আজ ইলন মাস্কের জন্মদিন। তিনি কি টাকার মেশিন নাকি জাদুর কাঠি আছে তাঁর হাতে? আসলে মাস্কের এই বিশাল সম্পদের পেছনে আসল রহস্য হলো তাঁর কোম্পানিগুলোর শেয়ারের আকাশছোঁয়া দাম।
তামান্না আনজুম

শিরোনামে এতগুলো সংখ্যা দেখে টাকার অঙ্ক বের করার আশা ছেড়ে দিয়েছেন? ভাবছেন, সবার অঙ্ক মেলে, আমার অঙ্ক মেলে না। চোখ কপালে ওঠার দশা! বিশ্বাস করুন, গত ১২ জুন আমারও ঠিক এমনটাই হয়েছিল। সেদিন এক খবরে চোখ আটকে গেল—ইলন মাস্ক হতে চলেছেন বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নিয়ার’।
১-এর পর ১২টি শূন্য বসালে হয় এক ট্রিলিয়ন। বাংলায় যাকে বলি এক লাখ কোটি। বর্তমান বাজারে প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ১২৩ টাকা করে ধরলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১২৩ লাখ কোটি বাংলাদেশি টাকা! এই বিশাল অঙ্কের তুলনা করতে গিয়ে বাংলাদেশের বাজেটের দিকে তাকালাম। আমাদের দেশের এবারের অর্থবছরের বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। হিসাব করে দেখলাম, ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ আমাদের পুরো দেশের এক বছরের বাজেটের প্রায় ১৩ গুণেরও বেশি!
ইলন মাস্ক মূলত স্পেসএক্স, টেসলা এবং এক্স-এর প্রধান। গত কয়েক বছর ধরেই তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। ফোর্বসের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। এরপরের মাসেই টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা তাঁর জন্য এক ট্রিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল পারিশ্রমিক প্যাকেজ অনুমোদন করেন।
এরপর ২০২৬ সালের জুনে যখন ইলনের রকেট তৈরির কোম্পানি ‘স্পেসএক্স’ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়, তখনই ঘটে আসল ঘটনা। স্পেসএক্স-এর মালিকানায় আবার রয়েছে এক্স, গ্রক এবং স্টারলিংকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। কোম্পানিটি বাজারে আসার পরপরই মাস্কের সম্পদ বিলিয়ন ডলারের ঘর থেকে লাফিয়ে ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়। এভাবেই তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হয়ে যান।
যদিও ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার সেই খেতাব ধরে রাখতে পারেননি ইলন। ১২ দিনের মাথায় (২৪ জুন) শেয়ার বাজারের দরপতনের কারণে তিনি কিছু বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন। এই ক্ষতির পরও তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর পরের অবস্থানে রয়েছেন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ। ল্যারির নিট সম্পদের পরিমাণ এখন প্রায় ২৮৪ বিলিয়ন ডলার।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় জন্ম নেওয়া ইলন মাস্ক ছোটবেলা থেকেই ছিলেন ব্যবসায়িক কাজে দক্ষ। ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ি বাড়ি ঘুরে নিজেদের তৈরি চকলেট ইস্টার ডিম বিক্রি করতেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে নিজেই তৈরি করেন কম্পিউটার গেম। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর পড়ার সুযোগ পেলেও মাস্ক অল্প সময়ের মধ্যেই সেই পড়াশোনা ছেড়ে দেন। এরপর ১৯৯০-এর দশকে তিনি দুটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। একটি ওয়েব সফটওয়্যার কোম্পানি এবং একটি অনলাইন আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান, যা পরে পেপ্যালে রূপ নেয়।
২০০২ সালে পেপ্যাল ই-বের কাছে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি করে দেন। এই বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থের বড় অংশ তিনি স্পেসএক্সে বিনিয়োগ করেন, যার লক্ষ্য ছিল মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যয় কমিয়ে নাসার বিকল্প তৈরি করা। পাশাপাশি তিনি টেসলাতেও বিনিয়োগ করেন এবং ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মাস্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল ২০২২ সালের অক্টোবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার অধিগ্রহণ, যার নাম পরে এক্স রাখা হয়।

মাস্কের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো এক্সকে ‘সবকিছুর অ্যাপ’ হিসেবে গড়ে তোলা। এখানে বিভিন্ন ধরনের সেবা একই প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষেত্রেও মাস্কের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। তিনি চ্যাটজিপিটির মূল প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের প্রাথমিক বিনিয়োগকারীদের একজন ছিলেন। তবে ২০১৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে সরে দাঁড়ান এবং ২০২৩ সালে এক্সএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
ইলন মাস্ক প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী। ২০১০ সালে ম্যারি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তাঁর প্রথম স্ত্রী জাস্টিন মাস্ক উল্লেখ করেন, বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার আগেও মাস্ক কখনও হার মেনে না নেওয়ার মানুষ ছিলেন না।
ইলন মাস্ক নিজেকে পরিচয় করান অত্যন্ত কর্মনিষ্ঠ বা কাজপাগল মানুষ হিসেবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যবসা পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য শুধু অর্থ উপার্জন নয়।
মাস্কের বন্ধু ও টেসলার বিনিয়োগকারী রস গার্বারের মতে, ইলন মনে করন, তিনি যেসব প্রকল্প বা উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত আছেন, সবগুলোই সমাজ বা মানবজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ইলন মাস্ক মোট ১৪ সন্তানের বাবা। তাঁর সর্বশেষ যমজ সন্তানের জন্মের পর মাস্ক সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন যে, জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলায় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

শিরোনামে এতগুলো সংখ্যা দেখে টাকার অঙ্ক বের করার আশা ছেড়ে দিয়েছেন? ভাবছেন, সবার অঙ্ক মেলে, আমার অঙ্ক মেলে না। চোখ কপালে ওঠার দশা! বিশ্বাস করুন, গত ১২ জুন আমারও ঠিক এমনটাই হয়েছিল। সেদিন এক খবরে চোখ আটকে গেল—ইলন মাস্ক হতে চলেছেন বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নিয়ার’।
১-এর পর ১২টি শূন্য বসালে হয় এক ট্রিলিয়ন। বাংলায় যাকে বলি এক লাখ কোটি। বর্তমান বাজারে প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ১২৩ টাকা করে ধরলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১২৩ লাখ কোটি বাংলাদেশি টাকা! এই বিশাল অঙ্কের তুলনা করতে গিয়ে বাংলাদেশের বাজেটের দিকে তাকালাম। আমাদের দেশের এবারের অর্থবছরের বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। হিসাব করে দেখলাম, ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ আমাদের পুরো দেশের এক বছরের বাজেটের প্রায় ১৩ গুণেরও বেশি!
ইলন মাস্ক মূলত স্পেসএক্স, টেসলা এবং এক্স-এর প্রধান। গত কয়েক বছর ধরেই তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। ফোর্বসের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। এরপরের মাসেই টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা তাঁর জন্য এক ট্রিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল পারিশ্রমিক প্যাকেজ অনুমোদন করেন।
এরপর ২০২৬ সালের জুনে যখন ইলনের রকেট তৈরির কোম্পানি ‘স্পেসএক্স’ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়, তখনই ঘটে আসল ঘটনা। স্পেসএক্স-এর মালিকানায় আবার রয়েছে এক্স, গ্রক এবং স্টারলিংকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। কোম্পানিটি বাজারে আসার পরপরই মাস্কের সম্পদ বিলিয়ন ডলারের ঘর থেকে লাফিয়ে ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়। এভাবেই তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হয়ে যান।
যদিও ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার সেই খেতাব ধরে রাখতে পারেননি ইলন। ১২ দিনের মাথায় (২৪ জুন) শেয়ার বাজারের দরপতনের কারণে তিনি কিছু বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন। এই ক্ষতির পরও তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর পরের অবস্থানে রয়েছেন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ। ল্যারির নিট সম্পদের পরিমাণ এখন প্রায় ২৮৪ বিলিয়ন ডলার।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় জন্ম নেওয়া ইলন মাস্ক ছোটবেলা থেকেই ছিলেন ব্যবসায়িক কাজে দক্ষ। ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ি বাড়ি ঘুরে নিজেদের তৈরি চকলেট ইস্টার ডিম বিক্রি করতেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে নিজেই তৈরি করেন কম্পিউটার গেম। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর পড়ার সুযোগ পেলেও মাস্ক অল্প সময়ের মধ্যেই সেই পড়াশোনা ছেড়ে দেন। এরপর ১৯৯০-এর দশকে তিনি দুটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। একটি ওয়েব সফটওয়্যার কোম্পানি এবং একটি অনলাইন আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান, যা পরে পেপ্যালে রূপ নেয়।
২০০২ সালে পেপ্যাল ই-বের কাছে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি করে দেন। এই বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থের বড় অংশ তিনি স্পেসএক্সে বিনিয়োগ করেন, যার লক্ষ্য ছিল মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যয় কমিয়ে নাসার বিকল্প তৈরি করা। পাশাপাশি তিনি টেসলাতেও বিনিয়োগ করেন এবং ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মাস্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল ২০২২ সালের অক্টোবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার অধিগ্রহণ, যার নাম পরে এক্স রাখা হয়।

মাস্কের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো এক্সকে ‘সবকিছুর অ্যাপ’ হিসেবে গড়ে তোলা। এখানে বিভিন্ন ধরনের সেবা একই প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষেত্রেও মাস্কের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। তিনি চ্যাটজিপিটির মূল প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের প্রাথমিক বিনিয়োগকারীদের একজন ছিলেন। তবে ২০১৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে সরে দাঁড়ান এবং ২০২৩ সালে এক্সএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
ইলন মাস্ক প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী। ২০১০ সালে ম্যারি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তাঁর প্রথম স্ত্রী জাস্টিন মাস্ক উল্লেখ করেন, বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার আগেও মাস্ক কখনও হার মেনে না নেওয়ার মানুষ ছিলেন না।
ইলন মাস্ক নিজেকে পরিচয় করান অত্যন্ত কর্মনিষ্ঠ বা কাজপাগল মানুষ হিসেবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যবসা পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য শুধু অর্থ উপার্জন নয়।
মাস্কের বন্ধু ও টেসলার বিনিয়োগকারী রস গার্বারের মতে, ইলন মনে করন, তিনি যেসব প্রকল্প বা উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত আছেন, সবগুলোই সমাজ বা মানবজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ইলন মাস্ক মোট ১৪ সন্তানের বাবা। তাঁর সর্বশেষ যমজ সন্তানের জন্মের পর মাস্ক সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন যে, জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলায় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
.png)

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিড়ালরা অত্যন্ত জটিল পরিবেশে বসবাস করে। প্রতিটি বাড়ির পরিবেশ আলাদা, তাই বাড়ির নিয়মের পরিবর্তন, নতুন কোনো পোষ্য আসা কিংবা পরিবেশগত মানসিক চাপ, এসব কিছুই বিড়ালের আচরণ বদলে দিতে পারে। এই কারণগুলো থেকে অন্য বিড়ালের মৃত্যুর অনুভূতি বা শোকের প্রভাবকে আলাদা করে বোঝা খুবই কঠিন।
৪ ঘণ্টা আগে
ইদানীং বিয়ের আয়োজন মানেই বিরাট ঝক্কি! মেহেদি উৎসব, গায়ে হলুদ, বিয়ে, বউ-ভাত, বিবাহ-উত্তর সংবর্বধনা—এ রকম নানা আয়োজন করতে হয়। আর আয়োজন মানেই হাজারো অতিথি, বিপুল খরচ। তাই অনেকেই বিয়ে করতেই ভয় পান।
১০ ঘণ্টা আগে
এমনই এক তাঁবুতে বাস করেন ৪৩ বছর বয়সী সামিহ তোতাহ। মোবাইল ফোনের ছোট স্ক্রিনে তিনি দেখছেন আগের রাতে হওয়া বিশ্বকাপের ম্যাচটি। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যখন বড় পর্দায় রিয়েল-টাইমে এই মহাযজ্ঞ উপভোগ করছেন, গাজার মানুষদের ভাগ্য তখন হাইলাইটস কিংবা ম্যাচের টুকরো ক্লিপ দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
১২ ঘণ্টা আগে
আমাদের চারপাশে এমন অনেক দম্পতি দেখা যায়, যাদের দুজনের স্বভাব সম্পূর্ণ বিপরীত। দেখা যায়, হয়তো ছুটির দিনে স্বামী পাড়ার মোড়ে বন্ধুদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। কিংবা অচেনা কোনো মানুষের সঙ্গেও আড্ডা জমিয়েছেন। অন্যদিকে, স্ত্রী হয়তো খুব শান্ত ও চুপচাপ। বাইরে পরিচিত কাউকে দেখলেও তিনি এড়িয়ে চলেন বা ভিড়
১ দিন আগে