হুমায়ূন শফিক

ঢাকা থেকে আমার এক বড় ভাই মাসুদ রানার কয়েকটি বই নিয়ে আসে। দেখে আর লোভ সামলাতে না পেরে একটি বই গায়েব করে দেই। রাতে স্কুলের পড়া বাদ দিয়ে পাঠ্যবইয়ের ভেতরে লুকিয়ে মাসুদ রানা পড়তে শুরু করি। সেই থেকেই মাসুদ রানার সঙ্গে আমার পরিচয়। নিচে আরেকটি নামও তখন মনে গেথে যায়—‘কাজী আনোয়ার হোসেন’। তখনও বুঝতে পারিনি কাজীদা এত বড় কাজ করে ফেলেছেন।
আমাদের মনকে তিনি নিয়ন্ত্রণও করতেন বলা যায়। কারণ মাসুদ রানার ওই একটি বই পড়েই নিজেকে মাসুদ রানা ভাবতে শুরু করি আমি। বিকালে খেলতে গিয়ে বন্ধুদের জানাই মাসুদ রানা সম্পর্কে।
তখন গ্রাম থাকি। পড়ি হাই স্কুলে। স্কুল থেকেই বাড়িতে এসেই বই-খাতা রেখে আমরা খেলতে যেতাম। এবার খেলার বিষয় বানালাম ‘মাসুদ রানা’। যাদের সঙ্গে মাসুদ রানার গল্প শেয়ার করেছিলাম প্রায় সবাই-ই মাসুদ রানা পড়তে আগ্রহী।
অনেকেই ভাবতে পারেন গ্রামের ছেলে-মেয়েরা আবার মাসুদ রানা পড়ে নাকি। হ্যাঁ, কেউ কেউ পড়ে। কারণ তখন আমাদের কাছে ডিজিটাল কোনো ডিভাইস নেই। গ্রামে বাটনফোন আছে। ওই বাটনফোনের সব গেমের স্টেজ পার করা আমাদের শেষ। নতুন কোনোকিছু না আসায় সবাই হতাশ। এমন সময়ই মাসুদ রানার খপ্পরে পড়ি আমি। বুঁদ হয়ে থাকি। ওই একটা বইই বারবার পড়ি। বন্ধুদেরও পড়ে শোনাই। অস্বীকার করব না, বেশির ভাগ বন্ধুই মাসুদ রানার বইয়ে ছোট একটা অংশে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের অন্তরঙ্গ বর্ণনা ছিল সেইটুকু শুনতেই আসত। তবে বাকি গল্পও তারা শুনত।

আগেই বললাম, খেলার বিষয় বানালাম মাসুদ রানাকে। একদিন মাসুদ রানার গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা তেমন করেই অভিনয় করার প্ল্যান করলাম। এর আগে আমরা ‘মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা’ খেলেছি। এখন যেমন অনেক শিশুকে শহীদ আবু সাঈদ সেজে অভিনয় করতে দেখা যায়, আমরাও ছোটবেলায় মুক্তিযোদ্ধা সাজতাম। তো তখন ভাবলাম একজন মাসুদ রানা হবে। কে হবে? সেটা নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। আমি ছোটখাটো, তাই আগেই বাদ। মূলত তখন আমরা সবাইই ছোটখাটো। কারণ ক্লাস সিক্সের ছেলে তো আর ছয় ফিট হবে না। তবে আমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে লম্বা তাকেই মাসুদ রানার চরিত্রে দিলাম।
গ্রামে তখন আস্তানা বানানো হতো। বেত কেটে কেটে সুড়ঙ্গ বানিয়ে ভিতরে বড় একটা জায়গা ঘরের মতো বানিয়ে রাখা হতো। এটা আমাদের বড় ভাইয়েরা বানাতো। আমরা সেখানে যেতাম। একবার দুইবার ঢুকতে দিলেই খুশি। বেতের কাঁটায় শরীরে ছিড়ে গিয়েছে কয়েকবার। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, আস্তানায় ভিলেন থাকবে। তার কাছে অস্ত্রের চালান। মাসুদ রানা গিয়ে সেই চালান উদ্ধার করবে। সেদিন এই নাটক বা যাই বলুন না কেন আমরা সফলতার সঙ্গেই করেছিলাম। আমাদের খেলনা পিস্তলও কাজে লেগেছিল। মাসুদ রানা ও ভিলেনের মধ্যে অদম্য ফাইট সরাসারি দেখেছিলাম আমরা। যারা চরিত্রগুলো করেছিল, তারা এমনভাবে করেছিল যেন তারা সত্যি সত্যি ওই চরিত্রই।
ক্লাস সিক্স থেকে ধীরে ধীরে ক্লাস পরিবর্তন হচ্ছে আর মাসুদ রানার প্রতি আমার আগ্রহ দিনকে দিন আরও বেড়ে যাচ্ছিল। স্কুলের সামনে একটা বইয়ের দোকান ছিল। সেখানে আমরা দুই বন্ধু মিলে মাসুদ রানার অর্ডার দিতাম। তিনি আমাদের ১০ বা ২০ টাকা বেশি মূল্যে বই এনে দিতেন। সারা মাস টাকা জমিয়ে এভাবেই মাসুদ রানার বই আমরা সংগ্রহ করতাম।
আমাদের পরে বোধহয় এভাবে আর কাউকেই মাসুদ রানা বা সেবার অন্যান্য বই সংগ্রহ করতে হয়নি। কারণ ধীরে ধীরে তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নে বইয়ের বদলে পিডিএফ পাওয়া যায়।
২০১০ সালে আব্বু সবে নতুন ল্যাপটপ কিনে দিয়েছেন। তখন ঢাকায় চলে এসেছি। বাসায় তখন ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড। দিনভর ইন্টারনেটে খুঁজি কোথায় কোথায় পিডিএফ বই পাওয়া যায়। খুঁজে খুঁজে বেশ কিছু ওয়েবসাইটও পেয়ে গেলাম। সেসব ওয়েবসাইটে আবার সেবার বইয়ের পরিমাণই বেশি। এরপর থেকে বইয়ের পাশাপাশি যেগুলো দুর্লভ বা কোথাও পাওয়া না যায়, সেগুলো পিডিএফ আকারে পড়া শুরু করলাম। যা পেয়েছি গ্রোগ্রাসে গিলেছি। একটা নোক্তা দিয়ে রাখি, এই পিডিএফের কারণে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অদ্ভুরে সিরিজের সব পড়ে ফেলেছিলাম। সে অন্য গল্প।

কাজী আনোয়ার সম্পর্কে যত জানলাম, ততই বিস্ময় জাগল। কারণ তিনি একা হাতে এত কাজ কীভাবে করেছেন, তা ভাবার উর্ধ্বে। পরে অবশ্য জেনেছি, তিনি একাই সব বই লেখেননি। শেখ আবদুল হাকিমসহ আরও অনেক লেখকের সহায়তায় মাসুদ রানা লেখা হয়েছে। পরে তো শেখ আবদুল হাকিম মামলাও করেছিলেন কাজীদার নামে।
মূল কথায় আসা যাক, আমাদের পরে হয়ত আর এমন কোনো প্রজন্ম পাওয়া যাবে না, যারা মাসুদ রানা বা কাজীদার লেখা পড়ার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করত না। যদিও প্রতি মাসেও সেবা থেকে বই প্রকাশিত হতো, তবে গ্রামে থাকার কারণে সেগুলো পেতে আমাদের মাসেরও বেশি অপেক্ষা করা লাগত। তবে ঢাকায় আসার পর থেকে সহজেই পেয়ে যেতাম বইগুলো। দশ মিনিট হাঁটলেই বইয়ের দোকান। মিরপুর-১-এ যে বইয়ের দোকান থেকে সেবার বই কিনতাম, দোকানটি এখনও আছে। তবে সেখান থেকে এখন আর বই কেনা হয় না।
করোনা মহামারির আগে আগে সেই দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, আগে মাসুদ রানা যেভাবে বিক্রি হতো, তা কমে গেছে। সপ্তাহে যেখানে দুই আড়াই শ কপি বিক্রি হতো, সেখানে মাসেও দুই শ কপি বিক্রি করতে পারেন না তারা। শুনে সেদিন কিছুটা হতাশই হয়েছিলাম। পরে তো করোনার সময়ে ঘরবন্দি অবস্থায় থাকতে হয়েছে সবাইকে।
আমাদের স্মৃতিতে কাজীদা যেভাবে আছেন, সেভাবে বোধহয় আর কোনো প্রজন্মের স্মৃতিতে নেই বা থাকার কথাও না। কাজীদার লেখা হয়তো পরের প্রজন্মের পাঠকেরাও পড়বে, তবে পাগলের মতো হয়তো আমরাই পড়তাম। আমাদের আগের প্রজন্মের পাঠকেরাও পড়েছে। তার আগের পাঠকেরাও। তবে শূন্য দশকে বেড়ে ওঠা আমরাই হয়তো শেষ প্রজন্ম, যারা কাজীদার লেখার অপেক্ষায় থাকতাম।

ঢাকা থেকে আমার এক বড় ভাই মাসুদ রানার কয়েকটি বই নিয়ে আসে। দেখে আর লোভ সামলাতে না পেরে একটি বই গায়েব করে দেই। রাতে স্কুলের পড়া বাদ দিয়ে পাঠ্যবইয়ের ভেতরে লুকিয়ে মাসুদ রানা পড়তে শুরু করি। সেই থেকেই মাসুদ রানার সঙ্গে আমার পরিচয়। নিচে আরেকটি নামও তখন মনে গেথে যায়—‘কাজী আনোয়ার হোসেন’। তখনও বুঝতে পারিনি কাজীদা এত বড় কাজ করে ফেলেছেন।
আমাদের মনকে তিনি নিয়ন্ত্রণও করতেন বলা যায়। কারণ মাসুদ রানার ওই একটি বই পড়েই নিজেকে মাসুদ রানা ভাবতে শুরু করি আমি। বিকালে খেলতে গিয়ে বন্ধুদের জানাই মাসুদ রানা সম্পর্কে।
তখন গ্রাম থাকি। পড়ি হাই স্কুলে। স্কুল থেকেই বাড়িতে এসেই বই-খাতা রেখে আমরা খেলতে যেতাম। এবার খেলার বিষয় বানালাম ‘মাসুদ রানা’। যাদের সঙ্গে মাসুদ রানার গল্প শেয়ার করেছিলাম প্রায় সবাই-ই মাসুদ রানা পড়তে আগ্রহী।
অনেকেই ভাবতে পারেন গ্রামের ছেলে-মেয়েরা আবার মাসুদ রানা পড়ে নাকি। হ্যাঁ, কেউ কেউ পড়ে। কারণ তখন আমাদের কাছে ডিজিটাল কোনো ডিভাইস নেই। গ্রামে বাটনফোন আছে। ওই বাটনফোনের সব গেমের স্টেজ পার করা আমাদের শেষ। নতুন কোনোকিছু না আসায় সবাই হতাশ। এমন সময়ই মাসুদ রানার খপ্পরে পড়ি আমি। বুঁদ হয়ে থাকি। ওই একটা বইই বারবার পড়ি। বন্ধুদেরও পড়ে শোনাই। অস্বীকার করব না, বেশির ভাগ বন্ধুই মাসুদ রানার বইয়ে ছোট একটা অংশে থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের অন্তরঙ্গ বর্ণনা ছিল সেইটুকু শুনতেই আসত। তবে বাকি গল্পও তারা শুনত।

আগেই বললাম, খেলার বিষয় বানালাম মাসুদ রানাকে। একদিন মাসুদ রানার গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা তেমন করেই অভিনয় করার প্ল্যান করলাম। এর আগে আমরা ‘মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা’ খেলেছি। এখন যেমন অনেক শিশুকে শহীদ আবু সাঈদ সেজে অভিনয় করতে দেখা যায়, আমরাও ছোটবেলায় মুক্তিযোদ্ধা সাজতাম। তো তখন ভাবলাম একজন মাসুদ রানা হবে। কে হবে? সেটা নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। আমি ছোটখাটো, তাই আগেই বাদ। মূলত তখন আমরা সবাইই ছোটখাটো। কারণ ক্লাস সিক্সের ছেলে তো আর ছয় ফিট হবে না। তবে আমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে লম্বা তাকেই মাসুদ রানার চরিত্রে দিলাম।
গ্রামে তখন আস্তানা বানানো হতো। বেত কেটে কেটে সুড়ঙ্গ বানিয়ে ভিতরে বড় একটা জায়গা ঘরের মতো বানিয়ে রাখা হতো। এটা আমাদের বড় ভাইয়েরা বানাতো। আমরা সেখানে যেতাম। একবার দুইবার ঢুকতে দিলেই খুশি। বেতের কাঁটায় শরীরে ছিড়ে গিয়েছে কয়েকবার। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, আস্তানায় ভিলেন থাকবে। তার কাছে অস্ত্রের চালান। মাসুদ রানা গিয়ে সেই চালান উদ্ধার করবে। সেদিন এই নাটক বা যাই বলুন না কেন আমরা সফলতার সঙ্গেই করেছিলাম। আমাদের খেলনা পিস্তলও কাজে লেগেছিল। মাসুদ রানা ও ভিলেনের মধ্যে অদম্য ফাইট সরাসারি দেখেছিলাম আমরা। যারা চরিত্রগুলো করেছিল, তারা এমনভাবে করেছিল যেন তারা সত্যি সত্যি ওই চরিত্রই।
ক্লাস সিক্স থেকে ধীরে ধীরে ক্লাস পরিবর্তন হচ্ছে আর মাসুদ রানার প্রতি আমার আগ্রহ দিনকে দিন আরও বেড়ে যাচ্ছিল। স্কুলের সামনে একটা বইয়ের দোকান ছিল। সেখানে আমরা দুই বন্ধু মিলে মাসুদ রানার অর্ডার দিতাম। তিনি আমাদের ১০ বা ২০ টাকা বেশি মূল্যে বই এনে দিতেন। সারা মাস টাকা জমিয়ে এভাবেই মাসুদ রানার বই আমরা সংগ্রহ করতাম।
আমাদের পরে বোধহয় এভাবে আর কাউকেই মাসুদ রানা বা সেবার অন্যান্য বই সংগ্রহ করতে হয়নি। কারণ ধীরে ধীরে তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নে বইয়ের বদলে পিডিএফ পাওয়া যায়।
২০১০ সালে আব্বু সবে নতুন ল্যাপটপ কিনে দিয়েছেন। তখন ঢাকায় চলে এসেছি। বাসায় তখন ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড। দিনভর ইন্টারনেটে খুঁজি কোথায় কোথায় পিডিএফ বই পাওয়া যায়। খুঁজে খুঁজে বেশ কিছু ওয়েবসাইটও পেয়ে গেলাম। সেসব ওয়েবসাইটে আবার সেবার বইয়ের পরিমাণই বেশি। এরপর থেকে বইয়ের পাশাপাশি যেগুলো দুর্লভ বা কোথাও পাওয়া না যায়, সেগুলো পিডিএফ আকারে পড়া শুরু করলাম। যা পেয়েছি গ্রোগ্রাসে গিলেছি। একটা নোক্তা দিয়ে রাখি, এই পিডিএফের কারণে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অদ্ভুরে সিরিজের সব পড়ে ফেলেছিলাম। সে অন্য গল্প।

কাজী আনোয়ার সম্পর্কে যত জানলাম, ততই বিস্ময় জাগল। কারণ তিনি একা হাতে এত কাজ কীভাবে করেছেন, তা ভাবার উর্ধ্বে। পরে অবশ্য জেনেছি, তিনি একাই সব বই লেখেননি। শেখ আবদুল হাকিমসহ আরও অনেক লেখকের সহায়তায় মাসুদ রানা লেখা হয়েছে। পরে তো শেখ আবদুল হাকিম মামলাও করেছিলেন কাজীদার নামে।
মূল কথায় আসা যাক, আমাদের পরে হয়ত আর এমন কোনো প্রজন্ম পাওয়া যাবে না, যারা মাসুদ রানা বা কাজীদার লেখা পড়ার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করত না। যদিও প্রতি মাসেও সেবা থেকে বই প্রকাশিত হতো, তবে গ্রামে থাকার কারণে সেগুলো পেতে আমাদের মাসেরও বেশি অপেক্ষা করা লাগত। তবে ঢাকায় আসার পর থেকে সহজেই পেয়ে যেতাম বইগুলো। দশ মিনিট হাঁটলেই বইয়ের দোকান। মিরপুর-১-এ যে বইয়ের দোকান থেকে সেবার বই কিনতাম, দোকানটি এখনও আছে। তবে সেখান থেকে এখন আর বই কেনা হয় না।
করোনা মহামারির আগে আগে সেই দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, আগে মাসুদ রানা যেভাবে বিক্রি হতো, তা কমে গেছে। সপ্তাহে যেখানে দুই আড়াই শ কপি বিক্রি হতো, সেখানে মাসেও দুই শ কপি বিক্রি করতে পারেন না তারা। শুনে সেদিন কিছুটা হতাশই হয়েছিলাম। পরে তো করোনার সময়ে ঘরবন্দি অবস্থায় থাকতে হয়েছে সবাইকে।
আমাদের স্মৃতিতে কাজীদা যেভাবে আছেন, সেভাবে বোধহয় আর কোনো প্রজন্মের স্মৃতিতে নেই বা থাকার কথাও না। কাজীদার লেখা হয়তো পরের প্রজন্মের পাঠকেরাও পড়বে, তবে পাগলের মতো হয়তো আমরাই পড়তাম। আমাদের আগের প্রজন্মের পাঠকেরাও পড়েছে। তার আগের পাঠকেরাও। তবে শূন্য দশকে বেড়ে ওঠা আমরাই হয়তো শেষ প্রজন্ম, যারা কাজীদার লেখার অপেক্ষায় থাকতাম।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
৩১ মিনিট আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
১ দিন আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে