স্ট্রিম প্রতিবেদক

কবি নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’ প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে ৩৩৪টি সংক্ষিপ্ত অথচ ভাবগভীর কবিতা, যেগুলোকে কবি নাম দিয়েছেন ‘ঝিনুককবিতা’।
গ্রন্থের ভূমিকা ‘ঝিনুককবিতা’র তোরণ’-এ নকিব মুকশি তাঁর এই নতুন কাব্যভাবনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে খেয়ালের বশে তিনি এই ধরনের কবিতা লেখা শুরু করেন এবং তা চলে ওই বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর একটি দীর্ঘ বিরতি শেষে ২০২৫ সালের জুলাইয়ের শেষ দিকে তিনি পুনরায় এই ধারার কবিতা রচনা শুরু করেন। তাঁর রচিত ছয় শতাধিক ঝিনুককবিতা থেকে বাছাই করে ৩৩৪টি কবিতা এই গ্রন্থে সংকলিত করা হয়েছে।
ঝিনুক যেমন আকারে ছোট হলেও নিজের ভেতরে মূল্যবান মুক্তা ধারণ করে, তেমনি ঝিনুককবিতাও সংক্ষিপ্ত অবয়বের মধ্যে গভীর ভাবনা ও অন্তর্দৃষ্টি বহন করে। কবি এই ধারাকে বিশ্বসাহিত্যের ‘অ্যাফোরিস্টিক পোয়েট্রি’ বা ‘এপিগ্রামিক পোয়েট্রি’র সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেছেন। ঝিনুককবিতা হলো এমন এক সংক্ষিপ্ত কাব্যরীতি, যা অ্যাফোরিজমের দার্শনিক ঘনত্ব এবং কবিতার নান্দনিক উপাদান—যেমন অলংকার, আঙ্গিক, চিত্রকল্প ও ধ্বনিমাধুর্যের সমন্বয়ে গঠিত।
নকিব মুকশি উল্লেখ করেছেন, ঝিনুককবিতা মূলত প্রজ্ঞাশাসিত ও কাব্যদর্শনাশ্রিত একধরনের পদ্য, যা সমাজ, রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলার প্রচলিত ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করতে পারে।
বিশ্বসাহিত্যে আন্তোনিও পোরকিয়া, স্তানিস্ওয়াভ ইয়েঝি লেৎস্, অস্কার ওয়াইল্ড, কাহলিল জিবরান, রুমি, নিৎশে প্রমুখের রচনা অ্যাফোরিস্টিক ঘরানার হলেও তাদের অধিকাংশ রচনাই ছিল মূলত গদ্যোক্তি, যা রূপের দিক থেকে কবিতা নয়। বাংলা সাহিত্যে সচেতনভাবে এমন অ্যাফোরিস্টিক কবিতা চর্চার নজির খুব একটা দেখা যায় না।
ঘাসফুল প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটির প্রচ্ছদ করেছেন রাজীব দত্ত, মুদ্রিত মূল্য ২৬৫ টাকা।

কবি নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’ প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে ৩৩৪টি সংক্ষিপ্ত অথচ ভাবগভীর কবিতা, যেগুলোকে কবি নাম দিয়েছেন ‘ঝিনুককবিতা’।
গ্রন্থের ভূমিকা ‘ঝিনুককবিতা’র তোরণ’-এ নকিব মুকশি তাঁর এই নতুন কাব্যভাবনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে খেয়ালের বশে তিনি এই ধরনের কবিতা লেখা শুরু করেন এবং তা চলে ওই বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর একটি দীর্ঘ বিরতি শেষে ২০২৫ সালের জুলাইয়ের শেষ দিকে তিনি পুনরায় এই ধারার কবিতা রচনা শুরু করেন। তাঁর রচিত ছয় শতাধিক ঝিনুককবিতা থেকে বাছাই করে ৩৩৪টি কবিতা এই গ্রন্থে সংকলিত করা হয়েছে।
ঝিনুক যেমন আকারে ছোট হলেও নিজের ভেতরে মূল্যবান মুক্তা ধারণ করে, তেমনি ঝিনুককবিতাও সংক্ষিপ্ত অবয়বের মধ্যে গভীর ভাবনা ও অন্তর্দৃষ্টি বহন করে। কবি এই ধারাকে বিশ্বসাহিত্যের ‘অ্যাফোরিস্টিক পোয়েট্রি’ বা ‘এপিগ্রামিক পোয়েট্রি’র সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেছেন। ঝিনুককবিতা হলো এমন এক সংক্ষিপ্ত কাব্যরীতি, যা অ্যাফোরিজমের দার্শনিক ঘনত্ব এবং কবিতার নান্দনিক উপাদান—যেমন অলংকার, আঙ্গিক, চিত্রকল্প ও ধ্বনিমাধুর্যের সমন্বয়ে গঠিত।
নকিব মুকশি উল্লেখ করেছেন, ঝিনুককবিতা মূলত প্রজ্ঞাশাসিত ও কাব্যদর্শনাশ্রিত একধরনের পদ্য, যা সমাজ, রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলার প্রচলিত ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করতে পারে।
বিশ্বসাহিত্যে আন্তোনিও পোরকিয়া, স্তানিস্ওয়াভ ইয়েঝি লেৎস্, অস্কার ওয়াইল্ড, কাহলিল জিবরান, রুমি, নিৎশে প্রমুখের রচনা অ্যাফোরিস্টিক ঘরানার হলেও তাদের অধিকাংশ রচনাই ছিল মূলত গদ্যোক্তি, যা রূপের দিক থেকে কবিতা নয়। বাংলা সাহিত্যে সচেতনভাবে এমন অ্যাফোরিস্টিক কবিতা চর্চার নজির খুব একটা দেখা যায় না।
ঘাসফুল প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটির প্রচ্ছদ করেছেন রাজীব দত্ত, মুদ্রিত মূল্য ২৬৫ টাকা।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১০ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৩ ঘণ্টা আগে