স্ট্রিম প্রতিবেদক

কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলামের নতুন উপন্যাস ‘বাদলের কারাবাস’ প্রকাশিত হয়েছে। নিছক গল্পের সীমানা ছাড়িয়ে বইটি হয়ে উঠেছে এক নির্দোষ তরুণের দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি বন্দিজীবনের করুণ আলেখ্য।
স্বপ্ন ছিল সম্রাট শাহজাহানের অমর সৃষ্টি তাজমহল দেখার। কিন্তু ২০০৮ সালে ভ্রমণের উদ্দেশে ভারতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশি তরুণ বাদল ফরাজী। কেবল নামের আংশিক মিল থাকার কারণে নিরপরাধ হওয়া সত্ত্বেও খুনের দায়ে অভিযুক্ত হন তিনি।
বিচারে ভারতের নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পান বাদল। কুখ্যাত তিহার জেলে এক যুগের বেশি সময় কাটানোর পর, ২০১৮ সালে বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফেরেন বাদল। কিন্তু আইনি জটিলতায় আজও তাঁর পুরোপুরি মুক্তি মেলেনি; বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের কারাগারেই বন্দি আছেন। এরই মধ্যে ছেলের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনতে গুনতে মারা গেছেন তাঁর বাবা। বিনাবিচারে জীবনের শ্রেষ্ঠ ১৮টি বছর অন্ধকার প্রকোষ্ঠে হারিয়েছেন এই তরুণ।
বাদল ফরাজীর জীবনের এই মর্মান্তিক সত্য ঘটনা, সংগ্রাম, অশ্রু আর আইনি লড়াইয়ের গল্প নিয়েই রচিত হয়েছে ‘বাদলের কারাবাস’। জেলে বসে বাদলের অভাবনীয় শিক্ষা অর্জন ও লড়াই, ফরাসি তরুণী জুলি ও মানবাধিকারকর্মীদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা এবং দেশে ফেরার পরও আইনি বেড়াজালের তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রামাণ্য দলিল এই বই।
লেখক রাহিতুল ইসলাম বলেন, এটি শুধু একটি উপন্যাস নয়, একজন মানুষের বিচার পাওয়ার আকুতি। আমি চেয়েছি পাঠকরা জানুক, কীভাবে একটি ভুল মানুষের পুরো জীবনকে তছনছ করে দিতে পারে। এই বইটি বাদল ফরাজীর মুক্তির দাবিতে একটি নীরব প্রতিবাদ।
প্রকাশের পর থেকেই বইটি পাঠকদের মধ্যে বিশেষ কৌতূহল ও আবেগ সৃষ্টি করেছে। মেলায় ২৮০ টাকার বইটি প্রথমা প্রকাশনের স্টলে মিলেছে। এখন প্রথমা ডটকম, রকমারিসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন বুকশপ থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলামের নতুন উপন্যাস ‘বাদলের কারাবাস’ প্রকাশিত হয়েছে। নিছক গল্পের সীমানা ছাড়িয়ে বইটি হয়ে উঠেছে এক নির্দোষ তরুণের দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি বন্দিজীবনের করুণ আলেখ্য।
স্বপ্ন ছিল সম্রাট শাহজাহানের অমর সৃষ্টি তাজমহল দেখার। কিন্তু ২০০৮ সালে ভ্রমণের উদ্দেশে ভারতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশি তরুণ বাদল ফরাজী। কেবল নামের আংশিক মিল থাকার কারণে নিরপরাধ হওয়া সত্ত্বেও খুনের দায়ে অভিযুক্ত হন তিনি।
বিচারে ভারতের নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পান বাদল। কুখ্যাত তিহার জেলে এক যুগের বেশি সময় কাটানোর পর, ২০১৮ সালে বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফেরেন বাদল। কিন্তু আইনি জটিলতায় আজও তাঁর পুরোপুরি মুক্তি মেলেনি; বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের কারাগারেই বন্দি আছেন। এরই মধ্যে ছেলের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনতে গুনতে মারা গেছেন তাঁর বাবা। বিনাবিচারে জীবনের শ্রেষ্ঠ ১৮টি বছর অন্ধকার প্রকোষ্ঠে হারিয়েছেন এই তরুণ।
বাদল ফরাজীর জীবনের এই মর্মান্তিক সত্য ঘটনা, সংগ্রাম, অশ্রু আর আইনি লড়াইয়ের গল্প নিয়েই রচিত হয়েছে ‘বাদলের কারাবাস’। জেলে বসে বাদলের অভাবনীয় শিক্ষা অর্জন ও লড়াই, ফরাসি তরুণী জুলি ও মানবাধিকারকর্মীদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা এবং দেশে ফেরার পরও আইনি বেড়াজালের তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রামাণ্য দলিল এই বই।
লেখক রাহিতুল ইসলাম বলেন, এটি শুধু একটি উপন্যাস নয়, একজন মানুষের বিচার পাওয়ার আকুতি। আমি চেয়েছি পাঠকরা জানুক, কীভাবে একটি ভুল মানুষের পুরো জীবনকে তছনছ করে দিতে পারে। এই বইটি বাদল ফরাজীর মুক্তির দাবিতে একটি নীরব প্রতিবাদ।
প্রকাশের পর থেকেই বইটি পাঠকদের মধ্যে বিশেষ কৌতূহল ও আবেগ সৃষ্টি করেছে। মেলায় ২৮০ টাকার বইটি প্রথমা প্রকাশনের স্টলে মিলেছে। এখন প্রথমা ডটকম, রকমারিসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন বুকশপ থেকে পাওয়া যাচ্ছে।
.png)

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের আসল সংখ্যা কত—এই নিয়ে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মধ্যে প্রায়ই নানা আলোচনা শোনা যায়। কেউ বলেন তাঁর বইয়ের সংখ্যা আড়াইশ, আবার কারও মতে তা তিনশ থেকে চারশ।
১৯ জুলাই ২০২৬
শেষ পর্যন্ত থাংলিয়ানা একটি স্মৃতিকথার চেয়ে অনেক বেশি কিছু। পার্বত্য চট্টগ্রামের অতীতকে নতুন চোখে দেখতে চাইলে, কিংবা ইতিহাসের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ক্ষমতার ভাষা বুঝতে চাইলে, এই বই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
১৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের মানুষের কাছে রাজনীতি অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয়। রাষ্ট্রের বিন্যাস আর গঠনকাঠামো বুঝতে চাওয়া পাঠকের সংখ্যা প্রচুর। এ ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতি বছর বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়। তবে বিগত কয়েক দশকে রাজনীতিকে কেন্দ্র করেই বিশেষ বিষয়কেন্দ্রিক বই প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক স
০৯ জুন ২০২৬
বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি আধুনিক যুগে প্রবেশ করেছিল জটিল, বহুমাত্রিক ও ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়ায়। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দী এই আধুনিকতার বিস্তার ও বিকাশের মূল ধাপ হিসেবে পরিচিত। আধুনিক বাঙালির মনন ও সামাজিক চেতনার ভিত্তি স্থাপন করে বাংলার নবজাগরণ বা রেনেসাঁস।
০৬ জুন ২০২৬