মুর্তজা বশীর (১৭ আগস্ট ১৯৩২—১৫ আগস্ট ২০২০) বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিল্পীদের একজন। বিভিন্ন দেশেও তাঁর খ্যাতি রয়েছে। বাংলাদেশের চিত্রকলা সম্পর্কে বুঝতে হলে তাকে জানতেই হবে। তাঁর শিল্পের পাঠ ও রাজনীতির দীক্ষা ঠিক একই সময়। ১৯৫০-এর দশকে ভাষা আন্দোলনের আগুনে সারা দেশ জ্বলছিল । সেই আন্দোলনে তিনি যোগ দেন। মুর্তজা বশীরের বাবা ছিলেন বাঙালি সমাজের গর্বের প্রতীক বহুভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। শিল্পী মুর্তজা বশীর সবসময়ই ছিলেন একজন গোছানো মানুষ। তিনি ছিলেন শিল্পী ও সংগ্রাহক। নিজ হাতে তোলা আলোকচিত্র, নিজের আঁকা ছবি ও আত্মপ্রতিকৃতি, ব্যবহৃত জিনিসপত্রসহ বহু দুর্লভ জিনিস পরম যত্নে সংরক্ষণ করেছেন তিনি। মুর্তজা বশীর ট্রাস্টের অধীনে থাকা শিল্পীর সেই সংগ্রহশালার একাংশের ছবি এখানে তুলে ধরা হলো।
আশরাফুল আলম



শিল্পীর বিছানা

তাঁর সংগ্রহের মুদ্রা, স্ট্যাম্প ও পুঁথি

শিল্পীর ঘড়ি ও চশমা

ব্যবহৃত পাইপ ও সিগারেটের বাক্স

তাঁর মানিব্যাগ, আংটি, ব্রেসলট

শিল্পী মুর্তজা বশীরের আঁকা ছবি

তিনি পেয়েছেন নানা আন্তর্জাতিক পুরস্কার

তাঁর লেখা বেশ কিছু বই

শিল্পী মুর্তজা বশীর ও তাঁর পরিবারের আলোকচিত্র

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখর রাজধানীর গাবতলীর ঐতিহাসিক পশুর হাট। তবে বৃষ্টির কারণে হাটের পরিবেশ কিছুটা কর্দমাক্ত ও ভ্যাপসা গরম থাকলেও মানুষের উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি।
১৫ দিন আগে
ঈদের ছুটিতে শেকড়ের টানে বাড়ি ফিরছে হাজারো মানুষ। রেলস্টেশনগুলোতে এখন উপচে পড়া ভিড় আর কাঙ্ক্ষিত ট্রেনের অপেক্ষা। কেউ ডিজিটাল বোর্ডে শিডিউল দেখছেন, কেউ জানালার ধারে বসে গন্তব্যে পৌঁছানোর অপেক্ষায়, আবার ক্লান্ত কুলিও একটু জিরিয়ে নিচ্ছেন।
১৬ দিন আগে
অন্নপূর্ণা পর্বতশৃঙ্গ। নেপালের উত্তর-মধ্যাংশে হিমালয় পর্বতমালায় এর অবস্থান। অন্নপূর্ণার পর্বতগুলোর মধ্যে ১৩টির উচ্চতা ৭হাজার মিটারের অধিক। আর অন্নপূর্ণা ১ এর উচ্চতা ৮ হাজার ৯১ মিটার। এছাড়া এই পর্বতশৃঙ্গে ৬০০০ মিটারের অধিক আরো ১৬টি পর্বত রয়েছে।
১৩ মে ২০২৬
মাউন্ট মানাসলু হিমালয়ের বিশালতায় ঘেরা পৃথিবীর অষ্টম উচ্চতম শৃঙ্গ। এটি শুধু পর্বত নয়, আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যের প্রতীক। সংস্কৃত ‘মানস’ থেকে মানাসলু শব্দের উৎপত্তি। যার আক্ষরিক অর্থ ‘আত্মার পর্বত’। এই নামের সার্থকতা খুঁজে পাওয়া যায় পর্বতটির শান্ত অথচ গম্ভীর রূপে।
০৫ মে ২০২৬