হজযাত্রীদের মধ্যে বড় অংশই থাকেন বয়স্করা। হজে গিয়ে যেন সুস্থ থাকা যায়, সেদিকে তাঁদের নজর দেওয়া জরুরি। কারণ প্রতিবছর হজে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসল্লি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেকে মারাও যান।
স্ট্রিম ডেস্ক

হজ পালনের জন্য প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ সৌদি আরবে যান। প্রতি বছরের মতো এবারও হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ বছর যাচ্ছেন সাড়ে ৭৮ হাজার বাংলাদেশি।
হজযাত্রীদের মধ্যে বড় অংশই থাকেন বয়স্করা। হজে গিয়ে যেন সুস্থ থাকা যায়, সেদিকে তাঁদের নজর দেওয়া জরুরি। কারণ প্রতিবছর হজে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসল্লি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেকে মারাও যান।
সঠিক প্রস্তুতি ও সচেতনতা থাকলে হজের সময় নিরাপদ রাখা সম্ভব। ইবাদত পালনের জন্য শারীরিক সুস্থতা প্রয়োজন।
হজে অনেক মানুষের সমাগম হয়। ফলে সেখানে সহজেই নানা ধরনের সংক্রমণ রোগ ছড়াতে পারে। এর মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের রোগ সবচেয়ে বেশি হয়। হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে বাতাসে এসব জীবাণু ছড়ায়। বয়স্ক ব্যক্তি বা ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তাঁদের অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

সৌদি আরবের আবহাওয়া বাংলাদেশের চেয়ে আলাদা। তাই সেই আবহাওয়ায় খাপ খাওয়াতেও একটু সময় লাগতে পারে। এ ছাড়া ফ্লু ও নিউমোনিয়া থেকে বাঁচতে সবসময় মাস্ক পরা উচিত। সেই সঙ্গে বারবার সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে এবং হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় নাকমুখ ঢাকতে হবে। ব্যাগে ছোট সাইজের স্যানিটাইজার রাখা আরও ভালো।
সম্ভব হলে দেশ থেকেই ফ্লু ও নিউমোনিয়ার টিকা নিন। হজের সময় আরেকটি ঝুঁকি হলো মেনিনজাইটিস। এটা মস্তিষ্কের পর্দার এক ধরনের প্রদাহ। হজে যাওয়ার আগে মেনিনজাইটিসের টিকা নেওয়া জরুরি।
সেখানে গিয়ে জ্বর বা কাশি হলে সতর্ক হতে হবে। জ্বরের সঙ্গে ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে বা শরীরে র্যাশ উঠলে দ্রুত মেডিকেল ক্যাম্পের চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। এ ছাড়া জ্বরের সঙ্গে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে এড়িয়ে যাবেন না। হতেও পারে প্রস্রাবের সংক্রমণ। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে।
প্রবীণদের অনেকের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা হাঁপানির মতো সমস্যা থাকতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যবহারের ওষুধ সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। অনেক সময় বয়স্ক মানুষরা ভিড়ে হারিয়ে যান। এই সমস্যা এড়াতে তাঁদের গলায় পরিচয়পত্র, হোটেলের ঠিকানা ও ফোন নম্বর রাখা উচিত।
এ ছাড়া হজের সময় সুস্থ থাকার জন্য ব্যক্তিগত সচেতনতা জরুরি। গরম ও পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে প্রতিদিন পরিমাণমতো পানি পান করতে হবে। সাধারণ পানির পাশাপাশি স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। রোদে বের হওয়ার সময় ছাতা ব্যবহার করতে হবে। ধুলাবালি থেকে বাঁচতে হাঁটাচলা ও ভিড়ের মধ্যে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। আরামদায়কভাবে হাঁটার জন্য নরম জুতা বা স্পঞ্জের স্যান্ডেল পরা দরকার।
হজের সময় পরিমিত খাবার গ্রহণ করুন। বেশি খাওয়া এবং কম খাওয়া দুটোই পরিহার করুন। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় ফল, সেদ্ধ সবজি, রুটি, দুগ্ধজাত খাবার, বাদাম ও অলিভ অয়েল রাখতে পারেন।
কোনো খাবারের মান নিয়ে সন্দেহ হলে তা না খাওয়াই ভালো। মুরগি বা অন্য মাংস ভালোভাবে রান্না না হলে এবং খাবার পঁচা-বাসি মনে হলে তা পরিহার করুন। খাদ্যের কারণে ডায়রিয়া হতে পারে এবং শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
এ ছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। সুযোগ থাকলে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা পালনের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়া বা ঘুমানো যেতে পারে। এতে শরীরে ক্লান্তি ভর করবে না। সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত ঘুম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

হজ পালনের জন্য প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ সৌদি আরবে যান। প্রতি বছরের মতো এবারও হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ বছর যাচ্ছেন সাড়ে ৭৮ হাজার বাংলাদেশি।
হজযাত্রীদের মধ্যে বড় অংশই থাকেন বয়স্করা। হজে গিয়ে যেন সুস্থ থাকা যায়, সেদিকে তাঁদের নজর দেওয়া জরুরি। কারণ প্রতিবছর হজে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসল্লি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেকে মারাও যান।
সঠিক প্রস্তুতি ও সচেতনতা থাকলে হজের সময় নিরাপদ রাখা সম্ভব। ইবাদত পালনের জন্য শারীরিক সুস্থতা প্রয়োজন।
হজে অনেক মানুষের সমাগম হয়। ফলে সেখানে সহজেই নানা ধরনের সংক্রমণ রোগ ছড়াতে পারে। এর মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের রোগ সবচেয়ে বেশি হয়। হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে বাতাসে এসব জীবাণু ছড়ায়। বয়স্ক ব্যক্তি বা ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তাঁদের অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

সৌদি আরবের আবহাওয়া বাংলাদেশের চেয়ে আলাদা। তাই সেই আবহাওয়ায় খাপ খাওয়াতেও একটু সময় লাগতে পারে। এ ছাড়া ফ্লু ও নিউমোনিয়া থেকে বাঁচতে সবসময় মাস্ক পরা উচিত। সেই সঙ্গে বারবার সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে এবং হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় নাকমুখ ঢাকতে হবে। ব্যাগে ছোট সাইজের স্যানিটাইজার রাখা আরও ভালো।
সম্ভব হলে দেশ থেকেই ফ্লু ও নিউমোনিয়ার টিকা নিন। হজের সময় আরেকটি ঝুঁকি হলো মেনিনজাইটিস। এটা মস্তিষ্কের পর্দার এক ধরনের প্রদাহ। হজে যাওয়ার আগে মেনিনজাইটিসের টিকা নেওয়া জরুরি।
সেখানে গিয়ে জ্বর বা কাশি হলে সতর্ক হতে হবে। জ্বরের সঙ্গে ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে বা শরীরে র্যাশ উঠলে দ্রুত মেডিকেল ক্যাম্পের চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। এ ছাড়া জ্বরের সঙ্গে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে এড়িয়ে যাবেন না। হতেও পারে প্রস্রাবের সংক্রমণ। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে।
প্রবীণদের অনেকের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা হাঁপানির মতো সমস্যা থাকতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যবহারের ওষুধ সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। অনেক সময় বয়স্ক মানুষরা ভিড়ে হারিয়ে যান। এই সমস্যা এড়াতে তাঁদের গলায় পরিচয়পত্র, হোটেলের ঠিকানা ও ফোন নম্বর রাখা উচিত।
এ ছাড়া হজের সময় সুস্থ থাকার জন্য ব্যক্তিগত সচেতনতা জরুরি। গরম ও পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে প্রতিদিন পরিমাণমতো পানি পান করতে হবে। সাধারণ পানির পাশাপাশি স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। রোদে বের হওয়ার সময় ছাতা ব্যবহার করতে হবে। ধুলাবালি থেকে বাঁচতে হাঁটাচলা ও ভিড়ের মধ্যে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। আরামদায়কভাবে হাঁটার জন্য নরম জুতা বা স্পঞ্জের স্যান্ডেল পরা দরকার।
হজের সময় পরিমিত খাবার গ্রহণ করুন। বেশি খাওয়া এবং কম খাওয়া দুটোই পরিহার করুন। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় ফল, সেদ্ধ সবজি, রুটি, দুগ্ধজাত খাবার, বাদাম ও অলিভ অয়েল রাখতে পারেন।
কোনো খাবারের মান নিয়ে সন্দেহ হলে তা না খাওয়াই ভালো। মুরগি বা অন্য মাংস ভালোভাবে রান্না না হলে এবং খাবার পঁচা-বাসি মনে হলে তা পরিহার করুন। খাদ্যের কারণে ডায়রিয়া হতে পারে এবং শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
এ ছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। সুযোগ থাকলে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা পালনের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়া বা ঘুমানো যেতে পারে। এতে শরীরে ক্লান্তি ভর করবে না। সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত ঘুম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল বেরিয়েছিল কবীর সুমনের প্রথম অ্যালবাম ‘তোমাকে চাই’। এখনও তিনি গানে নিয়মিত। বাধা পেরিয়ে অ্যালবাম প্রকাশের গল্প, কেন শ্রোতারা গ্রহণ করেছিল এবং ‘তোমাকে চাই’-এর ‘তুমি’র সন্ধান করেই এই লেখা।
২০ ঘণ্টা আগে
কবে থেকে দেশে গুপ্ত শব্দটি এত আলোচিত হয়ে উঠল? আবার এদিকে ভারতীয় উপমহাদেশে দীর্ঘদিন গুপ্ত সাম্রাজ্য শাসন করেছে। তবে কি এই ‘গুপ্ত সাম্রাজ্য’ থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি?
১ দিন আগে
আজ সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যুবার্ষিকী। এ দিনে তাঁর অনুরাগীরা নানা কাজের মধ্য দিয়ে তাঁকে স্মরণ করেন। তিনি অসামান্য প্রতিভাবান একজন চলচ্চিত্রকার হিসেবেই সবচেয়ে পরিচিত। স্বল্প যন্ত্রপাতি ও বাজেটে তিনি বানিয়েছেন অসাধারণ সব সিনেমা। রেখে গিয়েছেন হাতে করা নিখুঁত ইলাস্ট্রেশন। তবে গল্পকার সত্যজিৎ যেন অনেকটাই আলোচন
২ দিন আগে
বিশ্ব বই দিবসে এই শিরোনামটি দেখে আপনি হয়তো চমকে উঠছেন। কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, সস্তা একটা ক্লিকবেইট, ফোকাস কমে যাওয়া আর অনন্ত কন্টেন্টের যুগে স্রেফ পাঠক ধরার ধান্দা। কেউ হয়তো ভ্রু কুঁচকে বা হেসে ভাবছেন, বই কীভাবে পড়তে হয় মানে? অক্ষরের পর অক্ষর গড়গড় করে পড়ে যাব। ব্যাস! বই পড়া আবার শিখতে হয় নাকি?
২ দিন আগে