের কিছুদিন পর খোয়াজ মিয়ার স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঘটে বিবাহবিচ্ছেদ। গানপাগল উদাস খোয়াজ মিয়া সেই সন্তানের প্রতি ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করতে পারেননি তখন। সংসারে মন বসাতে আবার তাঁকে বিয়ে করানো হয়। সংসারে কিছুটা মন বসলেও গানবাজনা চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি। পাঁচ সন্তান জন্মের পর মারা যান বাউল খোয়াজের দ্বিতীয় স্ত্রীও। এবারে সংসারের দায়িত্ব ও জীবিকানির্বাহের জন্য গানচর্চার ফাঁকেই বিভিন্ন কাজ করতে হয় তাঁকে। এরপর তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে শেষ জীবন পর্যন্ত সংসার বেঁধেছিলেন তিনি। জীবনে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়েছেন, কিন্তু গান লেখা-গাওয়া থেমে যায়নি খোয়াজ মিয়ার।
২০২৪ সালের এপ্রিলে খোয়াজ মিয়ার সঙ্গে আমার আলাপ হয়। এই গীতকারের ভাষ্যমতে, তিনি প্রায় হাজারখানেক গান লিখেছেন। জানা যায়, তাঁর কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনেক শিল্পীর কণ্ঠে শোনা যায় খোয়াজ মিয়ার গান। ‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ ছাড়া তাঁর আরও কিছু জনপ্রিয় গান আছে। ‘যাইও না যাইও না কন্যা গো’, ‘দূর দেশে না যাইও বন্ধু রে’, ‘তুমি কই রইলায় রে প্রাণনাথ’, ‘বৃন্দাবনে শ্যাম’, ‘আল্লাহ তুমি দয়াময়, সৃজিয়াছ সমুদয়’-এর মতো গান সিলেট অঞ্চলের শিল্পীদের পাশাপাশি সারা দেশের বাউল গানের শিল্পীরা গেয়ে থাকেন।

খোয়াজ মিয়া শরিয়তকে মূল্যায়ন করে অনেক ইসলামি ভাববাদী গান লিখেছেন। বিভিন্ন ধর্মের শাস্ত্রীয় গানও লিখেছেন। তাঁর কিছু গানে উঠে এসেছে সমসাময়িক পরিস্থিতির কথা। আধ্যাত্মিক কথাকে তিনি সহজভাবে গানে উপস্থাপন করেছেন।
মহা জাদু গানে কি বলতে চেয়েছেন খোয়াজ মিয়া
২০২৪ সালে খোয়াজ মিয়ার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। এই গানের প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘গানটা লেখা হয়েছে ১৯৬৮ সালের দিকে। তখন আমি আত্ম-অনুসন্ধান করছিলাম।’
খোয়াজ মিয়ার জীবন, গান ও দর্শন নিয়ে বই লিখেছেন সৈয়দা আঁখি হক। তখন কথা হয়েছিল তাঁর সঙ্গেও। ‘মহা জাদু’ গান প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘খোয়াজ মিয়া মূলত আধ্যাত্মবাদের ওপর ভর করে গান লেখেন। এই গানটিও তা-ই। তাঁর মুর্শিদের প্রেমে তিনি পাগল। উপমা হিসেবে এই গানে তিনি অনেক অনুসঙ্গ এনেছেন। সেগুলো দেখে মনে হতে পারে, এটা প্রেমের গান। এখানে প্রেমিকার প্রতি নিবেদন বা প্রেমিকার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু মুর্শিদের মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর স্রষ্টাকে চেয়েছেন। গানে সেই কথাই এসেছে উপমা হিসেবে।’
সৈয়দা আঁখি হকের ব্যাখায়, মুর্শিদই সেই জাদুকর। যিনি তাঁকে টানছেন অগোচরে থেকে, সুতা দিয়ে টানার মতো। মুর্শিদই খোয়াজ মিয়ায় প্রাণবন্ধু। মুর্শিদের প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে উপমা হিসেবে তাঁর সৌন্দর্যের কথাও বলেছেন গানজুড়ে। মুর্শিদের গুনে মুগ্ধ খোয়াজ মিয়ার স্তুতিই এই গানে।

তৃতীয় মৌসুমের ষষ্ঠ গান ‘মহা জাদু’ নিয়ে এসেছে কোক স্টুডিও বাংলা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে গানটি। ‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ গানটি বেশ পুরোনো। গ্রামগঞ্জের বিভিন্ন শিল্পী থেকে ইউটিউবে, অনেকের গলায় শোনা যায় এই গান। তবে এবার হাবিব ওয়াহিদের কণ্ঠ-সুর আর তাজিকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মেহরনিগরি রুস্তমের কণ্ঠে নতুনভাবে হাজির হয়েছে গানটি।
‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’র কথা লিখেছেন গীতিকার বাউল খোয়াজ মিয়া। আর ফারসি অংশের গীতিকার হাদিস দেহঘান ইতিমধ্যেই গানটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানান আলোচনা। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব বাংলা লোকগানের সঙ্গে পাশ্চাত্য সংগীত মিশ্রণের জন্য শ্রোতাদের কাছে পরিচিত। ২০০৩ সালে তাঁর অ্যালবাম ‘কৃষ্ণ’ বাংলা গানে ফিউশনের নতুন স্বাদ নিয়ে আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোঁজ চলছে এই গানের গীতিকারের। প্রশ্ন অনেকের, কে এই খোয়াজ মিয়া?
একজন খোয়াজ মিয়া
‘মহা জাদু’ গানের গীতিকার বাউল খোয়াজ মিয়া চলতি বছরের ২৬ জুন প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর জন্ম ১৯৪২ সালের ১২ মার্চ সিলেটের বিশ্বনাথে। তিনি গানে গানেই লিখে গেছেন তাঁর পরিচয়, ‘দৌলতপুর ইউপি, পোস্ট অফিস ঠিকানাতে লেখি। ঐ গেরামে জন্ম আমার, ঐ গেরামে থাকি।’
খোয়াজ মিয়া বাউল ও সুফিবাদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে বহু গান লিখেছেন। তাঁর গানে মানবতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, পারঘাটাতত্ত্ব, গুরুতত্ত্ব, শিষ্যতত্ত্ব, সৃষ্টিতত্ত্ব, আত্মা-অন্বেষণ, প্রেম ও ভক্তিমূলক চেতনার প্রকাশ দেখা যায়। তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত মরমি সাধক দুর্বিন শাহের শিষ্য। আর বায়াত গ্রহণ করেছিলেন ছাবাল শাহের।
ছোটবেলা থেকেই খোয়াজ মিয়া গান গেয়ে ঘুরে বেড়াতেন শখের বশে। একসময় এই শখ নেশায় পরিণত হয়। সিলেট অঞ্চলের বাউলদের ভাব-বাণী তাঁর ভেতরে তোলপাড় করতে থাকে। তবে নিজের এলাকায় গান গাইতে পারতেন না। কারণ, বাবা গানবাজনা পছন্দ করতেন না। তাই যৌবনকালে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে আশপাশের গ্রামে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মহাজনি, মালজোড়া গান গাইতে থাকেন।
১৯৬২ সালের কথা, খোয়াজ মিয়ার বয়স তখন মাত্র ২২ বছর। বাড়ির কাউকে না জানিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন গুরুর খোঁজে। গানের প্রতি আকর্ষণ তাঁকে টেনে নিয়ে যায় দুর্বিন শাহর দুয়ারে। শুরু হয় গুরুর দেখানো পথে নতুন জীবন। তবে পরিবারের চাপে পড়ে ২৫ বছর বয়সে বিয়ে করতে হয়। মূলত গানের উন্মাদনা থেকে তাঁকে সংসারমুখী করতেই পরিবারের এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু সংসারের বন্ধন তাঁর গানকে থামাতে পারেনি। খোয়াজ মিয়া সংগীতচর্চা চালিয়ে গেছেন।
প্রথম সন্তান জন্মের কিছুদিন পর খোয়াজ মিয়ার স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঘটে বিবাহবিচ্ছেদ। গানপাগল উদাস খোয়াজ মিয়া সেই সন্তানের প্রতি ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করতে পারেননি তখন। সংসারে মন বসাতে আবার তাঁকে বিয়ে করানো হয়। সংসারে কিছুটা মন বসলেও গানবাজনা চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি। পাঁচ সন্তান জন্মের পর মারা যান বাউল খোয়াজের দ্বিতীয় স্ত্রীও। এবারে সংসারের দায়িত্ব ও জীবিকানির্বাহের জন্য গানচর্চার ফাঁকেই বিভিন্ন কাজ করতে হয় তাঁকে। এরপর তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে শেষ জীবন পর্যন্ত সংসার বেঁধেছিলেন তিনি। জীবনে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়েছেন, কিন্তু গান লেখা-গাওয়া থেমে যায়নি খোয়াজ মিয়ার।
২০২৪ সালের এপ্রিলে খোয়াজ মিয়ার সঙ্গে আমার আলাপ হয়। এই গীতকারের ভাষ্যমতে, তিনি প্রায় হাজারখানেক গান লিখেছেন। জানা যায়, তাঁর কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনেক শিল্পীর কণ্ঠে শোনা যায় খোয়াজ মিয়ার গান। ‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ ছাড়া তাঁর আরও কিছু জনপ্রিয় গান আছে। ‘যাইও না যাইও না কন্যা গো’, ‘দূর দেশে না যাইও বন্ধু রে’, ‘তুমি কই রইলায় রে প্রাণনাথ’, ‘বৃন্দাবনে শ্যাম’, ‘আল্লাহ তুমি দয়াময়, সৃজিয়াছ সমুদয়’-এর মতো গান সিলেট অঞ্চলের শিল্পীদের পাশাপাশি সারা দেশের বাউল গানের শিল্পীরা গেয়ে থাকেন।

খোয়াজ মিয়া শরিয়তকে মূল্যায়ন করে অনেক ইসলামি ভাববাদী গান লিখেছেন। বিভিন্ন ধর্মের শাস্ত্রীয় গানও লিখেছেন। তাঁর কিছু গানে উঠে এসেছে সমসাময়িক পরিস্থিতির কথা। আধ্যাত্মিক কথাকে তিনি সহজভাবে গানে উপস্থাপন করেছেন।
মহা জাদু গানে কি বলতে চেয়েছেন খোয়াজ মিয়া
২০২৪ সালে খোয়াজ মিয়ার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। এই গানের প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘গানটা লেখা হয়েছে ১৯৬৮ সালের দিকে। তখন আমি আত্ম-অনুসন্ধান করছিলাম।’
খোয়াজ মিয়ার জীবন, গান ও দর্শন নিয়ে বই লিখেছেন সৈয়দা আঁখি হক। তখন কথা হয়েছিল তাঁর সঙ্গেও। ‘মহা জাদু’ গান প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘খোয়াজ মিয়া মূলত আধ্যাত্মবাদের ওপর ভর করে গান লেখেন। এই গানটিও তা-ই। তাঁর মুর্শিদের প্রেমে তিনি পাগল। উপমা হিসেবে এই গানে তিনি অনেক অনুসঙ্গ এনেছেন। সেগুলো দেখে মনে হতে পারে, এটা প্রেমের গান। এখানে প্রেমিকার প্রতি নিবেদন বা প্রেমিকার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু মুর্শিদের মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর স্রষ্টাকে চেয়েছেন। গানে সেই কথাই এসেছে উপমা হিসেবে।’
সৈয়দা আঁখি হকের ব্যাখায়, মুর্শিদই সেই জাদুকর। যিনি তাঁকে টানছেন অগোচরে থেকে, সুতা দিয়ে টানার মতো। মুর্শিদই খোয়াজ মিয়ায় প্রাণবন্ধু। মুর্শিদের প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে উপমা হিসেবে তাঁর সৌন্দর্যের কথাও বলেছেন গানজুড়ে। মুর্শিদের গুনে মুগ্ধ খোয়াজ মিয়ার স্তুতিই এই গানে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর শপিংমল ও বিপণিবিতানগুলোতে এখন জমজমাট কেনাকাটা। বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কসহ বড় বড় শপিং মলগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।
৫ ঘণ্টা আগে
ছেলেদের শখ খুব অল্প। সুন্দর কেডস বা জুতা, সানগ্লাস, মানিব্যাগ বা পারফিউম ছাড়িয়ে সবার পছন্দ এক জায়গায় মেলে। তা হলো ফ্যাশনেবল হাতঘড়ি। ছেলেরা আবার এসব জিনিস উপহার পেতেই পছন্দ করে। যেমন আমার। বৈবাহিক সূত্রে যেসব ঘড়ি পেয়েছিলাম তা উচ্চমূল্যের এবং এগুলো নিজের টাকা দিয়ে কেনার সামর্থ্য ছিল না। নিজের টাকায় যে
৯ ঘণ্টা আগেব্রিটেনের গণতন্ত্রের ইতিহাস যেখানে কয়েক শতাব্দীর, সেখানে সংসদীয় গণতন্ত্রের পথে আমাদের যাত্রা তো কেবল শুরু। ১৯৫৬ থেকে ২০২৬—দীর্ঘ ৭০ বছর তাই সংসদীয় গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনব্যবস্থার বিবর্তন নয়, বরং এটি দেশের রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংবিধানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার একটি দীর্ঘ ইতিহাস।
১ দিন আগে
দুনিয়ার এত এত ভাষায় কবিতাচর্চা হচ্ছে। কিন্তু আমরা ঘুরেফিরে চেনাপরিচিত কয়েকটি ভাষার কবিতার সঙ্গেই তুলনামূলক আলোচনা করে বিশ্বসাহিত্য বিষয়ক বোধের ঢেঁকুর তুলি। একদেড়শো বছর আগেকার বিশ্বকবিতার সমান্তরালে আমরা বাংলা কবিতাকে প্রায়শই তুলনা করি এবং সিদ্ধান্তে আসি।
১ দিন আগে