স্ট্রিম ডেস্ক

ঈদুল আজহা মানেই ত্যাগের উৎসব, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর নানা আয়োজনের ব্যস্ততা। তবে ঈদ যত ঘনিয়ে আসে, ততই বাড়তে থাকে কেনাকাটার চাপ। কোরবানির পশু কেনা থেকে শুরু করে নতুন পোশাক, অতিথি আপ্যায়ন, রান্নাবান্না মিলিয়ে এই সময়ে খরচের পরিমাণও অনেক বেড়ে যায়।
বিশেষ করে বর্তমান উচ্চমূল্যের বাজারে অনেকের কাছেই ঈদের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। চাকরিজীবীরা উৎসব বোনাস পেলেও পরিকল্পনা ছাড়া খরচ করলে মাস শেষ হওয়ার আগেই টাকার টান পড়তে পারে। অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেনাকাটা কিংবা হুটহাট সিদ্ধান্ত বাজেটকে আরও চাপে ফেলে দেয়। তবে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে কেনাকাটার আনন্দও বজায় থাকবে, আবার টাকা সাশ্রয়ও হবে।
বাজারে যাওয়ার আগে প্রথম কাজ সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা। আপনি ঠিক কী কিনবেন, কার জন্য কিনবেন এবং কোন পণ্যের পেছনে কত টাকা খরচ করবেন, তা আগে থেকেই খাতায় বা ফোনে লিখে নিন।
তালিকা ছাড়া বাজারে গেলে হুটহাট অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার প্রবণতা বাড়ে। তালিকা তৈরির পর পোশাক, জুতা, প্রসাধনসামগ্রী এবং উপহারের জন্য আলাদা আলাদা বাজেট ঠিক করুন। মনে রাখবেন, কোনো খাতের বাজেট যদি সীমার বাইরে চলে যায়, তবে অন্য খাতের ওপর তার চাপ বেশি পড়বে। তাই ভেবেচিন্তে কেনাকাটা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
অনেক সময় একই পণ্যের দাম বিভিন্ন দোকান ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আলাদা হতে পারে। কোনো জিনিস পছন্দ হলেই সঙ্গে সঙ্গে না কিনে অন্তত দুই-তিন জায়গায় এর দাম তুলনা করে দেখুন। কোনো ব্র্যান্ডের দোকানে ঈদ উপলক্ষ্যে বিশেষ ছাড় বা অফার থাকলে কম মূল্যে প্রয়োজনীয় কাপড় বা অন্যান্য সামগ্রী কিনতে পারেন। \
তবে ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ বা বড় কোনো ছাড় দেখেই প্রলুব্ধ হবেন না। কেনার আগে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন জিনিসটি আপনার আসলেই প্রয়োজন কি না। শুধু ফ্যাশন বা ট্রেন্ড দেখে দামি পোশাক কেনার চেয়ে টেকসই ও বারবার ব্যবহার করা যাবে এমন পণ্য বেছে নেওয়া ভালো।
অনেকে ঈদের সব কেনাকাটা একদিনে শেষ করতে চান। একদিনে সব দোকান ঘুরলে ক্লান্তি চলে আসবে। এই ক্লান্তি থেকে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বেশি দামে খারাপ পণ্য কেনা হয়ে যায়। তাই সময় নিয়ে ধাপে ধাপে কেনাকাটা করুন। এতে বিভিন্ন দোকানের দাম যাচাই করার ভালো সুযোগ পাওয়া যায়।
এ ছাড়া ঈদের ঠিক আগের শেষ মুহূর্তের দিনগুলো এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। শেষ সময়ে বাজারে মানুষের ভিড় বাড়ে। তখন বিক্রেতাদের দরদাম করার সুযোগ কমে যায় এবং অনেক দোকানে পণ্যের দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
কেনাকাটার সময় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে বাড়তি খরচের প্রবণতা তৈরি হয়। পকেটে নগদ টাকা না থাকায় মানুষ অবচেতনভাবেই বাজেটের বাইরে চলে যায়। তাই কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে আগে থেকেই নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করে রাখুন। সম্ভব হলে কেনাকাটার সময় নগদ টাকা বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করাই শ্রেয়।
এর পাশাপাশি শিশুদের কেনাকাটার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট বাজেট রাখবেন। শিশুদের নানা আবদার সামলাতে গিয়ে অনেক সময় মা-বাবার বাজেট কমে যায়। তাই বাজারে যাওয়ার আগেই সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন এবং তার জন্য কয়টি পোশাক বা খেলনা কেনা হবে তা নির্দিষ্ট করে দিন।
কোরবানি ঈদের প্রধান খরচটি হয় পশুর হাটে। গরু বা ছাগল কিনতে বাজেটের একটা বড় অংশ বরাদ্দ রাখতে হয়। তাই পোশাক বা খাবারের পেছনে অতিরিক্ত খরচ করলে পশুর হাটে গিয়ে আর্থিক সমস্যায় পড়তে পারেন।
এ ছাড়া শুধু ঈদের দিনের খরচ ভাবলে চলবে না, ঈদের পরের দিনগুলোর কথাও মাথায় রাখতে হবে। মনে রাখবেন, ঈদের ছুটি শেষ হলেই স্কুল-কলেজের বেতন, বাড়িভাড়া এবং অন্যান্য খরচ সামনে চলে আসবে। তাই বোনাস বা বেতনের পুরো টাকা ঈদের কেনাকাটায় শেষ না করে ভবিষ্যতের জন্য কিছু টাকা বাঁচিয়ে রাখুন।

ঈদুল আজহা মানেই ত্যাগের উৎসব, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর নানা আয়োজনের ব্যস্ততা। তবে ঈদ যত ঘনিয়ে আসে, ততই বাড়তে থাকে কেনাকাটার চাপ। কোরবানির পশু কেনা থেকে শুরু করে নতুন পোশাক, অতিথি আপ্যায়ন, রান্নাবান্না মিলিয়ে এই সময়ে খরচের পরিমাণও অনেক বেড়ে যায়।
বিশেষ করে বর্তমান উচ্চমূল্যের বাজারে অনেকের কাছেই ঈদের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। চাকরিজীবীরা উৎসব বোনাস পেলেও পরিকল্পনা ছাড়া খরচ করলে মাস শেষ হওয়ার আগেই টাকার টান পড়তে পারে। অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেনাকাটা কিংবা হুটহাট সিদ্ধান্ত বাজেটকে আরও চাপে ফেলে দেয়। তবে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে কেনাকাটার আনন্দও বজায় থাকবে, আবার টাকা সাশ্রয়ও হবে।
বাজারে যাওয়ার আগে প্রথম কাজ সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা। আপনি ঠিক কী কিনবেন, কার জন্য কিনবেন এবং কোন পণ্যের পেছনে কত টাকা খরচ করবেন, তা আগে থেকেই খাতায় বা ফোনে লিখে নিন।
তালিকা ছাড়া বাজারে গেলে হুটহাট অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার প্রবণতা বাড়ে। তালিকা তৈরির পর পোশাক, জুতা, প্রসাধনসামগ্রী এবং উপহারের জন্য আলাদা আলাদা বাজেট ঠিক করুন। মনে রাখবেন, কোনো খাতের বাজেট যদি সীমার বাইরে চলে যায়, তবে অন্য খাতের ওপর তার চাপ বেশি পড়বে। তাই ভেবেচিন্তে কেনাকাটা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
অনেক সময় একই পণ্যের দাম বিভিন্ন দোকান ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আলাদা হতে পারে। কোনো জিনিস পছন্দ হলেই সঙ্গে সঙ্গে না কিনে অন্তত দুই-তিন জায়গায় এর দাম তুলনা করে দেখুন। কোনো ব্র্যান্ডের দোকানে ঈদ উপলক্ষ্যে বিশেষ ছাড় বা অফার থাকলে কম মূল্যে প্রয়োজনীয় কাপড় বা অন্যান্য সামগ্রী কিনতে পারেন। \
তবে ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ বা বড় কোনো ছাড় দেখেই প্রলুব্ধ হবেন না। কেনার আগে ঠান্ডা মাথায় ভাবুন জিনিসটি আপনার আসলেই প্রয়োজন কি না। শুধু ফ্যাশন বা ট্রেন্ড দেখে দামি পোশাক কেনার চেয়ে টেকসই ও বারবার ব্যবহার করা যাবে এমন পণ্য বেছে নেওয়া ভালো।
অনেকে ঈদের সব কেনাকাটা একদিনে শেষ করতে চান। একদিনে সব দোকান ঘুরলে ক্লান্তি চলে আসবে। এই ক্লান্তি থেকে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বেশি দামে খারাপ পণ্য কেনা হয়ে যায়। তাই সময় নিয়ে ধাপে ধাপে কেনাকাটা করুন। এতে বিভিন্ন দোকানের দাম যাচাই করার ভালো সুযোগ পাওয়া যায়।
এ ছাড়া ঈদের ঠিক আগের শেষ মুহূর্তের দিনগুলো এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। শেষ সময়ে বাজারে মানুষের ভিড় বাড়ে। তখন বিক্রেতাদের দরদাম করার সুযোগ কমে যায় এবং অনেক দোকানে পণ্যের দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
কেনাকাটার সময় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে বাড়তি খরচের প্রবণতা তৈরি হয়। পকেটে নগদ টাকা না থাকায় মানুষ অবচেতনভাবেই বাজেটের বাইরে চলে যায়। তাই কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে আগে থেকেই নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করে রাখুন। সম্ভব হলে কেনাকাটার সময় নগদ টাকা বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করাই শ্রেয়।
এর পাশাপাশি শিশুদের কেনাকাটার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট বাজেট রাখবেন। শিশুদের নানা আবদার সামলাতে গিয়ে অনেক সময় মা-বাবার বাজেট কমে যায়। তাই বাজারে যাওয়ার আগেই সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন এবং তার জন্য কয়টি পোশাক বা খেলনা কেনা হবে তা নির্দিষ্ট করে দিন।
কোরবানি ঈদের প্রধান খরচটি হয় পশুর হাটে। গরু বা ছাগল কিনতে বাজেটের একটা বড় অংশ বরাদ্দ রাখতে হয়। তাই পোশাক বা খাবারের পেছনে অতিরিক্ত খরচ করলে পশুর হাটে গিয়ে আর্থিক সমস্যায় পড়তে পারেন।
এ ছাড়া শুধু ঈদের দিনের খরচ ভাবলে চলবে না, ঈদের পরের দিনগুলোর কথাও মাথায় রাখতে হবে। মনে রাখবেন, ঈদের ছুটি শেষ হলেই স্কুল-কলেজের বেতন, বাড়িভাড়া এবং অন্যান্য খরচ সামনে চলে আসবে। তাই বোনাস বা বেতনের পুরো টাকা ঈদের কেনাকাটায় শেষ না করে ভবিষ্যতের জন্য কিছু টাকা বাঁচিয়ে রাখুন।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১০ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৩ ঘণ্টা আগে