২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ভুভুজেলা নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী, শুধু ভুভুজেলা নয়, যেকোনো ধরনের বাঁশি, এয়ার হর্ন বা অতিরিক্ত শব্দ তৈরি করে এমন ডিভাইস স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তামান্না আনজুম

শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গান যখন ২০১০ সালের ফুটবল ভক্তদের মাতোয়ারা করে রেখেছিল, ঠিক তখনই মানুষের কান ঝালাপালা করে দিচ্ছিল ‘ভুভুজেলা’। একটানা একঘেয়ে এই শব্দকে অনেকে মৌমাছির ঝাঁকের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার এক সাংবাদিক বিরক্ত হয়ে এর নাম দিয়েছিলেন ‘ইনস্ট্রুমেন্ট ফ্রম হেল’বা ‘নরকের বাদ্যযন্ত্র’।
তবে আসন্ন ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ভুভুজেলা নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী, শুধু ভুভুজেলা নয়, যেকোনো ধরনের বাঁশি, এয়ার হর্ন বা অতিরিক্ত শব্দ তৈরি করে এমন ডিভাইস স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২০১০ সালের বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল এই ভুভুজেলা। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরের মানুষ এই যন্ত্রটির সঙ্গে খুব একটা পরিচিত ছিল না। কিন্তু বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ শুরু হতেই দৃশ্যপট বদলে যায়। গ্যালারি জুড়ে মানুষের হাতে হাতে লাল-নীল, সবুজ-হলুদ রঙের ভুভুজেলার ছড়াছড়ি। চারদিকে শুধু ভুভুজেলার কানফাটানো আওয়াজ শোনা যেতে থাকে।
এদিকে ভুভুজেলার কারণে সমস্যায় পড়েছিল বিভিন্ন টিভি ও রেডিও সম্প্রচার সংস্থাগুলো। মাঠে ধারাভাষ্যকারের কথা শোনা যাচ্ছিল না, শুধু ভুভুজেলার একটানা আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল। বিবিসি, ইএসপিএন-এর মতো বড় বড় মিডিয়াগুলো এই শব্দ কমানোর উপায় খুঁজছিল।

মাঠে খেলোয়াড়দের মনোযোগেও বিঘ্ন ঘটায় এই ভুভুজেলা। ফুটবলারদের ধারণা ছিল, একটানা আওয়াজ তাঁদের বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে এবং দলের পারফরম্যান্সের ক্ষতি করছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, গ্যালারির শব্দ থেকে কান বাঁচাতে কানের প্লাগ বা ইয়ারপ্লাগের চাহিদা হু হু করে বেড়ে যায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যমতে, অনেক ফার্মেসিতে ইয়ারপ্লাগের স্টক দ্রুত শেষ হতে থাকে। এই অবস্থা দেখে বড় একটি ভুভুজেলা প্রস্তুতকারক কোম্পানি নিজেই দর্শকদের কাছে ইয়ারপ্লাগ বিক্রি করা শুরু করে।
তবে মজার ব্যাপার হলো, একদিকে যেমন এই শব্দ নিয়ে সমালোচনা ছিল, অন্যদিকে ডাচ ডিজাইনাররা আইফোনের জন্য ভুভুজেলার রিংটোন বানিয়ে ফেলেছিলেন, যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লাখ লাখ মানুষ ডাউনলোড করেছিলেন। আর এই পুরো উন্মাদনায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল চীন। কারণ, সে সময় বিশ্বে ব্যবহৃত ভুভুজেলার প্রায় ৯০ শতাংশই তৈরি হতো চীনের কারখানাগুলোতে।
২০১০ সালের বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভুভুজেলা নিয়ে কত যে ঘটনা ঘটেছিল! এর মধ্যে অন্যতম হলো হুন্দাই কোম্পানির সেই অদ্ভুত উদ্যোগ। তারা বিপণনের উদ্দেশ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভুভুজেলাটি তৈরি করেছিল। ৩৫ মিটার বা ১১৫ ফুট লম্বা সেই নীল রঙের ভুভুজেলাটি বসানো হয়েছিল কেপটাউনের ফোরশোর ফ্রিওয়ে ব্রিজের ওপর।

পরিকল্পনা ছিল, প্রতিটি ম্যাচ শুরুর সময় এটি বাজানো হবে। কিন্তু বিপত্তি ঘটল শব্দের তীব্রতা নিয়ে। নগর কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা ছিল, এই বিশালাকার বাদ্যযন্ত্রের শব্দে শহরের মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই শহরবাসীর কথা ভেবে পুরো বিশ্বকাপে সেই বিশাল ভুভুজেলাটি একবারও বাজানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি।
প্রথম ভুভুজেলা ঠিক কে বানিয়েছিল, তার কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। তবে এ নিয়ে সাদ্দাম মাক নামে এক আফ্রিকান নাগরিকের গল্পটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। শোনা যায়, তরুণ বয়সে সাদ্দাম নিজের প্রিয় ফুটবল দলকে উৎসাহ দিতে মাঠে সাইকেলের হর্ন নিয়ে যেতেন। হর্নের পেছনের রবারের অংশ চেপে শব্দ না করে, তিনি সরাসরি হর্নের পাইপের মুখে ফুঁ দিয়ে শব্দ তৈরি করতেন।
পরবর্তীতে সাদ্দাম অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি বেশ বড় একটি হর্ন ব্যবহার শুরু করেন, যার নাম দেন ‘বুগি ব্লাস্ট’। এটি ছিল মূলত ফুঁ দেওয়ার উপযোগী একটি লম্বা ধাতব পাইপ। কিন্তু লম্বা ধাতব পাইপ হওয়ায় মাঠের ভেতর মারামারি বা বিশৃঙ্খলা তৈরির ঝুঁকি থাকত। নিরাপত্তার কারণে এক সময় স্টেডিয়ামে এটি নিষিদ্ধ করা হয়।
হর্ন নিষিদ্ধ হওয়ার পর, ১৯৮৯ সালে সাদ্দাম এক প্লাস্টিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেখা করেন এবং বুগি ব্লাস্টের একটি প্লাস্টিক সংস্করণ তৈরির প্রস্তাব দেন। নতুন এই প্লাস্টিকের বাঁশির আওয়াজও আগের সেই ধাতব হর্নের মতোই ছিল। সাদ্দামের দাবি অনুযায়ী, ১৯৯২ সালে তিনিই প্রথম এই বাদ্যযন্ত্রটির নাম দেন ‘ভুভুজেলা’। তাঁর কাছে এর সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে কিছু ছবিও রয়েছে; যেখানে ৭০ ও ৮০-র দশকে ফুটবল মাঠে তাঁর হর্ন বাজানো এবং ৯০-এর দশকে ভুভুজেলা বাজানোর দৃশ্য দেখা যায়। এমনকি ১৯৯৯ সালে তিনি ‘ভুভুজেলা সেলুলার’নামে একটি গানের অ্যালবামও করেছিলেন।
পরবর্তী সময়ে একটি কোম্পানি বাণিজ্যিকভাবে ভুভুজেলা তৈরি শুরু করে। তারা ফুটবল ম্যাচগুলোতে দর্শকদের মাঝে বিনামূল্যে ভুভুজেলা বিতরণ করত এবং স্থানীয় ফুটবল ক্লাবগুলোর সঙ্গে চুক্তি করে স্টেডিয়ামে এর ব্যবহার বাড়িয়ে তোলে। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
২০০৯ সালের কনফেডারেশনস কাপে ভুভুজেলার ব্যাপক প্রচার চালানো হয়, যা ছিল মূলত বিশ্বকাপের একটি ট্রায়াল রান। এরপর ২০১০ সালের বিশ্বকাপে ভুভুজেলার বিশ্বজুড়ে আত্মপ্রকাশ ঘটে। যদিও স্টেডিয়ামে এর আওয়াজ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক ও বিড়ম্বনা ছিল, তবুও বিশ্বমঞ্চে এর জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী।

শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গান যখন ২০১০ সালের ফুটবল ভক্তদের মাতোয়ারা করে রেখেছিল, ঠিক তখনই মানুষের কান ঝালাপালা করে দিচ্ছিল ‘ভুভুজেলা’। একটানা একঘেয়ে এই শব্দকে অনেকে মৌমাছির ঝাঁকের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার এক সাংবাদিক বিরক্ত হয়ে এর নাম দিয়েছিলেন ‘ইনস্ট্রুমেন্ট ফ্রম হেল’বা ‘নরকের বাদ্যযন্ত্র’।
তবে আসন্ন ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ভুভুজেলা নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী, শুধু ভুভুজেলা নয়, যেকোনো ধরনের বাঁশি, এয়ার হর্ন বা অতিরিক্ত শব্দ তৈরি করে এমন ডিভাইস স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২০১০ সালের বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল এই ভুভুজেলা। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরের মানুষ এই যন্ত্রটির সঙ্গে খুব একটা পরিচিত ছিল না। কিন্তু বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ শুরু হতেই দৃশ্যপট বদলে যায়। গ্যালারি জুড়ে মানুষের হাতে হাতে লাল-নীল, সবুজ-হলুদ রঙের ভুভুজেলার ছড়াছড়ি। চারদিকে শুধু ভুভুজেলার কানফাটানো আওয়াজ শোনা যেতে থাকে।
এদিকে ভুভুজেলার কারণে সমস্যায় পড়েছিল বিভিন্ন টিভি ও রেডিও সম্প্রচার সংস্থাগুলো। মাঠে ধারাভাষ্যকারের কথা শোনা যাচ্ছিল না, শুধু ভুভুজেলার একটানা আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল। বিবিসি, ইএসপিএন-এর মতো বড় বড় মিডিয়াগুলো এই শব্দ কমানোর উপায় খুঁজছিল।

মাঠে খেলোয়াড়দের মনোযোগেও বিঘ্ন ঘটায় এই ভুভুজেলা। ফুটবলারদের ধারণা ছিল, একটানা আওয়াজ তাঁদের বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে এবং দলের পারফরম্যান্সের ক্ষতি করছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, গ্যালারির শব্দ থেকে কান বাঁচাতে কানের প্লাগ বা ইয়ারপ্লাগের চাহিদা হু হু করে বেড়ে যায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যমতে, অনেক ফার্মেসিতে ইয়ারপ্লাগের স্টক দ্রুত শেষ হতে থাকে। এই অবস্থা দেখে বড় একটি ভুভুজেলা প্রস্তুতকারক কোম্পানি নিজেই দর্শকদের কাছে ইয়ারপ্লাগ বিক্রি করা শুরু করে।
তবে মজার ব্যাপার হলো, একদিকে যেমন এই শব্দ নিয়ে সমালোচনা ছিল, অন্যদিকে ডাচ ডিজাইনাররা আইফোনের জন্য ভুভুজেলার রিংটোন বানিয়ে ফেলেছিলেন, যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লাখ লাখ মানুষ ডাউনলোড করেছিলেন। আর এই পুরো উন্মাদনায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল চীন। কারণ, সে সময় বিশ্বে ব্যবহৃত ভুভুজেলার প্রায় ৯০ শতাংশই তৈরি হতো চীনের কারখানাগুলোতে।
২০১০ সালের বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভুভুজেলা নিয়ে কত যে ঘটনা ঘটেছিল! এর মধ্যে অন্যতম হলো হুন্দাই কোম্পানির সেই অদ্ভুত উদ্যোগ। তারা বিপণনের উদ্দেশ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভুভুজেলাটি তৈরি করেছিল। ৩৫ মিটার বা ১১৫ ফুট লম্বা সেই নীল রঙের ভুভুজেলাটি বসানো হয়েছিল কেপটাউনের ফোরশোর ফ্রিওয়ে ব্রিজের ওপর।

পরিকল্পনা ছিল, প্রতিটি ম্যাচ শুরুর সময় এটি বাজানো হবে। কিন্তু বিপত্তি ঘটল শব্দের তীব্রতা নিয়ে। নগর কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা ছিল, এই বিশালাকার বাদ্যযন্ত্রের শব্দে শহরের মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই শহরবাসীর কথা ভেবে পুরো বিশ্বকাপে সেই বিশাল ভুভুজেলাটি একবারও বাজানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি।
প্রথম ভুভুজেলা ঠিক কে বানিয়েছিল, তার কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। তবে এ নিয়ে সাদ্দাম মাক নামে এক আফ্রিকান নাগরিকের গল্পটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। শোনা যায়, তরুণ বয়সে সাদ্দাম নিজের প্রিয় ফুটবল দলকে উৎসাহ দিতে মাঠে সাইকেলের হর্ন নিয়ে যেতেন। হর্নের পেছনের রবারের অংশ চেপে শব্দ না করে, তিনি সরাসরি হর্নের পাইপের মুখে ফুঁ দিয়ে শব্দ তৈরি করতেন।
পরবর্তীতে সাদ্দাম অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি বেশ বড় একটি হর্ন ব্যবহার শুরু করেন, যার নাম দেন ‘বুগি ব্লাস্ট’। এটি ছিল মূলত ফুঁ দেওয়ার উপযোগী একটি লম্বা ধাতব পাইপ। কিন্তু লম্বা ধাতব পাইপ হওয়ায় মাঠের ভেতর মারামারি বা বিশৃঙ্খলা তৈরির ঝুঁকি থাকত। নিরাপত্তার কারণে এক সময় স্টেডিয়ামে এটি নিষিদ্ধ করা হয়।
হর্ন নিষিদ্ধ হওয়ার পর, ১৯৮৯ সালে সাদ্দাম এক প্লাস্টিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেখা করেন এবং বুগি ব্লাস্টের একটি প্লাস্টিক সংস্করণ তৈরির প্রস্তাব দেন। নতুন এই প্লাস্টিকের বাঁশির আওয়াজও আগের সেই ধাতব হর্নের মতোই ছিল। সাদ্দামের দাবি অনুযায়ী, ১৯৯২ সালে তিনিই প্রথম এই বাদ্যযন্ত্রটির নাম দেন ‘ভুভুজেলা’। তাঁর কাছে এর সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে কিছু ছবিও রয়েছে; যেখানে ৭০ ও ৮০-র দশকে ফুটবল মাঠে তাঁর হর্ন বাজানো এবং ৯০-এর দশকে ভুভুজেলা বাজানোর দৃশ্য দেখা যায়। এমনকি ১৯৯৯ সালে তিনি ‘ভুভুজেলা সেলুলার’নামে একটি গানের অ্যালবামও করেছিলেন।
পরবর্তী সময়ে একটি কোম্পানি বাণিজ্যিকভাবে ভুভুজেলা তৈরি শুরু করে। তারা ফুটবল ম্যাচগুলোতে দর্শকদের মাঝে বিনামূল্যে ভুভুজেলা বিতরণ করত এবং স্থানীয় ফুটবল ক্লাবগুলোর সঙ্গে চুক্তি করে স্টেডিয়ামে এর ব্যবহার বাড়িয়ে তোলে। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
২০০৯ সালের কনফেডারেশনস কাপে ভুভুজেলার ব্যাপক প্রচার চালানো হয়, যা ছিল মূলত বিশ্বকাপের একটি ট্রায়াল রান। এরপর ২০১০ সালের বিশ্বকাপে ভুভুজেলার বিশ্বজুড়ে আত্মপ্রকাশ ঘটে। যদিও স্টেডিয়ামে এর আওয়াজ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক ও বিড়ম্বনা ছিল, তবুও বিশ্বমঞ্চে এর জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী।

বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি আধুনিক যুগে প্রবেশ করেছিল জটিল, বহুমাত্রিক ও ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়ায়। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দী এই আধুনিকতার বিস্তার ও বিকাশের মূল ধাপ হিসেবে পরিচিত। আধুনিক বাঙালির মনন ও সামাজিক চেতনার ভিত্তি স্থাপন করে বাংলার নবজাগরণ বা রেনেসাঁস।
১ ঘণ্টা আগে
আজ রকসম্রাট আজম খানের মৃত্যুদিন। বাংলা গানের প্রথা ভাঙা বিপ্লবী আজম খান কেন বেছে নিয়েছিলেন রকের রুক্ষ পথ? সুরের জগতের সেই ‘ঝাঁকি’ আর ‘দোলা’ কি কেবল বিনোদন ছিল, নাকি যুদ্ধফেরত তরুণদের অস্তিত্ব রক্ষার আর্তনাদ?
২০ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদ রশিদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের রোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলের ভারত, পকিস্তান ও বাংলাদেশ নিয়ে বেশ কিছু প্রশংসিত গ্রন্থের লেখক। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। এই নিবন্ধটি ২০২১ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘আইডেন্টিটি অব আ মুসলিম ফ্যা
১ দিন আগে
কবি নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’ প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে ৩৩৪টি সংক্ষিপ্ত অথচ ভাবগভীর কবিতা, যেগুলোকে কবি নাম দিয়েছেন ‘ঝিনুককবিতা’।
২ দিন আগে