তারেক অণু

পৃথিবী নামের এই গ্রহে কোটি কোটি বছর ধরে সরীসৃপদের রাজত্ব, এখনো অনেক জায়গায় কেবল তাদেরই বাস। এদের মধ্যে কুমিরদের প্রতাপ যেন একটু বেশিই। আর এই কুমিরদের ভিড়ে কিউবান কুমির দখল করে আছে বিশেষ এক জায়গা। কেন জানেন?
কিউবান প্রজাতির কুমির ডাঙ্গায় সবচেয়ে বেশি সময় কাটায়। প্রাপ্তবয়স্ক কুমিরগুলোর শরীর বেশ উজ্জ্বল রঙের হয়, এদের পা দেহের তুলনায় লম্বা এবং গায়ের আঁশ বেশ খসখসে। অবাক করা বিষয় হলো, প্রয়োজনে এরা অনেক উঁচুতে লাফ দিতে পারে। এমনকি এরা দলবদ্ধভাবে শিকার করতে পারে, যা অন্য কোনো কুমিরের ক্ষেত্রে শোনা যায়নি। সম্ভবত এরাই বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান কুমির!
ছোট আকৃতির এই কুমির (পূর্ণবয়স্কদের গড় দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪ মিটার) এককালে ক্যারিবীয় অঞ্চলের নানা দ্বীপে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করত। কিন্তু বর্তমানে এদের দেখা মেলে কেবলমাত্র কিউবার যাপাতার ম্যানগ্রোভ বন এবং আইল্যান্ড অফ ইয়ুথ দ্বীপে। সেই হিসেবে এটি অতি বিরল সরীসৃপ। বর্তমানে এই দুই জায়গায় বুনো পরিবেশে মাত্র ৩০০০ থেকে ৬০০০টি কিউবান কুমির টিকে আছে।

অথচ কয়েক দশক আগেও কোটি কোটি বছর ধরে টিকে থাকা এই প্রাণীটি পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিলুপ্তির মুখে পড়েছিল। কারণ, বরাবরের মতই বাসস্থান ধ্বংস, মানুষের শিকার। যদিও সংরক্ষণ ও প্রজনন কর্মসূচির ফলে এদের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে প্রজাতিটি এখনো বিলুপ্তির ঝুঁকিমুক্ত নয় এবং বিশ্বের অন্যতম সংকটাপন্ন সরীসৃপ হিসেবে বিবেচিত।
কয়েক দশক আগে এই বিষয়টি নজরে আসে কিউবান বিপ্লবের অন্যতম স্থপতি এবং তৎকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রাউল ক্যাস্ত্রোর। তাঁর উদ্যোগেই যাপাতা ম্যানগ্রোভ বনের কাছে কিউবান সরকার স্থাপন করে বিশেষ কুমির প্রজনন কেন্দ্র। বিলুপ্তির সেই কালো গহ্বর থেকে ফিরে আসে অসাধারণ এই প্রাণীটি। চলুন, ঘুরে আসা যাক ল্য সালিনাসের সেই কুমির প্রজনন কেন্দ্র থেকে, শুনে আসা যাক তাদের টিকে থাকার সেই গল্প।

ফার্মে ঢুকতেই প্রথমে অফিস থেকে টিকিট কাটতে হলো, সেই সঙ্গে সঙ্গী হিসেবে দেওয়া হলো একজন গাইডকে। তিনি কুমির এবং এই প্রজনন কেন্দ্রের কর্ম সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। প্রথমেই চোখে পড়ল জলজ উদ্ভিদে ভরা একটি বিশাল পুকুর। উজ্জ্বল সব ফুল ফুটে চারপাশকে মোহনীয় করে রেখেছে। এটি মূলত কুমিরদের খাদ্যের ভাণ্ডার, যেখানে মাছের স্তূপ দেখা যায়। এর পাশেই জাল দিয়ে ঘেরা বড় চৌবাচ্চা; সেখানে কুমিরদের সাথে নানা ধরনের কচ্ছপকেও ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল।
এরপর সারি সারি তারের বেড়া দিয়ে ঘেরা খাঁচামতো জায়গা, প্রতিটিতেই পর্যাপ্ত জল। শুরু হলো আমাদের কুমির প্রজনন কেন্দ্র দর্শন। প্রথমেই চোখে পড়ল মাত্র কয়েক মাস বয়সী কুমির ছানা।
এরপরেই এক বছর বয়সী ছানাদের মহামেলা, একটু দূরের খাঁচায় ২ বছর বয়সীদের ভিড়, তার পরেই ৩ বছর বয়সীরা। এভাবে বয়স অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ভাগ করে রাখা হয়েছে এই সুদর্শন সরীসৃপদের।

সূর্যিমামাকে মাথার ওপর রেখেই চলছে আমাদের দেখা। এরই ফাঁকে এক শক্ত-পোক্ত গড়নের চাচামিয়া এসে বলল, ‘কুমিরকে খাওয়াতে যাচ্ছি, দেখতে চাও নাকি?’ দেখব না মানে! মনে হলো এরই অপেক্ষায় ছিলাম এতক্ষণ। বিশাল মাছের মুড়ো-লেজসহ দেহটা (পেটি ছাড়া, সেটি মনে হলো অন্য কাজে ব্যবহৃত হয়েছে) সেই সারি সারি পাথরের মূর্তির মতো নিশ্চল ঝাঁকের মাঝে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কী যে এক আলোড়নের সৃষ্টি হলো!
মনে হলো কুমিরের এক বিশাল পাহাড় নির্মিত হয়েছে অজানা মন্ত্রবলে। আর সেই পাহাড় আবার চলমান! তার মাঝখান থেকেই কোনো চতুর কুমির কুশলী রাগবি খেলোয়াড়ের মতো পাকা ডজ দিয়ে বেরিয়ে এল সেই হুটোপুটি থেকে। মুখে ধরা মাছ নিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে, প্রায় দৌড়ে অন্যদের নাগালের বাইরে গিয়ে পড়ল জলের মাঝে!

গাইডের কাছ থেকে জানা গেল কিউবান কুমিরের এই লম্বা পায়ের রহস্য। এদের আদিপুরুষদের খাদ্যতালিকায় ছিল বিশালদেহী স্থলচর স্লথ। তাদের কাবু করতেই দ্রুতগতিতে দৌড় ও আক্রমণ করা শিখতে হয়েছিল এদের, আর কোটি কোটি বছরের বিবর্তনের পরেই তারা পৌঁছেছে আজকের পর্যায়ে।
এরপর এক খাঁচায় দেখা হলো ৫ বছর বয়সী কিউবান কুমিরদের সঙ্গে, দিব্যি গদাইলস্করী চালে শুয়ে রোদ পোহাচ্ছে তারা। শুনলাম, এখন এই প্রজাতিটি আর বিলুপ্তির আশঙ্কায় নেই। এটি সম্ভব হয়েছে কেবল কিউবান সরকারের সঠিক সময়ে নেওয়া প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং নিবিড় পরিচর্যার জন্য।
তবে এখনো চিন্তার বিষয় হলো, কিউবান কুমিরের মোট দুই শতাংশ হলো পুরুষ! তার মধ্যে আবার এক শতাংশ আছে জলাভূমিতে মুক্ত পরিবেশে, আর এক শতাংশ আছে এই প্রজনন কেন্দ্রে। বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই সমস্যা দূর করতে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন সফলতা ধরা দেয়নি। তবে আমরা আশা করতে পারি, যে গবেষণা ও পরিচর্যা এমন অসাধারণ একটি প্রজাতিকে বিলুপ্তির অন্ধকূপ থেকে তুলে এনেছে, তারা নিশ্চয়ই এদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়েও জয়ী হবে।

ফেরার পথে দেখা গেল প্রজননকেন্দ্রের আরেক আকর্ষণ! এখানে কুমিরের দাঁত, হাড় ও চামড়া দিয়ে তৈরি নানাবিধ পণ্যের সঙ্গে ‘স্টাফ’ করা কুমিরের বাচ্চা পর্যন্ত বিক্রি হয়। একটি বাচ্চার দাম ২০০ ডলার। তবে এখানে কেবলমাত্র বিভিন্ন কারণে মৃত অথবা পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ কুমির ব্যবসার খাতিরে বিক্রি করা হয় এবং সেই অর্থেই এই প্রজননকেন্দ্র চালানো হয়।
ফটকের কাছেই মিলল আরেক প্রস্তাব—এখানে গোটাকয়েক হোটেলে কুমিরের মাংসের স্বাদ মিলতে পারে। সেই সঙ্গে দুর্লভ এই আমিষ সস্তায় উদরপূর্তি করতে চাইলে স্থানীয়দের বাড়িতে গেলেও চলবে; পাতে ভাত, আলুর সঙ্গে পড়বে খাঁটি কুমিরের মাংস! সর্বভুক মানুষ আমি, কিন্তু বুনোপ্রাণী খেতে মন কখনোই সায় দেয় না, হোক না সেটা আইনের সীমানার মধ্যে থেকে শিকার করা।

পৃথিবী নামের এই গ্রহে কোটি কোটি বছর ধরে সরীসৃপদের রাজত্ব, এখনো অনেক জায়গায় কেবল তাদেরই বাস। এদের মধ্যে কুমিরদের প্রতাপ যেন একটু বেশিই। আর এই কুমিরদের ভিড়ে কিউবান কুমির দখল করে আছে বিশেষ এক জায়গা। কেন জানেন?
কিউবান প্রজাতির কুমির ডাঙ্গায় সবচেয়ে বেশি সময় কাটায়। প্রাপ্তবয়স্ক কুমিরগুলোর শরীর বেশ উজ্জ্বল রঙের হয়, এদের পা দেহের তুলনায় লম্বা এবং গায়ের আঁশ বেশ খসখসে। অবাক করা বিষয় হলো, প্রয়োজনে এরা অনেক উঁচুতে লাফ দিতে পারে। এমনকি এরা দলবদ্ধভাবে শিকার করতে পারে, যা অন্য কোনো কুমিরের ক্ষেত্রে শোনা যায়নি। সম্ভবত এরাই বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান কুমির!
ছোট আকৃতির এই কুমির (পূর্ণবয়স্কদের গড় দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪ মিটার) এককালে ক্যারিবীয় অঞ্চলের নানা দ্বীপে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করত। কিন্তু বর্তমানে এদের দেখা মেলে কেবলমাত্র কিউবার যাপাতার ম্যানগ্রোভ বন এবং আইল্যান্ড অফ ইয়ুথ দ্বীপে। সেই হিসেবে এটি অতি বিরল সরীসৃপ। বর্তমানে এই দুই জায়গায় বুনো পরিবেশে মাত্র ৩০০০ থেকে ৬০০০টি কিউবান কুমির টিকে আছে।

অথচ কয়েক দশক আগেও কোটি কোটি বছর ধরে টিকে থাকা এই প্রাণীটি পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিলুপ্তির মুখে পড়েছিল। কারণ, বরাবরের মতই বাসস্থান ধ্বংস, মানুষের শিকার। যদিও সংরক্ষণ ও প্রজনন কর্মসূচির ফলে এদের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে প্রজাতিটি এখনো বিলুপ্তির ঝুঁকিমুক্ত নয় এবং বিশ্বের অন্যতম সংকটাপন্ন সরীসৃপ হিসেবে বিবেচিত।
কয়েক দশক আগে এই বিষয়টি নজরে আসে কিউবান বিপ্লবের অন্যতম স্থপতি এবং তৎকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রাউল ক্যাস্ত্রোর। তাঁর উদ্যোগেই যাপাতা ম্যানগ্রোভ বনের কাছে কিউবান সরকার স্থাপন করে বিশেষ কুমির প্রজনন কেন্দ্র। বিলুপ্তির সেই কালো গহ্বর থেকে ফিরে আসে অসাধারণ এই প্রাণীটি। চলুন, ঘুরে আসা যাক ল্য সালিনাসের সেই কুমির প্রজনন কেন্দ্র থেকে, শুনে আসা যাক তাদের টিকে থাকার সেই গল্প।

ফার্মে ঢুকতেই প্রথমে অফিস থেকে টিকিট কাটতে হলো, সেই সঙ্গে সঙ্গী হিসেবে দেওয়া হলো একজন গাইডকে। তিনি কুমির এবং এই প্রজনন কেন্দ্রের কর্ম সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। প্রথমেই চোখে পড়ল জলজ উদ্ভিদে ভরা একটি বিশাল পুকুর। উজ্জ্বল সব ফুল ফুটে চারপাশকে মোহনীয় করে রেখেছে। এটি মূলত কুমিরদের খাদ্যের ভাণ্ডার, যেখানে মাছের স্তূপ দেখা যায়। এর পাশেই জাল দিয়ে ঘেরা বড় চৌবাচ্চা; সেখানে কুমিরদের সাথে নানা ধরনের কচ্ছপকেও ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল।
এরপর সারি সারি তারের বেড়া দিয়ে ঘেরা খাঁচামতো জায়গা, প্রতিটিতেই পর্যাপ্ত জল। শুরু হলো আমাদের কুমির প্রজনন কেন্দ্র দর্শন। প্রথমেই চোখে পড়ল মাত্র কয়েক মাস বয়সী কুমির ছানা।
এরপরেই এক বছর বয়সী ছানাদের মহামেলা, একটু দূরের খাঁচায় ২ বছর বয়সীদের ভিড়, তার পরেই ৩ বছর বয়সীরা। এভাবে বয়স অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ভাগ করে রাখা হয়েছে এই সুদর্শন সরীসৃপদের।

সূর্যিমামাকে মাথার ওপর রেখেই চলছে আমাদের দেখা। এরই ফাঁকে এক শক্ত-পোক্ত গড়নের চাচামিয়া এসে বলল, ‘কুমিরকে খাওয়াতে যাচ্ছি, দেখতে চাও নাকি?’ দেখব না মানে! মনে হলো এরই অপেক্ষায় ছিলাম এতক্ষণ। বিশাল মাছের মুড়ো-লেজসহ দেহটা (পেটি ছাড়া, সেটি মনে হলো অন্য কাজে ব্যবহৃত হয়েছে) সেই সারি সারি পাথরের মূর্তির মতো নিশ্চল ঝাঁকের মাঝে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কী যে এক আলোড়নের সৃষ্টি হলো!
মনে হলো কুমিরের এক বিশাল পাহাড় নির্মিত হয়েছে অজানা মন্ত্রবলে। আর সেই পাহাড় আবার চলমান! তার মাঝখান থেকেই কোনো চতুর কুমির কুশলী রাগবি খেলোয়াড়ের মতো পাকা ডজ দিয়ে বেরিয়ে এল সেই হুটোপুটি থেকে। মুখে ধরা মাছ নিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে, প্রায় দৌড়ে অন্যদের নাগালের বাইরে গিয়ে পড়ল জলের মাঝে!

গাইডের কাছ থেকে জানা গেল কিউবান কুমিরের এই লম্বা পায়ের রহস্য। এদের আদিপুরুষদের খাদ্যতালিকায় ছিল বিশালদেহী স্থলচর স্লথ। তাদের কাবু করতেই দ্রুতগতিতে দৌড় ও আক্রমণ করা শিখতে হয়েছিল এদের, আর কোটি কোটি বছরের বিবর্তনের পরেই তারা পৌঁছেছে আজকের পর্যায়ে।
এরপর এক খাঁচায় দেখা হলো ৫ বছর বয়সী কিউবান কুমিরদের সঙ্গে, দিব্যি গদাইলস্করী চালে শুয়ে রোদ পোহাচ্ছে তারা। শুনলাম, এখন এই প্রজাতিটি আর বিলুপ্তির আশঙ্কায় নেই। এটি সম্ভব হয়েছে কেবল কিউবান সরকারের সঠিক সময়ে নেওয়া প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং নিবিড় পরিচর্যার জন্য।
তবে এখনো চিন্তার বিষয় হলো, কিউবান কুমিরের মোট দুই শতাংশ হলো পুরুষ! তার মধ্যে আবার এক শতাংশ আছে জলাভূমিতে মুক্ত পরিবেশে, আর এক শতাংশ আছে এই প্রজনন কেন্দ্রে। বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই সমস্যা দূর করতে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন সফলতা ধরা দেয়নি। তবে আমরা আশা করতে পারি, যে গবেষণা ও পরিচর্যা এমন অসাধারণ একটি প্রজাতিকে বিলুপ্তির অন্ধকূপ থেকে তুলে এনেছে, তারা নিশ্চয়ই এদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়েও জয়ী হবে।

ফেরার পথে দেখা গেল প্রজননকেন্দ্রের আরেক আকর্ষণ! এখানে কুমিরের দাঁত, হাড় ও চামড়া দিয়ে তৈরি নানাবিধ পণ্যের সঙ্গে ‘স্টাফ’ করা কুমিরের বাচ্চা পর্যন্ত বিক্রি হয়। একটি বাচ্চার দাম ২০০ ডলার। তবে এখানে কেবলমাত্র বিভিন্ন কারণে মৃত অথবা পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ কুমির ব্যবসার খাতিরে বিক্রি করা হয় এবং সেই অর্থেই এই প্রজননকেন্দ্র চালানো হয়।
ফটকের কাছেই মিলল আরেক প্রস্তাব—এখানে গোটাকয়েক হোটেলে কুমিরের মাংসের স্বাদ মিলতে পারে। সেই সঙ্গে দুর্লভ এই আমিষ সস্তায় উদরপূর্তি করতে চাইলে স্থানীয়দের বাড়িতে গেলেও চলবে; পাতে ভাত, আলুর সঙ্গে পড়বে খাঁটি কুমিরের মাংস! সর্বভুক মানুষ আমি, কিন্তু বুনোপ্রাণী খেতে মন কখনোই সায় দেয় না, হোক না সেটা আইনের সীমানার মধ্যে থেকে শিকার করা।
.png)

ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
১৪ আগস্ট ২০২৬
১৯৯৫ সালে অ্যামাজন প্রথম যে পণ্যটি বিক্রি করেছিল, সেটি ছিল ডগলাস হফস্ট্যাডারের লেখা বই ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ’। তিন দশক পর সেই অনলাইন বইয়ের দোকানটির বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসেই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করেছে ২০০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য
১২ আগস্ট ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত বন্য প্রাণীগুলোর একটি সিংহ। ছোটবেলা থেকেই গল্প, সিনেমা আর ছবিতে আমরা তাকে দেখে এসেছি বনের রাজা হিসেবে। তার গর্জন, কেশর আর রাজকীয় উপস্থিতি যেন আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। ‘বনের রাজা’কে বিশ্ব সিংহ দিবসের পরের দিন একটু অন্যভাবে চেনা যাক।
১১ আগস্ট ২০২৬
৫ আগস্ট ২০২৪। সকাল ১১টা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানুষের ভিড়, মিছিল আর স্লোগান। দেশজুড়ে তখন খুনের বন্যা। যা দেখিনি, তা-ই দেখছি—চোখের সামনে। দলে দলে কোত্থেকে আসছে এত মানুষ? ভেতরে ভেতরে একটা অভ্যুত্থান ঘটে গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬