গরমে হাঁসফাঁস লাগলেও, হাতে এক কাপ গরম চা না থাকলে অনেকের যেন ঠিক তৃপ্তি আসে না। কেউ বলেন, ‘গরমে গরম চা খেলেই আরাম লাগে’, আবার কেউ কফির ক্যাফেইন ছাড়া দিনটাই শুরু করতে পারেন না। কিন্তু এই গরমে চা-কফি খাওয়া কতটুকু স্বাস্থ্য উপযোগী? চা-কফি খাওয়া কি চালিয়ে যাবেন নাকি কমিয়ে ফেলবেন?
স্ট্রিম ডেস্ক

অনেকের দিন শুরুই হয় এক কাপ গরম চা বা কফি দিয়ে। শুধু সকালেই নয়—কাজের ফাঁকে, গল্পের আড্ডায়, ক্লান্ত দুপুরে কিংবা সন্ধ্যায় চা-কফি যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাইরে যতই তাপমাত্রা বাড়ুক, রোদ যতই তীব্র হোক, অনেকেই এই অভ্যাস ছাড়তে পারেন না।
গরমে হাঁসফাঁস লাগলেও, হাতে এক কাপ গরম চা না থাকলে অনেকের যেন ঠিক তৃপ্তি আসে না। কেউ বলেন, ‘গরমে গরম চা খেলেই আরাম লাগে’, আবার কেউ কফির ক্যাফেইন ছাড়া দিনটাই শুরু করতে পারেন না। কিন্তু এই গরমে চা-কফি খাওয়া কতটুকু স্বাস্থ্য উপযোগী? চা-কফি খাওয়া কি চালিয়ে যাবেন নাকি কমিয়ে ফেলবেন?
আমরা অনেকেই ভাবি, গরমের দিন গরম চা-কফি খেলে আরও বেশি গরম লাগবে। কিন্তু ‘আমেরিকান হেলথলাইন’ বলছে ভিন্ন কথা। হেলথলাইন ওয়েবসাইটের তথ্য মতে, গরমের সময়ে গরম পানীয় পান করলে শরীর কিছুটা ঠান্ডা হতে পারে।
চা-কফিজাতীয় পানীয় খেলে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা সাময়িকভাবে বেড়ে যায়। তখন শরীর সেই তাপমাত্রা কমাতে বেশি ঘাম তৈরি করে। আর ঘাম শুকিয়ে গেলে শরীর প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা হতে শুরু করে।
তবে এই প্রক্রিয়াটি সবসময় কাজ করে না। এটা তখনই কাজ করে যখন আপনার শরীরে বাতাস চলাচল করে। শরীর ঘাম শুকানোর সুযোগ পায়। খুব আর্দ্র বা গুমোট আবহাওয়ায় ঘাম শুকাতে পারে না। তখন গরম চা বা কফি উল্টো অস্বস্তি বাড়াতে পারে। গুমোট আবহাওয়ায় আমাদের শরীরে ঘাম আটকে থাকে। তাই গরমে হাঁসফাঁস করতে না চাইলে চা-কফি খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া জরুরি।
মায়ো ক্লিনিকের তথ্য বলছে, ক্যাফেইন মৃদু ডাইউরেটিক উপাদান। এর মানে হলো এই উপাদানটি প্রস্রাবের মাধ্যমে পানি বের করে দিতে সাহায্য করে। অনেকেই ভাবেন গরমে কফি খেলে শরীর পানিশূন্য বা ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাবে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানান, পরিমিত পরিমাণে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কম থাকে। যারা নিয়মিত চা বা কফি পান করেন, তাঁদের শরীর এই ক্যাফেইনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। তবে মাত্রাতিরিক্ত পান করলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে গরমের দিনে আমরা এমনিতেই প্রচুর ঘামি। এর সঙ্গে অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে গেলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি তুলনামূলক বেড়ে যায়।
আমরা অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চা কিংবা কফি পানে অভ্যস্ত। কিন্তু এই অভ্যাস০ শরীরের জন্য ভাল নয়। হয়ত চা-কফির সঙ্গে আপনি একটু বিস্কুট, মুড়ি বা টোস্ট খাচ্ছেন। কিন্তু এই খাওয়াও আপনার বিশেষ কোনো উপকারে আসে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে খালি পেটে চা-কফি খাওয়া পাকস্থলীর ক্ষতি করে, হজমের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাই সকালবেলা খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাসটি বাদ দিলেই ভালো।

আবার গরমে অতিরিক্ত চা-কফি খেলে পেটে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। ক্যাফেইন পাকস্থলীতে এসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। গরমের দিনে পেট খারাপ বা বদহজমের সমস্যা বেশি দেখা যায়। এ সময়ে অতিরিক্ত চা কফি হজমের সমস্যা আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এ ছাড়া খাওয়ার পরপরই চা পান করা উচিত নয়। চা খাবারের প্রোটিনের মান নষ্ট করে ফেলে, খাবার থেকে আয়রন শুষে নেয়। তাই বিশেষজ্ঞরা খাওয়ার আধঘণ্টা পর চা পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
চা-কফি একেবারে বাদ দেওয়ার দরকার নেই, তবে গরমের দিনে পরিমাণটা একটু কমিয়ে রাখা ভালো। সাধারণভাবে একজন সুস্থ মানুষ দিনে ৩–৪ কাপ চা বা কফি খেতে পারেন। কিন্তু তীব্র গরমে এতটা না খেয়ে একটু কম নেওয়াই নিরাপদ। কারণ বেশি ক্যাফেইনে শরীরে অস্বস্তি লাগতে পারে এবং ঘুমেও সমস্যা হতে পারে। তাই অভ্যাস বজায় রাখলেও নিয়ন্ত্রণটা জরুরি।
এই সময় দুধ চা বা বেশি কড়া কফির বদলে গ্রিন টি বা ভেষজ চা বেছে নেওয়া ভালো। গ্রিন টিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আবার পুদিনা, আদা বা লেবু দিয়ে বানানো চা শরীরকে সতেজ রাখে এবং গরমে হালকা অনুভূতি দেয়। তাই একটু পরিবর্তন আনলে চা-কফির স্বাদও থাকবে, আবার শরীরও ভালো থাকবে।

অনেকের দিন শুরুই হয় এক কাপ গরম চা বা কফি দিয়ে। শুধু সকালেই নয়—কাজের ফাঁকে, গল্পের আড্ডায়, ক্লান্ত দুপুরে কিংবা সন্ধ্যায় চা-কফি যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাইরে যতই তাপমাত্রা বাড়ুক, রোদ যতই তীব্র হোক, অনেকেই এই অভ্যাস ছাড়তে পারেন না।
গরমে হাঁসফাঁস লাগলেও, হাতে এক কাপ গরম চা না থাকলে অনেকের যেন ঠিক তৃপ্তি আসে না। কেউ বলেন, ‘গরমে গরম চা খেলেই আরাম লাগে’, আবার কেউ কফির ক্যাফেইন ছাড়া দিনটাই শুরু করতে পারেন না। কিন্তু এই গরমে চা-কফি খাওয়া কতটুকু স্বাস্থ্য উপযোগী? চা-কফি খাওয়া কি চালিয়ে যাবেন নাকি কমিয়ে ফেলবেন?
আমরা অনেকেই ভাবি, গরমের দিন গরম চা-কফি খেলে আরও বেশি গরম লাগবে। কিন্তু ‘আমেরিকান হেলথলাইন’ বলছে ভিন্ন কথা। হেলথলাইন ওয়েবসাইটের তথ্য মতে, গরমের সময়ে গরম পানীয় পান করলে শরীর কিছুটা ঠান্ডা হতে পারে।
চা-কফিজাতীয় পানীয় খেলে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা সাময়িকভাবে বেড়ে যায়। তখন শরীর সেই তাপমাত্রা কমাতে বেশি ঘাম তৈরি করে। আর ঘাম শুকিয়ে গেলে শরীর প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা হতে শুরু করে।
তবে এই প্রক্রিয়াটি সবসময় কাজ করে না। এটা তখনই কাজ করে যখন আপনার শরীরে বাতাস চলাচল করে। শরীর ঘাম শুকানোর সুযোগ পায়। খুব আর্দ্র বা গুমোট আবহাওয়ায় ঘাম শুকাতে পারে না। তখন গরম চা বা কফি উল্টো অস্বস্তি বাড়াতে পারে। গুমোট আবহাওয়ায় আমাদের শরীরে ঘাম আটকে থাকে। তাই গরমে হাঁসফাঁস করতে না চাইলে চা-কফি খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া জরুরি।
মায়ো ক্লিনিকের তথ্য বলছে, ক্যাফেইন মৃদু ডাইউরেটিক উপাদান। এর মানে হলো এই উপাদানটি প্রস্রাবের মাধ্যমে পানি বের করে দিতে সাহায্য করে। অনেকেই ভাবেন গরমে কফি খেলে শরীর পানিশূন্য বা ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাবে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানান, পরিমিত পরিমাণে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কম থাকে। যারা নিয়মিত চা বা কফি পান করেন, তাঁদের শরীর এই ক্যাফেইনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। তবে মাত্রাতিরিক্ত পান করলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে গরমের দিনে আমরা এমনিতেই প্রচুর ঘামি। এর সঙ্গে অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে গেলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি তুলনামূলক বেড়ে যায়।
আমরা অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চা কিংবা কফি পানে অভ্যস্ত। কিন্তু এই অভ্যাস০ শরীরের জন্য ভাল নয়। হয়ত চা-কফির সঙ্গে আপনি একটু বিস্কুট, মুড়ি বা টোস্ট খাচ্ছেন। কিন্তু এই খাওয়াও আপনার বিশেষ কোনো উপকারে আসে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে খালি পেটে চা-কফি খাওয়া পাকস্থলীর ক্ষতি করে, হজমের সমস্যা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাই সকালবেলা খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাসটি বাদ দিলেই ভালো।

আবার গরমে অতিরিক্ত চা-কফি খেলে পেটে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। ক্যাফেইন পাকস্থলীতে এসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। গরমের দিনে পেট খারাপ বা বদহজমের সমস্যা বেশি দেখা যায়। এ সময়ে অতিরিক্ত চা কফি হজমের সমস্যা আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এ ছাড়া খাওয়ার পরপরই চা পান করা উচিত নয়। চা খাবারের প্রোটিনের মান নষ্ট করে ফেলে, খাবার থেকে আয়রন শুষে নেয়। তাই বিশেষজ্ঞরা খাওয়ার আধঘণ্টা পর চা পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
চা-কফি একেবারে বাদ দেওয়ার দরকার নেই, তবে গরমের দিনে পরিমাণটা একটু কমিয়ে রাখা ভালো। সাধারণভাবে একজন সুস্থ মানুষ দিনে ৩–৪ কাপ চা বা কফি খেতে পারেন। কিন্তু তীব্র গরমে এতটা না খেয়ে একটু কম নেওয়াই নিরাপদ। কারণ বেশি ক্যাফেইনে শরীরে অস্বস্তি লাগতে পারে এবং ঘুমেও সমস্যা হতে পারে। তাই অভ্যাস বজায় রাখলেও নিয়ন্ত্রণটা জরুরি।
এই সময় দুধ চা বা বেশি কড়া কফির বদলে গ্রিন টি বা ভেষজ চা বেছে নেওয়া ভালো। গ্রিন টিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আবার পুদিনা, আদা বা লেবু দিয়ে বানানো চা শরীরকে সতেজ রাখে এবং গরমে হালকা অনুভূতি দেয়। তাই একটু পরিবর্তন আনলে চা-কফির স্বাদও থাকবে, আবার শরীরও ভালো থাকবে।

পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালে আমরা এমনভাবে জড়িয়ে থাকি যে অনেক সময় চাইলেও কাউকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা সম্ভব হয় না। কেউ হয়ত সহকর্মী, কেউ আত্মীয়, কেউ বা এমন একজন যাকে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে মুখোমুখি হতে হয়।
১ দিন আগে
‘দামে কম, মানে ভালো’ জিনিস কিনতে কে না চায়? বিশেষ করে, কম টাকা খরচ করে নতুনের মতো ‘সেকেন্ড হ্যান্ড’ জিনিস কিনতে পারলে খুশি খুশি লাগে। কিন্তু মনে রাখা জরুরি, সব পুরোনো জিনিসই ব্যবহারের জন্য নিরাপদ নয়। এগুলো আপনার স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
১ দিন আগে
মীর মশাররফের আগে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উপন্যাস রচনার ক্ষেত্রে যে ইউরোপীয় মডেল অনুসরণ করেছেন, সেখানে মশাররফের অবস্থান কোথায়? এই প্রশ্নটি ধরেই মূলত মীর মশাররফ হোসেনের খোঁজ করা দরকার। সেক্ষেত্রে তাঁর ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাসটিকে গ্রহণ করা যাক।
২ দিন আগে
বাজার করা, বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা, ঘুরতে যাওয়া, ঘরের কাজ—সবকিছু যেন এই একদিনের জন্য। ফলে শুক্রবার শুরু হওয়ার আগেই দিনটি হয়ে যায় ‘লোডেড’। গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক জীবনে সপ্তাহান্তকে মানুষ বিশ্রামের জন্য ভেবে রাখলেও বাস্তবে তা হয়ে ওঠে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার দিন।
২ দিন আগে