এবারের ঈদে মানুষ কোন দিকে বেশি ঝুঁকছে—অনলাইন নাকি অফলাইন? ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে উঠে এসেছে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র।
ফাবিহা বিনতে হক

ঈদের আনন্দ শুরু হয় মূলত কেনাকাটার মাধ্যমেই। আগে ঈদের শপিং মানেই ছিল দল বেঁধে মার্কেটে যাওয়া, এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরে দরদাম করা আর পছন্দের পোশাক কিনে বাড়ি ফেরা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে মানুষের ব্যস্ততাও বেড়েছে। ফলে কেনাকাটার ধরনেও এসেছে পরিবর্তন।
এখন অনেকেই যানজট আর ভিড় এড়িয়ে ঘরে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে ঈদের পোশাক থেকে শুরু করে রান্নার মশলা পর্যন্ত কিনে ফেলছেন। এক ক্লিকেই অর্ডার করা যায় সবকিছু। তাই বড় বড় ব্র্যান্ডের দোকান বা শপিং মলের পাশাপাশি ই–কমার্স সাইট ও ফেসবুক পেজেও এখন বেশ জমজমাট কেনা-বেচা চলছে।
এবারের ঈদে মানুষ আসলে কোন দিকে বেশি ঝুঁকছে—অনলাইন নাকি অফলাইন? ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে উঠে এসেছে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র।
অনেক ক্রেতাই মনে করেন, পোশাক কেনার ক্ষেত্রে অফলাইন শপিংয়ের আলাদা সুবিধা আছে। নিজের চোখে কাপড়ের রং দেখা, হাতে ছুঁয়ে মান বোঝা এবং ঠিকমতো ফিট হবে কি না—এসব বিষয় যাচাই করার সুযোগ অনলাইনে পাওয়া যায় না। তাই অনেকেই এখনও ঈদের পোশাক মার্কেটে গিয়েই কিনতে পছন্দ করেন। এ বিষয়ে কথা হয় কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে।
তাঁদের মধ্যে একজন বলেন, ‘ঈদের কেনাকাটা আমি সব সময় মার্কেট থেকেই করি। অনলাইনে ছবিতে কাপড় যেমন সুন্দর দেখায়, ডেলিভারি পাওয়ার পর বাস্তবে অনেক সময় রং বা কাপড়ের মান তেমন হয় না। তাই একটু ভিড় বা যানজট ঠেলে হলেও আমি শপিং মলে গিয়ে দেখেশুনেই কাপড় কেনাটা বেশি পছন্দ করি।’
তবে অনেকেই আবার কেনাকাটার ক্ষেত্রে দুই ধরনের মাধ্যমই ব্যবহার করছেন। পোশাকের ক্ষেত্রে তাঁরা মার্কেটে যাচ্ছেন, কিন্তু কসমেটিকস বা সাজসজ্জার জিনিস কিনছেন অনলাইন থেকে। শিক্ষার্থী তৃষার কেনাকাটার ধরনটি ঠিক এমনই।

তৃষা জানান, ‘জামাকাপড়ের ক্ষেত্রে আমি কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। কারণ এখানে সাইজ বা ফিটিংয়ের একটা বড় ব্যাপার থাকে। তাই পোশাকটা আমি সব সময় শপিং মল বা পরিচিত বুটিক শপ থেকে দেখেশুনেই কিনি। কিন্তু কসমেটিকস, জুয়েলারি বা অন্যান্য সাজসজ্জার জন্য আমি পুরোপুরি অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল।’
শুধু জামাকাপড় বা সাজসজ্জার ক্ষেত্রেই নয়, ঈদের রান্নার জন্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের জন্যও অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল কেউ কেউ। বিশেষ করে কর্মজীবী নারীরা রান্নাঘরের কাজকে সহজ করতে বিভিন্ন বিশ্বস্ত অনলাইন পেজের উপর ভরসা করছেন।
সংবাদকর্মী দুনিয়া জাহান বলেন, ‘আমি ঈদের শপিং অনলাইন থেকেই করতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি। রোজা রেখে এই গরমে বা যানজট ঠেলে বাইরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে বা এনার্জি আমার থাকে না। শুধু যে নিজের বা পরিবারের জামাকাপড় কিনছি তা নয়, ঈদের জন্য প্রয়োজনীয় বাজার, এমনকি রান্নার মশলাপাতি পর্যন্ত আমি এখন অনলাইন থেকে অর্ডার করে কিনে নিই। এতে আমার অনেক সময় বেঁচে যায়, আর রোজার দিনে কষ্টও কম হয়।’
নারীদের পাশাপাশি ছেলেদের কেনাকাটার ধরনেও অনলাইনের প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এখন অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যম মিলিয়েই কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।
ফারুক হোসেন যেমন এবারের ঈদের কেনাকাটা দুই জায়গা থেকেই করার পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর মতে, অনেক সময় অনলাইন ও অফলাইনে একই পণ্যের দাম ভিন্ন হতে পারে। তাই কোথায় ভালো মানের পণ্য সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যাচ্ছে, সেটি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তিনি বলেন, ‘অনলাইন ও অফলাইনে অনেক সময় একই পণ্যের দাম আলাদা থাকে। তাই দেখে–শুনে যেখান থেকে ভালো মানের পণ্য কম দামে পাবো, সেখান থেকেই কিনব।’

বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া সাগর সরকারের গল্পটা আবার একটু ভিন্ন। তিনি সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু ব্র্যান্ডের পোশাক পরেন। সেই ব্র্যান্ডগুলোর প্রায় সবকটিরই নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ আছে, যেখানে অনলাইনেও কেনাকাটার সুযোগ থাকে। তাই শোরুমে গিয়ে ভিড়ের মধ্যে কেনাকাটা করার বদলে অনলাইনে অর্ডার করাই তাঁর কাছে বেশি সুবিধাজনক মনে হয়।
সাগর বলেন, ‘শোরুমে গিয়ে ভিড় ঠেলে কেনার চেয়ে অনলাইনে অর্ডার করাই আমার কাছে সহজ লাগে। ডেলিভারি চার্জ গেলেও এতে অনেক সময় বাঁচে।’
তবে সবাই যে অনলাইন কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তা নয়। বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আজাজ সিফাত বলেন, ‘ঈদের কেনাকাটায় আমি অনলাইনের ওপর খুব একটা ভরসা করতে পারি না। দু-একবার করেছি, কিন্তু অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না।’
ক্রেতাদের এই পরিবর্তিত অভ্যাসের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বিক্রেতাদের ওপর। অনলাইন ও অফলাইন—দুই ক্ষেত্রেই এবারের ঈদের বাজার নিয়ে বিক্রেতারা আশাবাদী। অনেকের মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির ইতিবাচক প্রভাবও ব্যবসায় পড়ছে।
অনলাইন পোশাকের ফেসবুক পেজ ‘আফাফ ক্রিয়েশন’-এর স্বত্বাধিকারী আরিফা খাতুন এবারের বিক্রি নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট। ব্যবসার সার্বিক অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‘গত দুই বছরের তুলনায় এবার ঈদে আমাদের বেচাকেনা বেশ ভালো হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে নানা কথা থাকলেও উৎসবে মানুষ ঠিকই কেনাকাটা করছেন। আমাদের যারা রেগুলার কাস্টমার, তাঁরা তো কিনছেনই, সেই সঙ্গে অনেক নতুন ক্রেতাও আমাদের পেজ থেকে কেনাকাটা করছেন। অনলাইনে মানুষের আস্থা যে দিন দিন বাড়ছে, তার প্রমাণ আমরা এবারের বিক্রি দেখেই বুঝতে পারছি।’
অন্যদিকে অফলাইনের চিত্রটাও বেশ জমজমাট। নামিদামি ব্র্যান্ডের শোরুমগুলোতেও ক্রেতাদের ভালো ভিড় দেখা যাচ্ছে। জনপ্রিয় পোশাকের ব্র্যান্ড ‘আমিরা’-এর একজন বিক্রয়কর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবারের ঈদে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশ আশাব্যঞ্জক। তিনি বলেন, ‘মার্কেটে এখন অনেক ক্রেতা আসছেন। পোশাকের মান ও ডিজাইন পছন্দ হলে দাম একটু বেশি হলেও ক্রেতারা বেশ আনন্দের সঙ্গেই কেনাকাটা করছেন।’

ঈদের আনন্দ শুরু হয় মূলত কেনাকাটার মাধ্যমেই। আগে ঈদের শপিং মানেই ছিল দল বেঁধে মার্কেটে যাওয়া, এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরে দরদাম করা আর পছন্দের পোশাক কিনে বাড়ি ফেরা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে মানুষের ব্যস্ততাও বেড়েছে। ফলে কেনাকাটার ধরনেও এসেছে পরিবর্তন।
এখন অনেকেই যানজট আর ভিড় এড়িয়ে ঘরে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে ঈদের পোশাক থেকে শুরু করে রান্নার মশলা পর্যন্ত কিনে ফেলছেন। এক ক্লিকেই অর্ডার করা যায় সবকিছু। তাই বড় বড় ব্র্যান্ডের দোকান বা শপিং মলের পাশাপাশি ই–কমার্স সাইট ও ফেসবুক পেজেও এখন বেশ জমজমাট কেনা-বেচা চলছে।
এবারের ঈদে মানুষ আসলে কোন দিকে বেশি ঝুঁকছে—অনলাইন নাকি অফলাইন? ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে উঠে এসেছে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র।
অনেক ক্রেতাই মনে করেন, পোশাক কেনার ক্ষেত্রে অফলাইন শপিংয়ের আলাদা সুবিধা আছে। নিজের চোখে কাপড়ের রং দেখা, হাতে ছুঁয়ে মান বোঝা এবং ঠিকমতো ফিট হবে কি না—এসব বিষয় যাচাই করার সুযোগ অনলাইনে পাওয়া যায় না। তাই অনেকেই এখনও ঈদের পোশাক মার্কেটে গিয়েই কিনতে পছন্দ করেন। এ বিষয়ে কথা হয় কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে।
তাঁদের মধ্যে একজন বলেন, ‘ঈদের কেনাকাটা আমি সব সময় মার্কেট থেকেই করি। অনলাইনে ছবিতে কাপড় যেমন সুন্দর দেখায়, ডেলিভারি পাওয়ার পর বাস্তবে অনেক সময় রং বা কাপড়ের মান তেমন হয় না। তাই একটু ভিড় বা যানজট ঠেলে হলেও আমি শপিং মলে গিয়ে দেখেশুনেই কাপড় কেনাটা বেশি পছন্দ করি।’
তবে অনেকেই আবার কেনাকাটার ক্ষেত্রে দুই ধরনের মাধ্যমই ব্যবহার করছেন। পোশাকের ক্ষেত্রে তাঁরা মার্কেটে যাচ্ছেন, কিন্তু কসমেটিকস বা সাজসজ্জার জিনিস কিনছেন অনলাইন থেকে। শিক্ষার্থী তৃষার কেনাকাটার ধরনটি ঠিক এমনই।

তৃষা জানান, ‘জামাকাপড়ের ক্ষেত্রে আমি কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। কারণ এখানে সাইজ বা ফিটিংয়ের একটা বড় ব্যাপার থাকে। তাই পোশাকটা আমি সব সময় শপিং মল বা পরিচিত বুটিক শপ থেকে দেখেশুনেই কিনি। কিন্তু কসমেটিকস, জুয়েলারি বা অন্যান্য সাজসজ্জার জন্য আমি পুরোপুরি অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল।’
শুধু জামাকাপড় বা সাজসজ্জার ক্ষেত্রেই নয়, ঈদের রান্নার জন্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের জন্যও অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল কেউ কেউ। বিশেষ করে কর্মজীবী নারীরা রান্নাঘরের কাজকে সহজ করতে বিভিন্ন বিশ্বস্ত অনলাইন পেজের উপর ভরসা করছেন।
সংবাদকর্মী দুনিয়া জাহান বলেন, ‘আমি ঈদের শপিং অনলাইন থেকেই করতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি। রোজা রেখে এই গরমে বা যানজট ঠেলে বাইরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে বা এনার্জি আমার থাকে না। শুধু যে নিজের বা পরিবারের জামাকাপড় কিনছি তা নয়, ঈদের জন্য প্রয়োজনীয় বাজার, এমনকি রান্নার মশলাপাতি পর্যন্ত আমি এখন অনলাইন থেকে অর্ডার করে কিনে নিই। এতে আমার অনেক সময় বেঁচে যায়, আর রোজার দিনে কষ্টও কম হয়।’
নারীদের পাশাপাশি ছেলেদের কেনাকাটার ধরনেও অনলাইনের প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এখন অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যম মিলিয়েই কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।
ফারুক হোসেন যেমন এবারের ঈদের কেনাকাটা দুই জায়গা থেকেই করার পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর মতে, অনেক সময় অনলাইন ও অফলাইনে একই পণ্যের দাম ভিন্ন হতে পারে। তাই কোথায় ভালো মানের পণ্য সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যাচ্ছে, সেটি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তিনি বলেন, ‘অনলাইন ও অফলাইনে অনেক সময় একই পণ্যের দাম আলাদা থাকে। তাই দেখে–শুনে যেখান থেকে ভালো মানের পণ্য কম দামে পাবো, সেখান থেকেই কিনব।’

বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া সাগর সরকারের গল্পটা আবার একটু ভিন্ন। তিনি সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু ব্র্যান্ডের পোশাক পরেন। সেই ব্র্যান্ডগুলোর প্রায় সবকটিরই নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ আছে, যেখানে অনলাইনেও কেনাকাটার সুযোগ থাকে। তাই শোরুমে গিয়ে ভিড়ের মধ্যে কেনাকাটা করার বদলে অনলাইনে অর্ডার করাই তাঁর কাছে বেশি সুবিধাজনক মনে হয়।
সাগর বলেন, ‘শোরুমে গিয়ে ভিড় ঠেলে কেনার চেয়ে অনলাইনে অর্ডার করাই আমার কাছে সহজ লাগে। ডেলিভারি চার্জ গেলেও এতে অনেক সময় বাঁচে।’
তবে সবাই যে অনলাইন কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তা নয়। বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আজাজ সিফাত বলেন, ‘ঈদের কেনাকাটায় আমি অনলাইনের ওপর খুব একটা ভরসা করতে পারি না। দু-একবার করেছি, কিন্তু অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না।’
ক্রেতাদের এই পরিবর্তিত অভ্যাসের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বিক্রেতাদের ওপর। অনলাইন ও অফলাইন—দুই ক্ষেত্রেই এবারের ঈদের বাজার নিয়ে বিক্রেতারা আশাবাদী। অনেকের মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির ইতিবাচক প্রভাবও ব্যবসায় পড়ছে।
অনলাইন পোশাকের ফেসবুক পেজ ‘আফাফ ক্রিয়েশন’-এর স্বত্বাধিকারী আরিফা খাতুন এবারের বিক্রি নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট। ব্যবসার সার্বিক অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‘গত দুই বছরের তুলনায় এবার ঈদে আমাদের বেচাকেনা বেশ ভালো হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে নানা কথা থাকলেও উৎসবে মানুষ ঠিকই কেনাকাটা করছেন। আমাদের যারা রেগুলার কাস্টমার, তাঁরা তো কিনছেনই, সেই সঙ্গে অনেক নতুন ক্রেতাও আমাদের পেজ থেকে কেনাকাটা করছেন। অনলাইনে মানুষের আস্থা যে দিন দিন বাড়ছে, তার প্রমাণ আমরা এবারের বিক্রি দেখেই বুঝতে পারছি।’
অন্যদিকে অফলাইনের চিত্রটাও বেশ জমজমাট। নামিদামি ব্র্যান্ডের শোরুমগুলোতেও ক্রেতাদের ভালো ভিড় দেখা যাচ্ছে। জনপ্রিয় পোশাকের ব্র্যান্ড ‘আমিরা’-এর একজন বিক্রয়কর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবারের ঈদে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশ আশাব্যঞ্জক। তিনি বলেন, ‘মার্কেটে এখন অনেক ক্রেতা আসছেন। পোশাকের মান ও ডিজাইন পছন্দ হলে দাম একটু বেশি হলেও ক্রেতারা বেশ আনন্দের সঙ্গেই কেনাকাটা করছেন।’
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৭ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
২০ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
২১ ঘণ্টা আগে