স্ট্রিম ডেস্ক

কথায় আছে, ‘অভাব থাকলে ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়।’ সংসারে অর্থের টানাটানি থাকলে দাম্পত্য সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়তে পারে। কারণ সংসারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানো থেকে শুরু করে ছোটখাটো শখ-আহ্লাদ পূরণ সবকিছুর সঙ্গেই অর্থের যোগ রয়েছে। আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য ঠিক না থাকলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। আর সংসারের সব আর্থিক বিষয়ে দুজনের মত এক হবে, এমনটাও আশা করা যায় না।
মাসের বাজার খরচ কত হবে, সন্তানকে কোন স্কুলে পড়ানো হবে, বাড়ি করবেন কি না, ভবিষ্যতের জন্য কতটা জমাবেন এসব নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আলোচনা বা মতভেদ হতেই পারে।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ পরিবারে মূলত একজনই আয় করেন। আবার কোথাও দুজনের আয় থাকলেও সংসারের টাকা-পয়সার দেখভাল করেন একজন। ফলে অর্থের ওপর কার কতটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে, অর্থের ব্যাপারে কে কতটা জানবেন কিংবা সংসারের বড় সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে নেওয়া হবে—এসব প্রশ্ন দাম্পত্য সম্পর্কের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে থাকে। তবে টাকা নিয়ে সব বিরোধ এক ধরনের নয়। কখনো তা হতে পারে সাধারণ মতবিরোধ, কখনো অবিশ্বস্ততা, আবার কখনো অন্যের ওপর কর্তৃত্ব করার চেষ্টা।
এই দুইয়ের পার্থক্য বোঝা জরুরি।
ফিন্যান্সিয়াল ইনফিডেলিটি বা আর্থিক অবিশ্বস্ততা বলতে মূলত বোঝায়, একজন সঙ্গী ইচ্ছা করে অন্যজনের কাছ থেকে কোনো আর্থিক বিষয় লুকিয়ে রাখছেন। ধরা যাক, স্বামী গোপনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন। সেখানে দিনের পর দিন অনেক ঋণ জমছে, কিন্তু স্ত্রী এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। অথবা স্ত্রী নিয়মিত কিছু টাকা আলাদা করে অন্য কোথাও খরচ করছেন বা জমা রাখছেন, কিন্তু স্বামীকে জানাচ্ছেন না।
কেউ হয়তো বড় অঙ্কের কেনাকাটা করছেন, কারও কাছে টাকা ধার দিচ্ছেন, জুয়ায় টাকা খরচ করছেন কিংবা এমনও হতে পারে, অতিরিক্ত আয়ের উৎস গোপন করছেন। এমন গোপনীয়তার পেছনে সব সময় যে সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্য থাকে, তা নয়। কেউ হয়তো ঋণ করার কারণে লজ্জিত। আবার কেউ হয়তো ভয় পাচ্ছেন, সত্যি বললে ঝগড়া হতে পারে। কেউ হয়তো নিজের ভুলের কথা স্বীকার করতেও সংকোচ বোধ করছেন।
কারণ যাই হোক, এ ধরনের গোপনীয়তা দাম্পত্য সম্পর্কে বিশ্বাস নষ্ট করতে পারে। সংসার চালানোর ক্ষেত্রে আর্থিক স্বচ্ছতা ও বোঝাপড়া থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সংসারের প্রায় প্রতিটি কাজেই টাকার প্রয়োজন হয়। সঙ্গী যদি টাকার ব্যাপারে অন্য সঙ্গীর কাছে পরিষ্কার না থাকেন, তবে এর প্রভাব সম্পর্কেও পড়তে পারে।
টাকা-পয়সার ব্যাপারে গোপনীয়তা রাখছেন মানেই তিনি সঙ্গীকে বিশ্বাস করছেন না বা তাঁর ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছেন—এমন নয়। তবে একজন সঙ্গী যদি অন্যজনকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন যে তাঁর নিজের কোনো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থাকে না, তাহলে সেটি আর সাধারণ তর্ক বা মতবিরোধ থাকে না।
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, স্ত্রী আয় করেন, কিন্তু তাঁর উপার্জনের পুরোটা স্বামী নিয়ন্ত্রণ করেন। অর্থাৎ স্ত্রী কত টাকা খরচ করবেন, কোথায় যাবেন, কাকে টাকা দেবেন সবকিছুর জন্য অনুমতি নিতে হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্ত্রীকে চাকরি করতে দেওয়া হয় না। এমনকি তাঁর চাকরি বা ব্যবসার সুযোগ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। আবার এমনও হয়, স্বামী বেতনের পুরো টাকা তুলে দেন স্ত্রীর হাতে। সেই টাকা কোথায় কতটা খরচ হবে, তা ঠিক করে দেন স্ত্রী। কেউ কেউ সঙ্গীকে সামান্য ‘হাতখরচ’ দেন, কিন্তু নিজেরা ইচ্ছেমতো টাকা খরচ করেন।
পরিবারের ব্যাংক হিসাব, সঞ্চয়, ঋণ বা সম্পদের বিষয়ে অন্য সঙ্গীকে কিছুই জানানো হয় না। এসব আচরণের উদ্দেশ্য যদি হয় অন্যজনকে অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল করে রাখা বা তাঁর জীবনযাপন নিয়ন্ত্রণ করা, তাহলে সেটি আর্থিক নির্যাতনের লক্ষণ।
এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক সময় বুঝতেই পারেন না পরিবারের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা কী। কোথায় টাকা আছে, কত ঋণ আছে, কী সম্পদ রয়েছে কিছুই তাঁর জানা নেই।
বাংলাদেশের অনেক পরিবারেই একজন সঙ্গী সংসারের হিসাব রাখেন। এটি নিজে কোনো সমস্যা নয়। স্বামী হয়তো ব্যাংক, ঋণ ও বিনিয়োগ দেখছেন; স্ত্রী হয়তো সন্তান ও সংসারের অন্য বিষয় সামলাচ্ছেন। আবার উল্টো ঘটনাও হতে পারে।
সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন একজন জানতে চাইলে অন্যজন তথ্য দিতে চান না। একটি সুস্থ সম্পর্কে দায়িত্ব স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভাগাভাগি হতে পারে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক তথ্য গোপন করা উচিত নয়। আপনি যদি পরিবারের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আপনার সঙ্গীর উচিত বিষয়গুলো আপনাকে বোঝানো। ব্যাংক হিসাব, ঋণ, সঞ্চয়, বড় সম্পদ কিংবা নিয়মিত খরচ, এসব নিয়ে দুজনেরই অন্তত মৌলিক ধারণা থাকা দরকার।
আপনার দাম্পত্য সম্পর্কে আর্থিক স্বচ্ছতা আছে কি না, তা বোঝার জন্য কয়েকটি প্রশ্ন করা যেতে পারে। যেমন, আপনি কি জানেন পরিবারের টাকা ও সম্পদ কোথায় রাখা আছে? প্রয়োজনে আপনি কি নিজে কিছু টাকা ব্যবহার করতে পারেন? পরিবারের বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত কি দুজন মিলে নেন? সঙ্গীকে টাকা-পয়সা নিয়ে প্রশ্ন করতে কি আপনার ভয় লাগে? আর্থিক তথ্য জানতে চাইলে কি আপনাকে কখনো অপমানিত হতে হয়েছে?
এসব প্রশ্নের কোনো একটির উত্তর যদি ‘না’ হয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। তবে মনে রাখতে হবে, টাকা সংসারের প্রয়োজনীয় অংশ। কিন্তু টাকা যেন সম্পর্কের ওপর ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার অস্ত্র না হয়ে ওঠে, সেটি দুজনকেই খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পন্থা হলো খোলামেলা আলোচনা। সাংসারিক আয়-ব্যয়, সঞ্চয়, ঋণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নিয়মিত কথা বলা সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্কের লক্ষণ।
আর কোনো সম্পর্ক যদি অর্থনৈতিক নির্ভরতার কারণে অসহনীয় হয়ে ওঠে, তখন সমস্যাটিকে ছোট করে না দেখে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
লেখা: সাইকোলজি টুডে অবলম্বনে ফাবিহা বিনতে হক

কথায় আছে, ‘অভাব থাকলে ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়।’ সংসারে অর্থের টানাটানি থাকলে দাম্পত্য সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়তে পারে। কারণ সংসারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানো থেকে শুরু করে ছোটখাটো শখ-আহ্লাদ পূরণ সবকিছুর সঙ্গেই অর্থের যোগ রয়েছে। আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য ঠিক না থাকলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। আর সংসারের সব আর্থিক বিষয়ে দুজনের মত এক হবে, এমনটাও আশা করা যায় না।
মাসের বাজার খরচ কত হবে, সন্তানকে কোন স্কুলে পড়ানো হবে, বাড়ি করবেন কি না, ভবিষ্যতের জন্য কতটা জমাবেন এসব নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আলোচনা বা মতভেদ হতেই পারে।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ পরিবারে মূলত একজনই আয় করেন। আবার কোথাও দুজনের আয় থাকলেও সংসারের টাকা-পয়সার দেখভাল করেন একজন। ফলে অর্থের ওপর কার কতটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে, অর্থের ব্যাপারে কে কতটা জানবেন কিংবা সংসারের বড় সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে নেওয়া হবে—এসব প্রশ্ন দাম্পত্য সম্পর্কের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে থাকে। তবে টাকা নিয়ে সব বিরোধ এক ধরনের নয়। কখনো তা হতে পারে সাধারণ মতবিরোধ, কখনো অবিশ্বস্ততা, আবার কখনো অন্যের ওপর কর্তৃত্ব করার চেষ্টা।
এই দুইয়ের পার্থক্য বোঝা জরুরি।
ফিন্যান্সিয়াল ইনফিডেলিটি বা আর্থিক অবিশ্বস্ততা বলতে মূলত বোঝায়, একজন সঙ্গী ইচ্ছা করে অন্যজনের কাছ থেকে কোনো আর্থিক বিষয় লুকিয়ে রাখছেন। ধরা যাক, স্বামী গোপনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন। সেখানে দিনের পর দিন অনেক ঋণ জমছে, কিন্তু স্ত্রী এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। অথবা স্ত্রী নিয়মিত কিছু টাকা আলাদা করে অন্য কোথাও খরচ করছেন বা জমা রাখছেন, কিন্তু স্বামীকে জানাচ্ছেন না।
কেউ হয়তো বড় অঙ্কের কেনাকাটা করছেন, কারও কাছে টাকা ধার দিচ্ছেন, জুয়ায় টাকা খরচ করছেন কিংবা এমনও হতে পারে, অতিরিক্ত আয়ের উৎস গোপন করছেন। এমন গোপনীয়তার পেছনে সব সময় যে সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্য থাকে, তা নয়। কেউ হয়তো ঋণ করার কারণে লজ্জিত। আবার কেউ হয়তো ভয় পাচ্ছেন, সত্যি বললে ঝগড়া হতে পারে। কেউ হয়তো নিজের ভুলের কথা স্বীকার করতেও সংকোচ বোধ করছেন।
কারণ যাই হোক, এ ধরনের গোপনীয়তা দাম্পত্য সম্পর্কে বিশ্বাস নষ্ট করতে পারে। সংসার চালানোর ক্ষেত্রে আর্থিক স্বচ্ছতা ও বোঝাপড়া থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সংসারের প্রায় প্রতিটি কাজেই টাকার প্রয়োজন হয়। সঙ্গী যদি টাকার ব্যাপারে অন্য সঙ্গীর কাছে পরিষ্কার না থাকেন, তবে এর প্রভাব সম্পর্কেও পড়তে পারে।
টাকা-পয়সার ব্যাপারে গোপনীয়তা রাখছেন মানেই তিনি সঙ্গীকে বিশ্বাস করছেন না বা তাঁর ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছেন—এমন নয়। তবে একজন সঙ্গী যদি অন্যজনকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন যে তাঁর নিজের কোনো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থাকে না, তাহলে সেটি আর সাধারণ তর্ক বা মতবিরোধ থাকে না।
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, স্ত্রী আয় করেন, কিন্তু তাঁর উপার্জনের পুরোটা স্বামী নিয়ন্ত্রণ করেন। অর্থাৎ স্ত্রী কত টাকা খরচ করবেন, কোথায় যাবেন, কাকে টাকা দেবেন সবকিছুর জন্য অনুমতি নিতে হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্ত্রীকে চাকরি করতে দেওয়া হয় না। এমনকি তাঁর চাকরি বা ব্যবসার সুযোগ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। আবার এমনও হয়, স্বামী বেতনের পুরো টাকা তুলে দেন স্ত্রীর হাতে। সেই টাকা কোথায় কতটা খরচ হবে, তা ঠিক করে দেন স্ত্রী। কেউ কেউ সঙ্গীকে সামান্য ‘হাতখরচ’ দেন, কিন্তু নিজেরা ইচ্ছেমতো টাকা খরচ করেন।
পরিবারের ব্যাংক হিসাব, সঞ্চয়, ঋণ বা সম্পদের বিষয়ে অন্য সঙ্গীকে কিছুই জানানো হয় না। এসব আচরণের উদ্দেশ্য যদি হয় অন্যজনকে অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল করে রাখা বা তাঁর জীবনযাপন নিয়ন্ত্রণ করা, তাহলে সেটি আর্থিক নির্যাতনের লক্ষণ।
এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক সময় বুঝতেই পারেন না পরিবারের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা কী। কোথায় টাকা আছে, কত ঋণ আছে, কী সম্পদ রয়েছে কিছুই তাঁর জানা নেই।
বাংলাদেশের অনেক পরিবারেই একজন সঙ্গী সংসারের হিসাব রাখেন। এটি নিজে কোনো সমস্যা নয়। স্বামী হয়তো ব্যাংক, ঋণ ও বিনিয়োগ দেখছেন; স্ত্রী হয়তো সন্তান ও সংসারের অন্য বিষয় সামলাচ্ছেন। আবার উল্টো ঘটনাও হতে পারে।
সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন একজন জানতে চাইলে অন্যজন তথ্য দিতে চান না। একটি সুস্থ সম্পর্কে দায়িত্ব স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভাগাভাগি হতে পারে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক তথ্য গোপন করা উচিত নয়। আপনি যদি পরিবারের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আপনার সঙ্গীর উচিত বিষয়গুলো আপনাকে বোঝানো। ব্যাংক হিসাব, ঋণ, সঞ্চয়, বড় সম্পদ কিংবা নিয়মিত খরচ, এসব নিয়ে দুজনেরই অন্তত মৌলিক ধারণা থাকা দরকার।
আপনার দাম্পত্য সম্পর্কে আর্থিক স্বচ্ছতা আছে কি না, তা বোঝার জন্য কয়েকটি প্রশ্ন করা যেতে পারে। যেমন, আপনি কি জানেন পরিবারের টাকা ও সম্পদ কোথায় রাখা আছে? প্রয়োজনে আপনি কি নিজে কিছু টাকা ব্যবহার করতে পারেন? পরিবারের বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত কি দুজন মিলে নেন? সঙ্গীকে টাকা-পয়সা নিয়ে প্রশ্ন করতে কি আপনার ভয় লাগে? আর্থিক তথ্য জানতে চাইলে কি আপনাকে কখনো অপমানিত হতে হয়েছে?
এসব প্রশ্নের কোনো একটির উত্তর যদি ‘না’ হয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। তবে মনে রাখতে হবে, টাকা সংসারের প্রয়োজনীয় অংশ। কিন্তু টাকা যেন সম্পর্কের ওপর ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার অস্ত্র না হয়ে ওঠে, সেটি দুজনকেই খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পন্থা হলো খোলামেলা আলোচনা। সাংসারিক আয়-ব্যয়, সঞ্চয়, ঋণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নিয়মিত কথা বলা সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্কের লক্ষণ।
আর কোনো সম্পর্ক যদি অর্থনৈতিক নির্ভরতার কারণে অসহনীয় হয়ে ওঠে, তখন সমস্যাটিকে ছোট করে না দেখে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
লেখা: সাইকোলজি টুডে অবলম্বনে ফাবিহা বিনতে হক
.png)

মাসের শুরুতে বেতন হাতে পাওয়ার পর মনে হয়, এবার হিসাব করে খরচ করব। বাসাভাড়া, বাজার, বিল, যাতায়াতসহ সবকিছুর জন্য টাকা আলাদা করে রাখব। কিছু টাকা সঞ্চয়ও করব। কিন্তু মাস যত গড়াতে থাকে, হিসাব তত এলোমেলো হয়ে যায়। কোথায় কত টাকা খরচ হয়েছে, তার হিসাবও অনেক সময় আর মেলে না। মাস শেষে দেখা যায়, আয় শেষ, কিন্তু সঞ
২৮ আগস্ট ২০২৬
গরমকালে দিনে যেমন হাঁসফাঁস লাগে, রাতে বিছানায় গেলেও যেন স্বস্তি মেলে না। লোডশেডিং থাকলে ঘুমানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমন অস্বস্তি থেকে বাঁচতে নানা কৌশল ব্যবহার করেন মানুষ। এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে ‘ইজিপশিয়ান স্লিপ মেথড’। এই পদ্ধতিতে রাতে ঘুমানোর সময় চাদর বা তোয়ালে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে
২৫ আগস্ট ২০২৬
বেতন হাতে পেয়েই মনে হয়, এবার কিছু টাকা ঠিকই জমাব। কিন্তু কয়েক দিন যেতে না যেতেই শুরু হয় খরচের মিছিল। বাসাভাড়া, বাজার, বিদ্যুৎ-গ্যাসের বিল, যাতায়াত, কেনাকাটা; একে একে টাকা খরচ হতে থাকে। দেখতে দেখতে মাস শেষ, অথচ সঞ্চয়ের খাতায় যোগ হয়নি কিছুই। এভাবেই মাসের পর মাস কেটে যায়, কিন্তু সঞ্চয় আর হয়ে ওঠে না।
২১ আগস্ট ২০২৬
বিয়ের সবচেয়ে পরিচিত রীতিগুলোর একটি হলো বিয়ের আংটি পরানো। সাধারণত সেই আংটি পরানো হয় বাম হাতের অনামিকা আঙুলে। বিশেষ করে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে বাগদান বা বিয়ের পর অনেক জুটিই এই আঙুলে আংটি পরেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিয়ের আংটি অন্য কোনো আঙুলে না পরে অনামিকাতেই কেন পরানো হয়? শুধু কি দেখতে সুন্দর লাগে বলে?
২০ আগস্ট ২০২৬