স্ট্রিম ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ‘রেপ্লিকা’ নামের একটি এআই চ্যাটবট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, এই চ্যাটবট তাদের আত্মহত্যার মতো ভয়ংকর চিন্তাভাবনা থেকে দূরে রেখেছে।
তবে নতুন একটি গবেষণায় এআই ব্যবহারের একটি অন্ধকার দিকও উঠে এসেছে। গবেষণাটিতে বলা হচ্ছে, এআই চ্যাটবটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের স্বাভাবিক সামাজিক দক্ষতা বা মানুষের সঙ্গে মেশার ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
‘রেপ্লিকা’ ব্যবহার করেন এমন ৪৯৬ জনের ওপর সম্প্রতি একটি গবেষণা চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, যেসব মানুষ চ্যাটবটের সাথে কথা বলে বেশি তৃপ্তি অনুভব করেন, বাস্তবজীবনে মানুষের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের দক্ষতা ততটাই খারাপ। নিয়মিত এআই চ্যাটবট ব্যবহার করলে তা মানুষের আবেগের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও গবেষণা বলছে, মানুষের চিন্তা বা আচরণের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলক কম।
ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি বনাম বাস্তবজীবন
যারা কথা বলতে বা নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে নিয়মিত এআই চ্যাটবট করেন, তারা সাধারণত এআইয়ের নিজস্ব অনুভূতি আছে কি না তা নিয়ে ভাবেন না। এই সম্পর্কটা মূলত একতরফা। এখানে শুধু মানুষের চাহিদাই প্রাধান্য পায়। গবেষকরা দেখেছেন, রেপ্লিকা ব্যবহারকারীরা মূলত নিজেদের মানসিক শান্তি খোঁজার চেষ্টাই বেশি করেন। এআই সঙ্গীগুলো এভাবেই তৈরি করা হয়, যাতে তারা শুধু ব্যবহারকারীর মানসিক চাহিদা মিটিয়ে একটা সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, মানুষ অনেক সময় এআইকে মানুষের মতোই ভাবতে ভালোবাসে। কিন্তু তারা ভালো করেই জানে যে এআইয়ের আসলে কোনো অনুভূতি বা প্রাণ নেই। দ্বিপাক্ষিক অনুভূতির আদান-প্রদান না থাকাটা এখানে একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। বাস্তব জীবনে মানুষের সাথে সম্পর্ক এমন একতরফা হয় না; সেখানে দুজনের আবেগই প্রয়োজন হয়। এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়লে বাস্তব জীবনের সম্পর্কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ, অতিরিক্ত এআই চ্যাটবট ব্যবহারের ফলে মানুষের মধ্যে অন্যের অনুভূতি বোঝার বা সামলানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
অন্যদিকে, বাস্তব জীবনের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কিছু সামাজিক দক্ষতা খুবই জরুরি। যেমন—নিজেদের মধ্যে আপস করা, ঝগড়া মেটানো কিংবা অন্যের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারা। বাস্তবে সম্পর্ক গড়তে হলে দুজনেরই আবেগের আদান-প্রদান লাগে। সেখানে মান-অভিমান থাকে, আবার তা মিটেও যায়। গবেষকরা বলছেন, এআইয়ের ওপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়লে বাস্তবে মানুষের সাথে এমন দ্বিমুখী সম্পর্ক গড়ার অভ্যাসটা আর থাকে না।
এআইকে যদি মানুষের মতো আবেগ দেখানোর জন্য প্রোগ্রাম করাও হয়, তবুও একটা সমস্যা থেকে যায়। ব্যবহারকারীরা জানেন যে এগুলো প্রযুক্তির খেলা, এআইয়ের সত্যিকার কোনো অনুভূতি নেই। তা ছাড়া এআইয়ের সঙ্গে কথা বলা খুব সহজ। এটির কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই, নিজের কোনো চাহিদাও নেই।
ফলে মানুষ জটিল মানবীয় সম্পর্কগুলোর পেছনে সময় বা শ্রম দেওয়ার চেয়ে এআইয়ের সাথে সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করতে শুরু করে। এআই সঙ্গীর মাধ্যমে মানুষের মানসিক চাহিদা অনেকটাই মিটে যায় বলে রক্তমাংসের মানুষের সাথে তার মেশার আগ্রহ অনেকটাই কমে যেতে পারে।
এআই নির্ভরতা বদলে দিতে পারে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক
মানুষ আর এআইয়ের সম্পর্ক অনেক দিক থেকেই উপকারী হলেও এর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়াটা মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য বেশ চিন্তার বিষয়।
২০০৪ সালে গবেষক মেলভিন ডেফলার এবং স্যান্ড্রা বোয়ার-কিলোচ প্রথম ‘মিডিয়া ডিপেন্ডেন্স’ বা মিডিয়া নির্ভরতা নামে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মানে হলো মিডিয়া, দর্শক ও সমাজের একে অপরের ওপর নির্ভরতা। এই নির্ভরতা দুই রকম হতে পারে—অভ্যাসগত ও আত্মিক।
যেমন সারাক্ষণ ফোন টেপার অভ্যাস হলো অভ্যাসগত নির্ভরতা। অন্যদিকে, ফোন হাতের কাছে না থাকলে আমাদের ভেতরে যদি দুশ্চিন্তা বা শূন্যতা কাজ করে, তাকে বলা হয় আত্মিক নির্ভরতা। এই ফোন না থাকার ভয়কে ‘নোমোফোবিয়া’ও বলা হয়।
ঠিক একইভাবে, এআই চ্যাটবটের ওপর আমাদের এই নির্ভরতাও এক ধরনের মানসিক আসক্তি তৈরি করতে পারে। গবেষকদের ধারণা, এর ফলাফল হতে পারে মারাত্মক।
এআইয়ের পেছনে ঠিক কতটা সময় দেওয়া উচিত, তা নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তবে আসল কথা হলো, এআইয়ের সাথে কাটানো সময় এবং বাস্তব জীবনে মানুষের সাথে মেশার মধ্যে ভারসাম্য রাখাটা খুব জরুরি।
এই বিষয়টি আসলে বেশ জটিল। এআই চ্যাটবট হয়তো মানুষের একাকীত্ব ঘোচাতে কিছুটা সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে যাদের বন্ধু বা স্বজন নেই, তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী। কিন্তু মানুষের সাথে সম্পর্কের কোনো বিকল্প হয় না। গবেষকদের পরামর্শ হলো, এআইয়ের পাশাপাশি মানুষের সাথেও সময় কাটাতে হবে। পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করলে এআই হয়তো ভালো মানসিক সাপোর্ট দিতে পারে। কিন্তু এটির ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করলে তা আমাদের জরুরি সামাজিক দক্ষতাগুলো একদম নষ্ট করে দিতে পারে।
অনুবাদ করেছেন ফাবিহা বিনতে হক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট মানুষের একাকীত্ব কমাতে বেশ সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের আশেপাশে কথা বলার মতো কেউ নেই, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ‘রেপ্লিকা’ নামের একটি এআই চ্যাটবট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, এই চ্যাটবট তাদের আত্মহত্যার মতো ভয়ংকর চিন্তাভাবনা থেকে দূরে রেখেছে।
তবে নতুন একটি গবেষণায় এআই ব্যবহারের একটি অন্ধকার দিকও উঠে এসেছে। গবেষণাটিতে বলা হচ্ছে, এআই চ্যাটবটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের স্বাভাবিক সামাজিক দক্ষতা বা মানুষের সঙ্গে মেশার ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।
‘রেপ্লিকা’ ব্যবহার করেন এমন ৪৯৬ জনের ওপর সম্প্রতি একটি গবেষণা চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, যেসব মানুষ চ্যাটবটের সাথে কথা বলে বেশি তৃপ্তি অনুভব করেন, বাস্তবজীবনে মানুষের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের দক্ষতা ততটাই খারাপ। নিয়মিত এআই চ্যাটবট ব্যবহার করলে তা মানুষের আবেগের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও গবেষণা বলছে, মানুষের চিন্তা বা আচরণের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলক কম।
ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি বনাম বাস্তবজীবন
যারা কথা বলতে বা নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে নিয়মিত এআই চ্যাটবট করেন, তারা সাধারণত এআইয়ের নিজস্ব অনুভূতি আছে কি না তা নিয়ে ভাবেন না। এই সম্পর্কটা মূলত একতরফা। এখানে শুধু মানুষের চাহিদাই প্রাধান্য পায়। গবেষকরা দেখেছেন, রেপ্লিকা ব্যবহারকারীরা মূলত নিজেদের মানসিক শান্তি খোঁজার চেষ্টাই বেশি করেন। এআই সঙ্গীগুলো এভাবেই তৈরি করা হয়, যাতে তারা শুধু ব্যবহারকারীর মানসিক চাহিদা মিটিয়ে একটা সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, মানুষ অনেক সময় এআইকে মানুষের মতোই ভাবতে ভালোবাসে। কিন্তু তারা ভালো করেই জানে যে এআইয়ের আসলে কোনো অনুভূতি বা প্রাণ নেই। দ্বিপাক্ষিক অনুভূতির আদান-প্রদান না থাকাটা এখানে একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। বাস্তব জীবনে মানুষের সাথে সম্পর্ক এমন একতরফা হয় না; সেখানে দুজনের আবেগই প্রয়োজন হয়। এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়লে বাস্তব জীবনের সম্পর্কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কারণ, অতিরিক্ত এআই চ্যাটবট ব্যবহারের ফলে মানুষের মধ্যে অন্যের অনুভূতি বোঝার বা সামলানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
অন্যদিকে, বাস্তব জীবনের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কিছু সামাজিক দক্ষতা খুবই জরুরি। যেমন—নিজেদের মধ্যে আপস করা, ঝগড়া মেটানো কিংবা অন্যের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারা। বাস্তবে সম্পর্ক গড়তে হলে দুজনেরই আবেগের আদান-প্রদান লাগে। সেখানে মান-অভিমান থাকে, আবার তা মিটেও যায়। গবেষকরা বলছেন, এআইয়ের ওপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়লে বাস্তবে মানুষের সাথে এমন দ্বিমুখী সম্পর্ক গড়ার অভ্যাসটা আর থাকে না।
এআইকে যদি মানুষের মতো আবেগ দেখানোর জন্য প্রোগ্রাম করাও হয়, তবুও একটা সমস্যা থেকে যায়। ব্যবহারকারীরা জানেন যে এগুলো প্রযুক্তির খেলা, এআইয়ের সত্যিকার কোনো অনুভূতি নেই। তা ছাড়া এআইয়ের সঙ্গে কথা বলা খুব সহজ। এটির কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই, নিজের কোনো চাহিদাও নেই।
ফলে মানুষ জটিল মানবীয় সম্পর্কগুলোর পেছনে সময় বা শ্রম দেওয়ার চেয়ে এআইয়ের সাথে সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করতে শুরু করে। এআই সঙ্গীর মাধ্যমে মানুষের মানসিক চাহিদা অনেকটাই মিটে যায় বলে রক্তমাংসের মানুষের সাথে তার মেশার আগ্রহ অনেকটাই কমে যেতে পারে।
এআই নির্ভরতা বদলে দিতে পারে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক
মানুষ আর এআইয়ের সম্পর্ক অনেক দিক থেকেই উপকারী হলেও এর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়াটা মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য বেশ চিন্তার বিষয়।
২০০৪ সালে গবেষক মেলভিন ডেফলার এবং স্যান্ড্রা বোয়ার-কিলোচ প্রথম ‘মিডিয়া ডিপেন্ডেন্স’ বা মিডিয়া নির্ভরতা নামে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মানে হলো মিডিয়া, দর্শক ও সমাজের একে অপরের ওপর নির্ভরতা। এই নির্ভরতা দুই রকম হতে পারে—অভ্যাসগত ও আত্মিক।
যেমন সারাক্ষণ ফোন টেপার অভ্যাস হলো অভ্যাসগত নির্ভরতা। অন্যদিকে, ফোন হাতের কাছে না থাকলে আমাদের ভেতরে যদি দুশ্চিন্তা বা শূন্যতা কাজ করে, তাকে বলা হয় আত্মিক নির্ভরতা। এই ফোন না থাকার ভয়কে ‘নোমোফোবিয়া’ও বলা হয়।
ঠিক একইভাবে, এআই চ্যাটবটের ওপর আমাদের এই নির্ভরতাও এক ধরনের মানসিক আসক্তি তৈরি করতে পারে। গবেষকদের ধারণা, এর ফলাফল হতে পারে মারাত্মক।
এআইয়ের পেছনে ঠিক কতটা সময় দেওয়া উচিত, তা নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তবে আসল কথা হলো, এআইয়ের সাথে কাটানো সময় এবং বাস্তব জীবনে মানুষের সাথে মেশার মধ্যে ভারসাম্য রাখাটা খুব জরুরি।
এই বিষয়টি আসলে বেশ জটিল। এআই চ্যাটবট হয়তো মানুষের একাকীত্ব ঘোচাতে কিছুটা সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে যাদের বন্ধু বা স্বজন নেই, তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী। কিন্তু মানুষের সাথে সম্পর্কের কোনো বিকল্প হয় না। গবেষকদের পরামর্শ হলো, এআইয়ের পাশাপাশি মানুষের সাথেও সময় কাটাতে হবে। পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করলে এআই হয়তো ভালো মানসিক সাপোর্ট দিতে পারে। কিন্তু এটির ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করলে তা আমাদের জরুরি সামাজিক দক্ষতাগুলো একদম নষ্ট করে দিতে পারে।
অনুবাদ করেছেন ফাবিহা বিনতে হক

আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করতে কিংবা আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করেন। এই মানুষদের আমরা ‘সামাজিক মানুষ’ বলে জানি। তাদের নিয়ে সাধারণত কারও কোনো দুশ্চিন্তা বা অভিযোগ থাকে না। কিন্তু যারা একটু চুপচাপ বা একা থাকতে ভালোবাসেন, তাদের নিয়ে আমাদের অনেকেরই অভিযোগের শেষ নেই।
৮ ঘণ্টা আগে
২০২১ সালে পাকিস্তানি নির্মাতা ও পরিচালক নাবিল কুরেশি খেল খেল মেঁ নামে একটি সিনেমা তৈরি করেন। ওই চলচ্চিত্রে দেখানো হয়, পাকিস্তানের একটি ইউনিভার্সিটির ড্রামা ক্লাবের ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের প্রোডাকশন নিয়ে ঢাকায় একটি নাট্যোৎসবে যোগ দিতে যাচ্ছে।
১ দিন আগে
একটি বেসরকারি গণমাধ্যমে কাজ কাজ করেন ফাবিহা। তাঁর কাছে মুক্তিযুদ্ধের তিনটি চলচ্চিত্র বেছে নিতে বললে, তিনি শ্যামল ছায়া, ওরা ১১ জন এবং আগুনের পরশমণির নাম জানান।
১ দিন আগে
২৬ মার্চ কেবল একটি ক্যালেন্ডারের পাতা নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়। প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করি আমরা। তবে ‘স্বাধীনতা’ শব্দ সবার কাছে একই অর্থ বহন করে না। জেনজিদের চোখে স্বাধীনতা মানে এক, তো মিলেনিয়ালদের চোখে স্বাধীনতার মানে আরেক।
১ দিন আগে