আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনে ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করেছে গুম, খুন, বিনাবিচারে হত্যাকাণ্ড, লুটপাট। এই স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলেই বাংলাদেশে দেখেছে তনুহত্যা, ক্রসফায়ার, হোলি আর্টিজানে মানুষ হত্যা, সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, ভোটচুরি, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন, সুবর্ণচরে গৃহবধূকে ধর্ষণ, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন, ক্যাসিনো কাণ্ড, আবরার ফাহাদ হত্যা, কালো আইন, মেজর সিনহা হত্যা, স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি। নানা অপকর্মের ভেতর দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় আওয়ামী লীগ নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। নিরস্ত্র জনসাধারণের ওপর ব্যবহার করেছে মারণাস্ত্র। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর শেখ হাসিনা সদলবলে ভারতে পালিয়ে যান। জুলাই অভ্যুত্থানের ১ বছর উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত মেট্রোরেলের পিলারে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আওয়ামী দুঃশাসনের চিত্র। ছবিগুলো রোববার তোলা।
আশরাফুল আলম
























আজ ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস। দিবসটির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে হয় সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ ও সমরাস্ত্র প্রদর্শনী।
২৬ মার্চ ২০২৬
রমজান মাসে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতিদিন জড়ো হন হাজারো রোজাদার। মসজিদ প্রাঙ্গণে বড় বড় থালায় সাজানো থাকে মুড়ি, ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, জিলাপি ও ফল। বিভিন্ন দাতব্য সংগঠন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এই গণইফতারে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার মানুষ অংশ নেন।
১২ মার্চ ২০২৬
অমর একুশে বইমেলায় শুক্রবার ছিল তৃতীয় শিশুপ্রহর। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের শিশু চত্বরে সকাল থেকেই ভিড় জমাতে শুরু করে শিশু-কিশোরেরা; সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকেরাও। ছোটদের জন্য সাজানো এই বিশেষ সময়ে বায়োস্কোপ, পাপেট থিয়েটার, গল্প বলা, ছবি আঁকা ও নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
০৭ মার্চ ২০২৬