বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে জসীমউদ্দীন অনন্য নাম। তাঁর মৃত্যুদিন ১৩ মার্চ। তিনি বৃহত্তর বাংলা ও বাংলাদেশের মানসজগতের কবি। তাঁর রচনায় যেমন আছে প্রেম, বিরহ ও মৃত্যু, তেমনি আছে গ্রামীণ মানুষের হাসি-কান্না, উৎসব, সংগ্রাম এবং লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য।
অনন্ত রায়হান

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে জসীমউদ্দীন অনন্য। তিনি গ্রামবাংলার জীবন, মানুষ ও সংস্কৃতিকে কবিতার ভাষায় তুলে এনে বাংলা সাহিত্যকে নতুন দিশা দেখিয়েছেন। তাঁকে ‘পল্লীকবি’ বলা হয়। কিন্তু শুধু এই অভিধায় তাঁকে সীমাবদ্ধ করা যায় না। তিনি বৃহত্তর বাংলা ও বাংলাদেশের মানসজগতের কবি। তাঁর রচনায় যেমন আছে প্রেম, বিরহ ও মৃত্যু, তেমনি আছে গ্রামীণ মানুষের হাসি-কান্না, উৎসব, সংগ্রাম এবং লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য।
জসীমউদ্দীনের সাহিত্যজীবনের সূচনা হয় ১৯২৫ সালে। সেই সময় বাংলা সাহিত্যে পরিবর্তনের সময় চলছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সমাজজীবনে যেমন নানা পরিবর্তন এসেছিল, তেমনি সাহিত্যে নতুন চিন্তার আবির্ভাব ঘটে। তরুণ কবিরা তখন নতুন ভাষা ও নতুন ভাবনায় কবিতা লিখতে শুরু করেন। এই নতুন ধারার কেন্দ্র হয়ে ওঠে ‘কল্লোল’ পত্রিকা।
১৯২৩ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাকে ঘিরে একদল তরুণ লেখক ও কবি নতুন সাহিত্য আন্দোলন শুরু করেন। তাঁরা রবীন্দ্রনাথের প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক জীবনবোধকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। তাঁদের কবিতায় শহরের জীবন, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং বাস্তবতার বিভিন্ন দিক বেশি গুরুত্ব পেত। কল্লোলকে ঘিরে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার যে প্রবল স্রোত তৈরি হয়; পরে এই প্রবাহে বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত প্রমুখ গুরুত্বপূর্ণ কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।
এই সময়েই সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ নিয়ে আবির্ভূত হন জসীমউদ্দীন। তিনি শহুরে জীবনের পরিবর্তে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবনকে কবিতার বিষয় হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা ‘কবর’ প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায়। এই কবিতায় এক বৃদ্ধ দাদু তার নাতিকে পরিবারের মৃত সদস্যদের কবর দেখিয়ে তাদের জীবনের কথা স্মরণ করেন। বিষয়টির আবেগ ও উপস্থাপনার আন্তরিকতা পাঠকের হৃদয়কে স্পর্শ করে।
কবিতাটি প্রকাশের পরপরই সাহিত্যসমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই কবিতাটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা বা ম্যাট্রিক পর্যায়ের বাংলা পাঠ্যসংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়। ছাত্র থাকা অবস্থাতেই তাঁর কবিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া বাংলা সাহিত্যে বিরল ঘটনা।
জসীমউদ্দীনের জন্ম ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে। তাঁর পরিবার মূলত কৃষিজীবী হলেও বাবা ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক। ছোটবেলা থেকেই তিনি গ্রামীণ পরিবেশে বড় হয়েছেন। গ্রামবাংলার লোকগান, পালা, জারি-সারি, ভাটিয়ালী, মুর্শিদী গান—এসব শুনতে শুনতেই তাঁর শৈশব কেটেছে। ফলে লোকসংস্কৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ছাত্রজীবনে তিনি ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন এবং পরে রাজেন্দ্র কলেজে পড়াশোনা করেন। কলেজে পড়ার সময় থেকেই তিনি কবিতা লিখতে শুরু করেন। গ্রামীণ কবিয়ালদের মতো করে গল্প ও গানধর্মী কবিতা লেখার প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।

এই সময় তাঁর কবিতা অনেক গুণীজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বিশেষ করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশিষ্ট গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ হন। তিনি জসীমউদ্দীনের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পল্লিগীতি সংগ্রাহক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেন। মাসে ৭০ টাকা বৃত্তিতে এই কাজ করতে গিয়ে জসীমউদ্দীন গ্রামে গ্রামে ঘুরে লোকগান, লোককাহিনি ও লোকসংস্কৃতি সংগ্রহ করেন। এই অভিজ্ঞতা তাঁর সাহিত্যজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। এই গ্রন্থে গ্রামবাংলার প্রকৃতি, মানুষের সরল জীবন ও অনুভূতি সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে। বইটি প্রকাশের পর তিনি সাহিত্যজগতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন।
এরপর তিনি লেখেন তাঁর বিখ্যাত কাহিনিকাব্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই কাব্যে রূপাই ও সাজুর প্রেম, বিচ্ছেদ ও বিরহের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। লোকগাথার ধাঁচে লেখা এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়। গ্রামীণ মানুষের জীবন, প্রেম ও বেদনার যে চিত্র এতে ফুটে উঠেছে, তা পাঠকের মনে প্রভাব ফেলে।
এর কিছুদিন পর তিনি লেখেন আরেকটি বিখ্যাত কাহিনিকাব্য ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’। এখানে গ্রামীণ সমাজের বাস্তবতা, মানুষের সম্পর্ক ও সামাজিক বিভাজনও এতে প্রকাশ পেয়েছে। এই কাব্যেও কবি গ্রামীণ মানুষের জীবনকে মানবিকভাবে তুলে ধরেছেন।
জসীমউদ্দীনের কবিতার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ভাষা ও উপমা। তিনি প্রমিত বাংলার সঙ্গে গ্রামীণ শব্দ ও লোকভাষার স্বাদ মিশিয়ে এমন একটি ভাষা তৈরি করেছেন, যা হৃদয়গ্রাহী। তাঁর কবিতায় নদী, মাঠ, গাছপালা, কৃষক-কৃষাণী, গ্রামীণ উৎসব—সবকিছু জীবন্ত হয়ে ওঠে।
শিক্ষাজীবন শেষে জসীমউদ্দীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে কাজ করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। এরপর তিনি সরকারি তথ্য বিভাগেও দায়িত্ব পালন করেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনের পর অবসর গ্রহণ করেন।

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে জসীমউদ্দীন অনন্য। তিনি গ্রামবাংলার জীবন, মানুষ ও সংস্কৃতিকে কবিতার ভাষায় তুলে এনে বাংলা সাহিত্যকে নতুন দিশা দেখিয়েছেন। তাঁকে ‘পল্লীকবি’ বলা হয়। কিন্তু শুধু এই অভিধায় তাঁকে সীমাবদ্ধ করা যায় না। তিনি বৃহত্তর বাংলা ও বাংলাদেশের মানসজগতের কবি। তাঁর রচনায় যেমন আছে প্রেম, বিরহ ও মৃত্যু, তেমনি আছে গ্রামীণ মানুষের হাসি-কান্না, উৎসব, সংগ্রাম এবং লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য।
জসীমউদ্দীনের সাহিত্যজীবনের সূচনা হয় ১৯২৫ সালে। সেই সময় বাংলা সাহিত্যে পরিবর্তনের সময় চলছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সমাজজীবনে যেমন নানা পরিবর্তন এসেছিল, তেমনি সাহিত্যে নতুন চিন্তার আবির্ভাব ঘটে। তরুণ কবিরা তখন নতুন ভাষা ও নতুন ভাবনায় কবিতা লিখতে শুরু করেন। এই নতুন ধারার কেন্দ্র হয়ে ওঠে ‘কল্লোল’ পত্রিকা।
১৯২৩ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাকে ঘিরে একদল তরুণ লেখক ও কবি নতুন সাহিত্য আন্দোলন শুরু করেন। তাঁরা রবীন্দ্রনাথের প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক জীবনবোধকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। তাঁদের কবিতায় শহরের জীবন, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং বাস্তবতার বিভিন্ন দিক বেশি গুরুত্ব পেত। কল্লোলকে ঘিরে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার যে প্রবল স্রোত তৈরি হয়; পরে এই প্রবাহে বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত প্রমুখ গুরুত্বপূর্ণ কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।
এই সময়েই সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ নিয়ে আবির্ভূত হন জসীমউদ্দীন। তিনি শহুরে জীবনের পরিবর্তে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবনকে কবিতার বিষয় হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা ‘কবর’ প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায়। এই কবিতায় এক বৃদ্ধ দাদু তার নাতিকে পরিবারের মৃত সদস্যদের কবর দেখিয়ে তাদের জীবনের কথা স্মরণ করেন। বিষয়টির আবেগ ও উপস্থাপনার আন্তরিকতা পাঠকের হৃদয়কে স্পর্শ করে।
কবিতাটি প্রকাশের পরপরই সাহিত্যসমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই কবিতাটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা বা ম্যাট্রিক পর্যায়ের বাংলা পাঠ্যসংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়। ছাত্র থাকা অবস্থাতেই তাঁর কবিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া বাংলা সাহিত্যে বিরল ঘটনা।
জসীমউদ্দীনের জন্ম ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে। তাঁর পরিবার মূলত কৃষিজীবী হলেও বাবা ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক। ছোটবেলা থেকেই তিনি গ্রামীণ পরিবেশে বড় হয়েছেন। গ্রামবাংলার লোকগান, পালা, জারি-সারি, ভাটিয়ালী, মুর্শিদী গান—এসব শুনতে শুনতেই তাঁর শৈশব কেটেছে। ফলে লোকসংস্কৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ছাত্রজীবনে তিনি ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন এবং পরে রাজেন্দ্র কলেজে পড়াশোনা করেন। কলেজে পড়ার সময় থেকেই তিনি কবিতা লিখতে শুরু করেন। গ্রামীণ কবিয়ালদের মতো করে গল্প ও গানধর্মী কবিতা লেখার প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।

এই সময় তাঁর কবিতা অনেক গুণীজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বিশেষ করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশিষ্ট গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ হন। তিনি জসীমউদ্দীনের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পল্লিগীতি সংগ্রাহক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেন। মাসে ৭০ টাকা বৃত্তিতে এই কাজ করতে গিয়ে জসীমউদ্দীন গ্রামে গ্রামে ঘুরে লোকগান, লোককাহিনি ও লোকসংস্কৃতি সংগ্রহ করেন। এই অভিজ্ঞতা তাঁর সাহিত্যজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। এই গ্রন্থে গ্রামবাংলার প্রকৃতি, মানুষের সরল জীবন ও অনুভূতি সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে। বইটি প্রকাশের পর তিনি সাহিত্যজগতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন।
এরপর তিনি লেখেন তাঁর বিখ্যাত কাহিনিকাব্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই কাব্যে রূপাই ও সাজুর প্রেম, বিচ্ছেদ ও বিরহের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। লোকগাথার ধাঁচে লেখা এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়। গ্রামীণ মানুষের জীবন, প্রেম ও বেদনার যে চিত্র এতে ফুটে উঠেছে, তা পাঠকের মনে প্রভাব ফেলে।
এর কিছুদিন পর তিনি লেখেন আরেকটি বিখ্যাত কাহিনিকাব্য ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’। এখানে গ্রামীণ সমাজের বাস্তবতা, মানুষের সম্পর্ক ও সামাজিক বিভাজনও এতে প্রকাশ পেয়েছে। এই কাব্যেও কবি গ্রামীণ মানুষের জীবনকে মানবিকভাবে তুলে ধরেছেন।
জসীমউদ্দীনের কবিতার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ভাষা ও উপমা। তিনি প্রমিত বাংলার সঙ্গে গ্রামীণ শব্দ ও লোকভাষার স্বাদ মিশিয়ে এমন একটি ভাষা তৈরি করেছেন, যা হৃদয়গ্রাহী। তাঁর কবিতায় নদী, মাঠ, গাছপালা, কৃষক-কৃষাণী, গ্রামীণ উৎসব—সবকিছু জীবন্ত হয়ে ওঠে।
শিক্ষাজীবন শেষে জসীমউদ্দীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে কাজ করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। এরপর তিনি সরকারি তথ্য বিভাগেও দায়িত্ব পালন করেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনের পর অবসর গ্রহণ করেন।

কেনিয়ার প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক শহর হলো নাকুরু। রাজধানী নাইরোবি থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো সাতসকালে। তখন ভোরের প্রথম আলো শহরের কংক্রিটের ভবনগুলোতে সোনালি আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়ল গ্রামীণ জীবনের চমৎকার সব দৃশ্য। কেউ গরুর চামড়া মাথায় নিয়ে বাজারে যাচ্ছে, কারও হাতে সবজিভর্তি ব
৮ ঘণ্টা আগে
ভারতের আলোকচিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ এবং লেন্সের জাদুকর রঘু রাই আর নেই। গত দুই বছর ধরে তিনি প্রোস্টেট এবং পাকস্থলীর ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ক্যানসার তাঁর মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে পর্যন্তও তিনি তাঁর প
১১ ঘণ্টা আগে
আমাদের রান্নাঘরের অনেক জিনিসই প্লাস্টিকের তৈরি। তাই সহজেই এগুলো খাবারে মিশে যেতে পারে। তবে আমরা চাইলেই খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমানো সম্ভব। রান্নাঘরে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।
১৫ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় মেলবোর্ন শহর থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে ‘ফিলিপ আইল্যান্ড’ নামের এক অপূর্ব নৈসর্গিক জায়গায় আমরা এসেছি পেঙ্গুইনের খোঁজে! জি হ্যাঁ, পেঙ্গুইন! পেঙ্গুইন মানেই তো সেই কোট পরা ‘ভদ্রলোক’ পাখি! এর নাম শুনলেই আমাদের চোখে ভাসে, বরফ মহাদেশে হেঁটে যাচ্ছে গুটি গুটি পায়ে।
১ দিন আগে