একটু সচেতন হয়ে রুটিনটা নতুন করে গুছিয়ে নিলে রমজান মাসেও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা সম্ভব। চলুন জেনে নিই এই পরিবর্তিত রুটিনের সঙ্গে ঘুমের সময় মানিয়ে নেওয়ার কিছু কার্যকর উপায়।
স্ট্রিম ডেস্ক

রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও সংযমের। এ মাসে আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে, বিশেষ করে ঘুমের সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসাটাই স্বাভাবিক। রাতে তারাবি, শেষ রাতে সেহরি করে ভোরে নামাজের জন্য টানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের সময় হয় না। ফলে দিনের বেলা ক্লান্ত লাগা, মাথাব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা কাজে মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে একটু সচেতন হয়ে রুটিনটা নতুন করে গুছিয়ে নিলে রমজান মাসেও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা সম্ভব। চলুন জেনে নিই এই পরিবর্তিত রুটিনের সঙ্গে ঘুমের সময় মানিয়ে নেওয়ার কিছু কার্যকর উপায়।
রমজানে টানা দীর্ঘ সময় ঘুমানোর সুযোগ কম থাকে, তাই ঘুমকে কয়েক ভাগে ভাগ করে নেওয়া ভালো। একে বলা হয় ‘পলিফ্যাজিক স্লিপ’, অর্থাৎ ভাগ করে ঘুমানো। তারাবি ও রাতের খাবার শেষ করে অযথা মোবাইল বা টিভি দেখে দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন।
এতে সেহরির আগে অন্তত ৩–৪ ঘণ্টা একটানা ঘুম পাওয়া যাবে। এরপর সেহরি ও ফজরের নামাজ শেষে যদি সম্ভব হয়, কাজ বা ক্লাস শুরু হওয়ার আগে আরও ২–৩ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এভাবে ভাগ করে ঘুমালেও শরীর প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পায় এবং দিনের ক্লান্তি অনেকটাই কমে।
দুপুরের দিকে বা জোহরের নামাজের পর ২০ থেকে ৩০ মিনিটের ঘুম বা ‘পাওয়ার ন্যাপ’ নিতে পারেন। এই ঘুম আপনার সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে শরীর ও মস্তিষ্ককে পুনরায় সতেজ করে তুলতে ভূমিকা রাখে।
তবে খেয়াল রাখবেন, এই ঘুম যেন কোনোভাবেই ১ ঘণ্টার বেশি দীর্ঘ না হয়। কারণ দুপুরে বেশি ঘুমালে শরীর আরও অলস হয়ে পড়ে এবং রাতের স্বাভাবিক ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
ক্লান্তি কাটাতে অনেকেই ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত বারবার চা বা কফি পান করেন। কিন্তু চা-কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্কের ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়।
এর প্রভাব কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে, ফলে গভীর ঘুম আসতে দেরি হয়। তাই রাতে ভালো ঘুম চাইলে তারাবির পর বা সেহরির সময় চা-কফি এড়িয়ে চলাই ভালো।
খাদ্যাভ্যাসও ঘুমের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। ইফতার বা রাতের খাবারে অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও ঝাল-মশলাযুক্ত ভারী খাবার খেলে বদহজম বা বুক জ্বালাপোড়া হতে পারে, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
তাই রাতের খাবার হালকা ও সহজপাচ্য রাখা উচিত। চেষ্টা করুন ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে খাওয়া শেষ করতে। এতে খাবার হজমের জন্য শরীর সময় পায় এবং ঘুমও আরামদায়ক হয়।
যতটুকু ঘুমাবেন তার মান বা কোয়ালিটি যেন ভালো হয় সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। আপনার ঘুমানোর জায়গাটি শান্ত, শীতল এবং অন্ধকার রাখার চেষ্টা করুন। সেহরির পর সকালে ঘুমানোর সময় চোখে আলো লাগলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, তাই ঘরের জানালায় ভারী পর্দা বা আই-মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।
এ ছাড়া ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা টিভি স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন। এতে ঘুম ভালো হবে।
রোজার মাসেও প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার এবং ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। এমনকি ছুটির দিনেও এই রুটিনের খুব একটা ব্যতিক্রম করবেন না। যেমন আপনার ঘুমানোর অভ্যাস রাত ১১টা থেকে ৭টা পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে ১১টায় শুয়ে পড়ুন। তবে ঘুম থেকে ওঠার সময় একটু বাড়াতে পারেন।
ঘুমের সময় ঠিক রাখলে আপনার শরীরের ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ বা খুব দ্রুত এই নতুন রুটিনের সাথে মানিয়ে নিতে পারবে এবং কয়েক দিন পরই ক্লান্তিভাব কেটে যাবে।

রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও সংযমের। এ মাসে আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে, বিশেষ করে ঘুমের সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসাটাই স্বাভাবিক। রাতে তারাবি, শেষ রাতে সেহরি করে ভোরে নামাজের জন্য টানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের সময় হয় না। ফলে দিনের বেলা ক্লান্ত লাগা, মাথাব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা কাজে মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তবে একটু সচেতন হয়ে রুটিনটা নতুন করে গুছিয়ে নিলে রমজান মাসেও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা সম্ভব। চলুন জেনে নিই এই পরিবর্তিত রুটিনের সঙ্গে ঘুমের সময় মানিয়ে নেওয়ার কিছু কার্যকর উপায়।
রমজানে টানা দীর্ঘ সময় ঘুমানোর সুযোগ কম থাকে, তাই ঘুমকে কয়েক ভাগে ভাগ করে নেওয়া ভালো। একে বলা হয় ‘পলিফ্যাজিক স্লিপ’, অর্থাৎ ভাগ করে ঘুমানো। তারাবি ও রাতের খাবার শেষ করে অযথা মোবাইল বা টিভি দেখে দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন।
এতে সেহরির আগে অন্তত ৩–৪ ঘণ্টা একটানা ঘুম পাওয়া যাবে। এরপর সেহরি ও ফজরের নামাজ শেষে যদি সম্ভব হয়, কাজ বা ক্লাস শুরু হওয়ার আগে আরও ২–৩ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এভাবে ভাগ করে ঘুমালেও শরীর প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পায় এবং দিনের ক্লান্তি অনেকটাই কমে।
দুপুরের দিকে বা জোহরের নামাজের পর ২০ থেকে ৩০ মিনিটের ঘুম বা ‘পাওয়ার ন্যাপ’ নিতে পারেন। এই ঘুম আপনার সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে শরীর ও মস্তিষ্ককে পুনরায় সতেজ করে তুলতে ভূমিকা রাখে।
তবে খেয়াল রাখবেন, এই ঘুম যেন কোনোভাবেই ১ ঘণ্টার বেশি দীর্ঘ না হয়। কারণ দুপুরে বেশি ঘুমালে শরীর আরও অলস হয়ে পড়ে এবং রাতের স্বাভাবিক ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
ক্লান্তি কাটাতে অনেকেই ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত বারবার চা বা কফি পান করেন। কিন্তু চা-কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্কের ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়।
এর প্রভাব কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে, ফলে গভীর ঘুম আসতে দেরি হয়। তাই রাতে ভালো ঘুম চাইলে তারাবির পর বা সেহরির সময় চা-কফি এড়িয়ে চলাই ভালো।
খাদ্যাভ্যাসও ঘুমের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। ইফতার বা রাতের খাবারে অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও ঝাল-মশলাযুক্ত ভারী খাবার খেলে বদহজম বা বুক জ্বালাপোড়া হতে পারে, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
তাই রাতের খাবার হালকা ও সহজপাচ্য রাখা উচিত। চেষ্টা করুন ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে খাওয়া শেষ করতে। এতে খাবার হজমের জন্য শরীর সময় পায় এবং ঘুমও আরামদায়ক হয়।
যতটুকু ঘুমাবেন তার মান বা কোয়ালিটি যেন ভালো হয় সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। আপনার ঘুমানোর জায়গাটি শান্ত, শীতল এবং অন্ধকার রাখার চেষ্টা করুন। সেহরির পর সকালে ঘুমানোর সময় চোখে আলো লাগলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, তাই ঘরের জানালায় ভারী পর্দা বা আই-মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।
এ ছাড়া ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা টিভি স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন। এতে ঘুম ভালো হবে।
রোজার মাসেও প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার এবং ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। এমনকি ছুটির দিনেও এই রুটিনের খুব একটা ব্যতিক্রম করবেন না। যেমন আপনার ঘুমানোর অভ্যাস রাত ১১টা থেকে ৭টা পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে ১১টায় শুয়ে পড়ুন। তবে ঘুম থেকে ওঠার সময় একটু বাড়াতে পারেন।
ঘুমের সময় ঠিক রাখলে আপনার শরীরের ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ বা খুব দ্রুত এই নতুন রুটিনের সাথে মানিয়ে নিতে পারবে এবং কয়েক দিন পরই ক্লান্তিভাব কেটে যাবে।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৮ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
২১ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১ দিন আগে