ফটো নিউজ/গাবতলীর পশুর হাটে এক বিকেল

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখর রাজধানীর গাবতলীর ঐতিহাসিক পশুর হাট। তবে বৃষ্টির কারণে হাটের পরিবেশ কিছুটা কর্দমাক্ত ও ভ্যাপসা গরম থাকলেও মানুষের উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি।

একদিকে যেমন পছন্দের পশু কিনতে পেরে ক্রেতাদের মুখে তৃপ্তির হাসি দেখা গেছে, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় অনেক বিক্রেতার চোখেমুখে ছিল হতাশার ছাপ। গাবতলীর হাট শুধু কেনাবেচার স্থান নয়, বরং ঈদ আনন্দ, মানুষের আবেগ আর নানা অভিজ্ঞতার এক জীবন্ত ক্যানভাস। হাট ঘুরে স্ট্রিম পাঠকদের জন্য ছবি তুলেছেন তাহমিনা আক্তার।

প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৬, ২১: ৩৫
মায়া ও ভালোবাসার মেলবন্ধন: দীর্ঘ অপেক্ষার পর নিজের পছন্দের গরুটি কিনতে পেরে উচ্ছ্বসিত ছোট্ট ছেলেটি। আর অবলা প্রাণীটিও যেন তার আদরের স্পর্শ পেতে শান্ত হয়ে মাথা পেতে দিয়েছে।
অপেক্ষার প্রহর ও হতাশা: হাটে ক্রেতার আনাগোনা থাকলেও কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না। তাই লালন-পালন করা গরুর উপযুক্ত দাম না পাওয়ার চিন্তায় এক বিক্রেতার চোখেমুখে স্পষ্ট উদাস দৃষ্টি।
ক্লান্তিতে নুয়ে পড়া: দীর্ঘ যাত্রার পর আর হাটের পরিবেশে ক্লান্ত হয়ে কাদার মধ্যেই শুয়ে পড়েছে গরুটি। তাকে কোনোমতে টেনে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন একজন।
তৃপ্তির হাসি নিয়ে ফেরা: হাটের কাদা আর ভিড় পেরিয়ে, বহু দরদামের পর অবশেষে সাধ্যের মধ্যে পছন্দের কোরবানির পশুটি কিনতে পেরে হাসিমুখে বাড়ির পথে ফিরছেন এক ক্রেতা।
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস: ভ্যাপসা গরমে আর হাটের ভিড়ে ক্লান্ত হয়ে হঠাৎ লুটিয়ে পড়েছে একটি বিশাল আকারের গরু। তাকে সুস্থ করে তুলতে ও দাঁড় করাতে সবাই মিলে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।

সম্পর্কিত