যেসব অসচেতন অভ্যাসের কারণে মানুষ আপনাকে অপছন্দ করতে পারেআমরা অনেকেই ভাবি যে মানুষ যখন কাউকে অপছন্দ করে, এর পেছনে নিশ্চয়ই বড় কোনো কারণ থাকে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের দৈনন্দিন ছোটোখাটো কিছু অসচেতন অভ্যাসের কারণেও আমরা অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠি। এই লেখায় এমন কিছু অভ্যাসের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যা অজান্তেই আপনার সম্পর্কে মানুষকে ভুল বার্তা দিচ্ছে। চলুন জ
৩১ ডিসেম্বর এলেই হঠাৎ কেন এত মোটিভেশন আসেবছর শেষ হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। অদ্ভুত এক মানসিক তাড়না কাজ করছে অনেকের মধ্যে। ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টার আগেই যেন সব হিসাব মেলাতে হবে। একেই বলা হচ্ছে ‘ওয়ান লাস্ট টাইম’ সাইকোলজি। কিন্তু বছর পাল্টালেই তো জীবন বদলাবে না। তবে কেন এই মানসিক অস্থিরতা?
কেন অনেকেই নিজেকে ‘ইন্ট্রোভার্ট’ ভাবতে ভালোবাসে? এটা কি সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ট্রেন্ডআজকাল ‘ইন্ট্রোভার্ট’ শব্দটা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয়। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অনেকে জানান দেয়, ‘আমি ইন্ট্রোভার্ট’। কেন এত মানুষ কেন নিজেকে ইন্ট্রোভার্ট ভাবতে ভালোবাসে? অনেকে কি আবার ভুল করে নিজেকে ইন্ট্রোভার্ট ভাবে? এখানে ট্রেন্ড, ব্যাখা আর ভুল ধারণা কোথায়?
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়আট হাজার শিক্ষার্থীর জন্য নেই কোনো মনোচিকিৎসকবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সংজ্ঞা অনুযায়ী শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক এ তিনটি দিক ভালো থাকলেই একজন মানুষকে সুস্থ বলা যায়। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো স্বাস্থ্য বলতে কেবল শারীরিক দিককেই গুরুত্ব দেওয়া হয়, ফলে মানসিক স্বাস্থ্য উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মাংকিস্ফিয়ার, মমতা ও মানুষধর্ষণ বা খুনের খবর ফেসবুকে শেয়ার দিয়ে অনেকেই ক্যাপশন দেন, ‘এগুলা ভাইরাল হবে না, ভিক্টিম ঢাবিয়ান হইলে হইতো’। কথা সত্য। মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়ের সাথে তার সঙ্গে ঘটা অপরাধের নিউজ ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা সমানুপাতিক। কিন্তু আমাদের মানবতা সিলেক্টিভ কেন এবং কীসের ভিত্তিতে?
এটাই সাইন্স, কিন্তু আপনি মানবেন কি?ক্লাইমেট চেঞ্জ, ভ্যাক্সিন, পৃথিবী গোল, মানুষ চাঁদে গেছে আরো নানা কিছু আমরা ছোটবেলা থেকে ‘বৈজ্ঞানিক সত্য’ বা হার্ড ট্রুথ হিসেবে জানি, কিন্তু কেউ কেউ তা মানে না। কেন? এরা কি শুধুই কন্সপিরেসি থিওরিস্ট? তর্ক না ভালোবাসা, কী দিয়ে এদের ‘ভালো করে দেওয়া’ যাবে? বিজ্ঞানকে না বলার বৈজ্ঞানিক কারণ কী?