স্ট্রিম ডেস্ক

বাজার থেকে টাটকা ফল ও সবজি কিনে আনার পর অনেকেই সেগুলো ফ্রিজে বা রান্নাঘরের এক কোণে রেখে দেন। কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে দেখতে ভালো থাকলেও এ খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আবার ফ্রিজে ফেলে রাখা সবজি বা ফলে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণুও জন্মাতে পারে। সব খাবার যে একই সময়ে পচে যাবে বা নষ্ট হয়ে যাবে তা কিন্তু নয়। কিছু ফল বা সবজি একটু নরম হয়ে গেলেও খাওয়া নিরাপদ।
আবার কিছু ফলে সামান্য পচন দেখা দিলেই পুরোটা ফেলে দিতে হয়। তাই ফল ও সবজি কত দিন ভালো থাকে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করলে সেগুলো দীর্ঘদিন নিরাপদ থাকবে, সে বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় প্রায় এক সপ্তাহ এবং ফ্রিজে তিন থেকে চার সপ্তাহ পর্যন্ত আপেল সাধারণত ভালো থাকে। সামান্য থেঁতলে গেলেও আপেল খাওয়া যায়, তবে ফলে ছাঁচ বা পচন ভাব ধরলে তা আর খাওয়া উচিত নয়।
কলা কেনার সময় যতটা পাকা থাকে, তার ওপর নির্ভর করে ভালো থাকতে পারে। পাকার আগে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখাই ভালো। কলা বেশি পেকে গেলে ফ্রিজে রাখলে আরও কয়েক দিন পর্যন্ত খাওয়ার উপযোগী থাকতে পারে।
কমলা, লেবুসহ লেবুজাতীয় ফল স্বাভাবিক তাপমাত্রায় প্রায় এক সপ্তাহ এবং ফ্রিজে এক মাস পর্যন্ত রাখা যায়। এসব ফল জালযুক্ত বা বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ব্যাগে রাখলে বেশি দিন ভালো থাকে। তবে কাটা ফল বায়ুরোধী পাত্রে রেখে পাঁচ দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত।
স্ট্রবেরি, ব্লুবেরির মতো বেরি জাতীয় ফল এবং আঙুর খুব দ্রুত নষ্ট হয়। তাই এগুলো ফ্রিজে রাখা উচিত এবং খাওয়ার আগে ধুয়ে নেওয়া ভালো।
যদি একটি বেরি বা একটি আঙুরেও ছাঁচ দেখা যায়, তাহলে পুরো প্যাকেট বা গোছাই ফেলে দেওয়া নিরাপদ। কারণ ছত্রাক থেকে তৈরি হওয়া বিষাক্ত পদার্থ, যাকে মাইকোটক্সিন বলা হয়, চোখে না দেখা গেলেও আশপাশের ফলেও ছড়িয়ে যেতে পারে। এসব বিষাক্ত উপাদান দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
টমেটো আগে ঘরের তাপমাত্রায় পাকতে দিতে হবে। পুরোপুরি পেকে গেলে ফ্রিজে রেখে প্রায় দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। টমেটো একটু নরম হয়ে গেলেও যদি ছাঁচ না থাকে, তাহলে তা খাওয়া যায়। তবে ছাঁচ দেখা দিলে তা ফেলে দেওয়াই নিরাপদ।
গাজর ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায় প্রায় দুই সপ্তাহ এবং ফ্রিজে এক মাসেরও বেশি সময় ভালো থাকতে পারে। ছিদ্রযুক্ত ব্যাগে রাখলে বাতাস চলাচল করে, ফলে এগুলো দীর্ঘদিন সতেজ থাকে। অঙ্কুর বের হলেও খাওয়া যায়, কিন্তু নরম হয়ে গেলে বা পচন ভাব থাকলে খাওয়া উচিত নয়।
শসা ফ্রিজে এক সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। তবে কাটা শসা পরিষ্কার পাত্রে বা ব্যাগে রেখে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ কাটা অংশে খুব দ্রুত জীবাণু জন্মাতে পারে।
পেঁয়াজ ঠান্ডা, শুকনো ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে ৩-৪ মাসও রাখা যায়। প্লাস্টিকের ব্যাগে না রেখে খোলা পরিবেশে রাখা ভালো। পেঁয়াজে অঙ্কুর বের হলেও যদি ছাঁচ না থাকে, তাহলে তা খাওয়া যায়।
আলুও একই ধরনের পরিবেশে দীর্ঘদিন ভালো থাকে। তবে সবুজ রঙ ধারণ করা বা অঙ্কুর বের হওয়া আলু কখনোই খাওয়া উচিত নয়। এসব আলুতে প্রাকৃতিক বিষাক্ত উপাদান তৈরি হতে পারে, যা বমি, পেটব্যথা ও ডায়রিয়ার মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সবুজ অংশ কেটে ফেললেও এই বিষ পুরো আলুতে ছড়িয়ে থাকতে পারে এবং রান্না করলেও তা নষ্ট হয় না। বিশেষ করে আলোতে রাখলে আলুতে এই বিষাক্ত উপাদান আরও বেশি তৈরি হয়।
সব ফল ও সবজি একসঙ্গে রাখা ঠিক নয়। কারণ কিছু ফল পাকতে গিয়ে ইথিলিন গ্যাস ছাড়ে। এই গ্যাস আশপাশের ফল ও সবজি দ্রুত পাকিয়ে দেয়। ফলে সেগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
কলা ও আপেল সবচেয়ে বেশি ইথিলিন গ্যাস উৎপন্ন করে। তাই এগুলো অন্য ফল বা সবজির কাছাকাছি না রাখাই ভালো। এ ছাড়া প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফল, সবজি না কিনে কয়েক দিনের জন্য যতটুকু খাওয়া সম্ভব, ততটুকুই কেনা উচিত। এতে যেমন অপচয় কমবে, তেমনি বাসি বা নষ্ট খাবার খাওয়ার ঝুঁকিও কমে যাবে।
ফল ও সবজি আমাদের সুস্থ থাকার জন্য অপরিহার্য। তবে শুধু বেশি বেশি কিনলেই হবে না, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোন খাবার কত দিন ভালো থাকে এবং কখন তা ফেলে দেওয়া উচিত—এই সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চললে খাবারের অপচয় কমবে, একই সঙ্গে পরিবারও থাকবে খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি থেকে নিরাপদ।

বাজার থেকে টাটকা ফল ও সবজি কিনে আনার পর অনেকেই সেগুলো ফ্রিজে বা রান্নাঘরের এক কোণে রেখে দেন। কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে দেখতে ভালো থাকলেও এ খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আবার ফ্রিজে ফেলে রাখা সবজি বা ফলে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণুও জন্মাতে পারে। সব খাবার যে একই সময়ে পচে যাবে বা নষ্ট হয়ে যাবে তা কিন্তু নয়। কিছু ফল বা সবজি একটু নরম হয়ে গেলেও খাওয়া নিরাপদ।
আবার কিছু ফলে সামান্য পচন দেখা দিলেই পুরোটা ফেলে দিতে হয়। তাই ফল ও সবজি কত দিন ভালো থাকে এবং কীভাবে সংরক্ষণ করলে সেগুলো দীর্ঘদিন নিরাপদ থাকবে, সে বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।
ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় প্রায় এক সপ্তাহ এবং ফ্রিজে তিন থেকে চার সপ্তাহ পর্যন্ত আপেল সাধারণত ভালো থাকে। সামান্য থেঁতলে গেলেও আপেল খাওয়া যায়, তবে ফলে ছাঁচ বা পচন ভাব ধরলে তা আর খাওয়া উচিত নয়।
কলা কেনার সময় যতটা পাকা থাকে, তার ওপর নির্ভর করে ভালো থাকতে পারে। পাকার আগে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখাই ভালো। কলা বেশি পেকে গেলে ফ্রিজে রাখলে আরও কয়েক দিন পর্যন্ত খাওয়ার উপযোগী থাকতে পারে।
কমলা, লেবুসহ লেবুজাতীয় ফল স্বাভাবিক তাপমাত্রায় প্রায় এক সপ্তাহ এবং ফ্রিজে এক মাস পর্যন্ত রাখা যায়। এসব ফল জালযুক্ত বা বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ব্যাগে রাখলে বেশি দিন ভালো থাকে। তবে কাটা ফল বায়ুরোধী পাত্রে রেখে পাঁচ দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত।
স্ট্রবেরি, ব্লুবেরির মতো বেরি জাতীয় ফল এবং আঙুর খুব দ্রুত নষ্ট হয়। তাই এগুলো ফ্রিজে রাখা উচিত এবং খাওয়ার আগে ধুয়ে নেওয়া ভালো।
যদি একটি বেরি বা একটি আঙুরেও ছাঁচ দেখা যায়, তাহলে পুরো প্যাকেট বা গোছাই ফেলে দেওয়া নিরাপদ। কারণ ছত্রাক থেকে তৈরি হওয়া বিষাক্ত পদার্থ, যাকে মাইকোটক্সিন বলা হয়, চোখে না দেখা গেলেও আশপাশের ফলেও ছড়িয়ে যেতে পারে। এসব বিষাক্ত উপাদান দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
টমেটো আগে ঘরের তাপমাত্রায় পাকতে দিতে হবে। পুরোপুরি পেকে গেলে ফ্রিজে রেখে প্রায় দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। টমেটো একটু নরম হয়ে গেলেও যদি ছাঁচ না থাকে, তাহলে তা খাওয়া যায়। তবে ছাঁচ দেখা দিলে তা ফেলে দেওয়াই নিরাপদ।
গাজর ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায় প্রায় দুই সপ্তাহ এবং ফ্রিজে এক মাসেরও বেশি সময় ভালো থাকতে পারে। ছিদ্রযুক্ত ব্যাগে রাখলে বাতাস চলাচল করে, ফলে এগুলো দীর্ঘদিন সতেজ থাকে। অঙ্কুর বের হলেও খাওয়া যায়, কিন্তু নরম হয়ে গেলে বা পচন ভাব থাকলে খাওয়া উচিত নয়।
শসা ফ্রিজে এক সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। তবে কাটা শসা পরিষ্কার পাত্রে বা ব্যাগে রেখে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত। কারণ কাটা অংশে খুব দ্রুত জীবাণু জন্মাতে পারে।
পেঁয়াজ ঠান্ডা, শুকনো ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে ৩-৪ মাসও রাখা যায়। প্লাস্টিকের ব্যাগে না রেখে খোলা পরিবেশে রাখা ভালো। পেঁয়াজে অঙ্কুর বের হলেও যদি ছাঁচ না থাকে, তাহলে তা খাওয়া যায়।
আলুও একই ধরনের পরিবেশে দীর্ঘদিন ভালো থাকে। তবে সবুজ রঙ ধারণ করা বা অঙ্কুর বের হওয়া আলু কখনোই খাওয়া উচিত নয়। এসব আলুতে প্রাকৃতিক বিষাক্ত উপাদান তৈরি হতে পারে, যা বমি, পেটব্যথা ও ডায়রিয়ার মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সবুজ অংশ কেটে ফেললেও এই বিষ পুরো আলুতে ছড়িয়ে থাকতে পারে এবং রান্না করলেও তা নষ্ট হয় না। বিশেষ করে আলোতে রাখলে আলুতে এই বিষাক্ত উপাদান আরও বেশি তৈরি হয়।
সব ফল ও সবজি একসঙ্গে রাখা ঠিক নয়। কারণ কিছু ফল পাকতে গিয়ে ইথিলিন গ্যাস ছাড়ে। এই গ্যাস আশপাশের ফল ও সবজি দ্রুত পাকিয়ে দেয়। ফলে সেগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
কলা ও আপেল সবচেয়ে বেশি ইথিলিন গ্যাস উৎপন্ন করে। তাই এগুলো অন্য ফল বা সবজির কাছাকাছি না রাখাই ভালো। এ ছাড়া প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফল, সবজি না কিনে কয়েক দিনের জন্য যতটুকু খাওয়া সম্ভব, ততটুকুই কেনা উচিত। এতে যেমন অপচয় কমবে, তেমনি বাসি বা নষ্ট খাবার খাওয়ার ঝুঁকিও কমে যাবে।
ফল ও সবজি আমাদের সুস্থ থাকার জন্য অপরিহার্য। তবে শুধু বেশি বেশি কিনলেই হবে না, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোন খাবার কত দিন ভালো থাকে এবং কখন তা ফেলে দেওয়া উচিত—এই সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চললে খাবারের অপচয় কমবে, একই সঙ্গে পরিবারও থাকবে খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি থেকে নিরাপদ।
.png)

ফরহাদ মজহার কবি, দার্শনিক, রাজনীতি বিশ্লেষকসহ বহুবিধ পরিচয়ে পরিচিত। যাপন থেকে শুরু করে চিন্তা ও তৎপরতায় রাজনীতি, সাহিত্য, দর্শন, কাব্য ও কৃষির উদ্যোগে প্রতিনিয়ত নিজেকেই নিজে অতিক্রম করছেন তিনি। ‘আমাকে তুমি দাঁড় করিয়ে দিয়েছ বিপ্লবের সামনে’, ‘অকস্মাৎ রপ্তানিমুখী নারীমেশিন’, ‘এবাদতনামা’ প্রভৃতি তাঁর উল
১৯ ঘণ্টা আগে
১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারি। জিব্রাল্টার প্রণালির পাশ ঘেঁষে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে সিয়েরা নেভাদা পর্বতমালা। এরই পাদদেশের শহর গ্রানাডার আকাশেই অস্ত যায় মুসলিম আন্দালুসের আট শতকের গৌরবময় ইতিহাসের শেষ সূর্য।
০৭ আগস্ট ২০২৬
স্ট্রিম: ‘চিহ্ন’ পত্রিকার ২৫ বছরের যাত্রায় ফিরে তাকালে আপনার সবচেয়ে বড় অর্জন কী বলে মনে হয়? শহীদ ইকবাল: অর্জন তো কোট-আনকোট (‘’)। আমরা কাজের নেশা থেকে কাজ করে যাচ্ছি। নিশ্চয়ই ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আমাদের জার্নিটা একটা প্রভাবশালী শক্তি। সামগ্রিক অবদান তো সেভাবে দেখা যাবে না। তবে বড় অর্জনের
০৭ আগস্ট ২০২৬
‘গতকল্য বৃহস্পতিবার বেলা ১২.১৩ মিঃ সময় বিশ্ববরেণ্য কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলিকাতা জোড়াসাঁকোস্থিত বাসভবনে মহাপ্রয়াণ করিয়াছেন। মৃত্যুকালে তাঁহার বয়স ৮০ বৎসর ৩ মাস হইয়াছিল।
০৬ আগস্ট ২০২৬