বৈশাখের প্রথম দিনে নববর্ষ উদযাপনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে প্রথমবারের মত অগ্রহায়ণের শুরুতে ‘নববর্ষ’ উদযাপন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু)। এই উৎসবের অংশ হিসেবে আনন্দ শোভাযাত্রা হয়। এই শোভাযাত্রায় বাংলার লোকজ সমাজের সাংস্কৃতিক উপাদান উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি মোটিফ প্রস্তুত করা হয়েছে। নানা সাজে শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রদক্ষিণ করে চারুকলায় গিয়ে শেষ হয়। ‘বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্য’ এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী ‘আদি নববর্ষের’ উৎসব আয়োজন করে ডাকসু।
আশরাফুল আলম



‘আদি নববর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা

শোভাযাত্রায় ছিল ব্যান্ডপার্টি

পালকির ভেতরে কনে

নবান্নের ধান নিয়ে তরুণী ও একতারা হাতে বাউল

কৃত্রিম ধান রোপণ করার সাজে কৃষকেরা

শোভাযাত্রায় নিয়ে যাওয়া জেলের মোটিফ

‘আদি নববর্ষ’ উদযাপন মঞ্চে সেলফি তুলছেন এক তরুণী

আনন্দ শোভাযাত্রায় চলছে

বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি

রমজান মাসে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতিদিন জড়ো হন হাজারো রোজাদার। মসজিদ প্রাঙ্গণে বড় বড় থালায় সাজানো থাকে মুড়ি, ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, জিলাপি ও ফল। বিভিন্ন দাতব্য সংগঠন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই গণইফতারে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার মানুষ অংশ নেন।
৬ ঘণ্টা আগে
অমর একুশে বইমেলায় শুক্রবার ছিল তৃতীয় শিশুপ্রহর। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের শিশু চত্বরে সকাল থেকেই ভিড় জমাতে শুরু করে শিশু-কিশোরেরা; সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকেরাও। ছোটদের জন্য সাজানো এই বিশেষ সময়ে বায়োস্কোপ, পাপেট থিয়েটার, গল্প বলা, ছবি আঁকা ও নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
৫ দিন আগে
বসন্তের আবহে দোল পূর্ণিমা ও হোলি উৎসবে প্রেমের ছোঁয়ায় রঙিন হয়ে উঠেছে চারপাশ। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা রঙ উড়িয়ে ও নাচানাচির মাধ্যমে উদযাপন করছেন আনন্দের এই আয়োজন।
৮ দিন আগে
পুরান ঢাকার ইফতারি মানেই ঐতিহ্যের স্বাদ। এখানের ইফতারির বৈচিত্র্য অন্য সব এলাকা থেকে আলাদা। চকবাজারে ইফতারসামগ্রীর বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। ক্রেতা–বিক্রেতার ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে শাহি মসজিদের সামনে সার্কুলার রোডের দুই পাশজুড়ে গড়ে ওঠা ঐতিহ্যবাহী এই ইফতারির বাজার।
১৬ দিন আগে