জেনজিদের জন্য
স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজজীবন নতুন কিছু শেখার, নিজের দক্ষতা গড়ে তোলার এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সেরা সময়। অনেক শিক্ষার্থীই পড়াশোনার পাশাপাশি এমন কিছু করতে চান, যাতে নিজের হাতখরচ চালানো যায়, পরিবারের ওপর চাপ কমে এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য অভিজ্ঞতাও তৈরি হয়। এখানেই চলে আসে অনলাইনে ছোটখাটো ব্যবসার নাম।
তবে অনেকেই মনে করেন, ব্যবসার শুরুটা করতেও লাখ লাখ টাকা লাগবে। এখন একটি স্মার্টফোন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং ১০ হাজার টাকার মতো ছোট বাজেট দিয়েও নিজের ব্যবসা শুরু করা সম্ভব।
বিশেষ করে বাংলাদেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক এবং বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসের কারণে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। অনেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করছেন। কেউ কেউ আবার সেই ছোট ব্যবসাকেই কয়েক বছরের মধ্যে বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। কম টাকায় ব্যবসা শুরু করা সম্ভব হলেও সফল হতে হলে ধৈর্য, নিয়মিত কাজ এবং গ্রাহকের বিশ্বাস অর্জনের বিকল্প নেই। শুরুতে লাভ কম হলেও হতাশ হওয়া যাবে না। বরং অভিজ্ঞতা অর্জনের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
আপনি যদি শিক্ষার্থী হন এবং কম পুঁজিতে কিছু শুরু করতে চান, তাহলে এই ১০টি আইডিয়া আপনার জন্য হতে পারে ভালো একটি শুরু।
বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন ব্যবসাগুলোর একটি হলো পোশাক বিক্রি। নতুন উদ্যোক্তাদের বড় একটি অংশ এই ব্যবসা দিয়েই যাত্রা শুরু করেন।
শুরুতেই অনেক পোশাক কেনার প্রয়োজন নেই। পাইকারি বাজার, স্থানীয় বুটিক বা ছোট উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে অল্প কিছু পোশাক সংগ্রহ করে একটি ফেসবুক পেজ খুলে বিক্রি শুরু করতে পারেন। ভালো মানের ছবি, সঠিক দাম এবং দ্রুত গ্রাহকসেবা এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় শক্তি।
যদি শুরুতেই বেশি টাকা বিনিয়োগ না করে গ্রাহকের চাহিদা বুঝে ধীরে ধীরে পণ্যের সংখ্যা বাড়ান, তাহলে ঝুঁকিও কম থাকবে।
ঘরে তৈরি খাবারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। অনেক মানুষ এখন বাসায় তৈরি কেক, কুকিজ, আচার, ফ্রোজেন ফুড, স্বাস্থ্যকর খাবার কিংবা বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস কিনতে আগ্রহী।
যদি রান্না করতে ভালো লাগে, তাহলে এটি হতে পারে আপনার জন্য ভালো একটি ব্যবসা। শুরুতে পরিবারের সদস্য, বন্ধু কিংবা পরিচিতদের মাধ্যমে অর্ডার নেওয়া যেতে পারে। ফুড ডেলিভারি অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই শুরুটা করতে পারেন। পরে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে নতুন গ্রাহক তৈরি করা সম্ভব।
এই ব্যবসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো খাবারের মান এবং পরিচ্ছন্নতা। একজন সন্তুষ্ট গ্রাহকই নতুন আরও কয়েকজন গ্রাহক এনে দিতে পারেন।
বিদেশের মতো বাংলাদেশেও থ্রিফট ফ্যাশনের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। অনেকেই কম দামে ভালো মানের ব্যবহৃত পোশাক, ব্যাগ বা জুতা কিনতে চান।
আপনি চাইলে ভালো মানের প্রি-লাভড পোশাক সংগ্রহ করে অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পণ্যের পরিষ্কার ছবি, সঠিক বিবরণ এবং বাস্তব অবস্থা জানানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে পারলে এই ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় করা সম্ভব।
হাতে তৈরি পণ্যের আলাদা একটি বাজার সব সময়ই থাকে। হাতে তৈরি গয়না, বুকমার্ক, মোমবাতি, ওয়াল ডেকর, টোট ব্যাগ, কাস্টমাইজড উপহারের বক্স কিংবা ছোটখাটো সাজসজ্জার সামগ্রী অনলাইনে ভালো বিক্রি হয়।
ঈদ, পূজা, ভালোবাসা দিবস কিংবা নতুন বছরের মতো উৎসবগুলোতে এসব পণ্যের চাহিদা আরও বেড়ে যায়। নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে কম পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করা যায়।
সব ব্যবসায় হাতে পণ্য রাখতে হয় না। ডিজিটাল পণ্য বিক্রি এখন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা ব্যবসাগুলোর একটি।
যেমন সিভি টেমপ্লেট, প্রেজেন্টেশন ডিজাইন, ডিজিটাল প্ল্যানার, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের টেমপ্লেট, ই-বুক কিংবা নোট তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করা যায়।
এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একবার একটি পণ্য তৈরি করলে সেটি বারবার বিক্রি করা সম্ভব। ফলে বারবার উৎপাদনের খরচও থাকে না।
বাংলাদেশে হাজার হাজার ছোট ব্যবসা রয়েছে, যাদের নিজেদের ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম পেজ চালানোর সময় বা দক্ষতা নেই।
আপনি যদি ফেসবুক পোস্ট তৈরি, ক্যাপশন লেখা, ইনবক্সের উত্তর দেওয়া কিংবা নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশ করতে পারেন, তাহলে এই সেবা দিতে পারেন। শুরুতে একটি বা দুটি ছোট ব্যবসার সঙ্গে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করলে পরে আরও বড় ক্লায়েন্ট পাওয়া সহজ হয়।
যারা লিখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি দারুণ একটি সুযোগ।
বিভিন্ন ওয়েবসাইট, অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ব্লগ, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিংবা ছোট ব্যবসা নিয়মিত কনটেন্ট লেখার জন্য লোক খোঁজে। বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষাতেই কাজের সুযোগ রয়েছে।
শুরুতে কয়েকটি নমুনা লেখা বা একটি ছোট পোর্টফোলিও তৈরি করুন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কাজ খোঁজা যেতে পারে।
বর্তমানে ভিডিও কনটেন্টের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকের কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার ভিডিও তৈরি হচ্ছে।
CapCut, DaVinci Resolve বা অন্য কোনো ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার শিখে ইউটিউবার, ছোট ব্যবসা কিংবা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ভিডিও সম্পাদনার কাজ করা যায়।
শুরুতে নিজের কয়েকটি নমুনা ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
কোনো বিষয়ে যদি আপনার ভালো দক্ষতা থাকে, তাহলে সেটিকে আয়ের উৎসে পরিণত করা সম্ভব।
স্কুল-কলেজের বিষয় ছাড়াও ইংরেজি ভাষা, গণিত, কম্পিউটার, গ্রাফিক ডিজাইন কিংবা অন্যান্য দক্ষতা অনলাইনে শেখানো যায়। Zoom, Google Meet কিংবা অন্যান্য ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেই ক্লাস নেওয়া সম্ভব। এই ব্যবসায় মূল বিনিয়োগ হলো আপনার জ্ঞান এবং সময়।
এআই ব্যবহার করে লেখার খসড়া তৈরি, ডিজাইন বানানো, প্রেজেন্টেশন তৈরি, ছবি সম্পাদনা কিংবা ছোট ব্যবসার জন্য ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির মতো সেবা দেওয়া যায়।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। এআই-এর দেওয়া কাজ হুবহু ব্যবহার না করে অবশ্যই নিজের মতো করে সম্পাদনা ও যাচাই করতে হবে। কারণ সব সময় এআই-এর তথ্য শতভাগ সঠিক নাও হতে পারে।
অনেকে শুরুতেই বড় লাভের আশা করেন। কিন্তু বাস্তবে বেশির ভাগ ব্যবসার প্রথম কয়েক মাস শেখার সময়। তাই শুরুতেই ছোট পরিসরে কাজ শুরু করুন।
একসঙ্গে অনেক ধরনের পণ্য বিক্রি না করে একটি নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবায় মনোযোগ দিন। এতে নিজের পরিচিতি তৈরি করা সহজ হয়। গ্রাহকের সঙ্গে সব সময় ভদ্র আচরণ করুন। ইনবক্স বা ফোনের উত্তর যত দ্রুত দেওয়া যায়, তত ভালো। অনলাইন ব্যবসায় বিশ্বাসই সবচেয়ে বড় মূলধন।
পণ্যের ভালো ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করুন। অনেক সময় একটি সুন্দর ছবিই একজন ক্রেতাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। নিয়মিত ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকে কনটেন্ট প্রকাশ করুন। এখন শুধু পণ্য পোস্ট করলেই হয় না, পণ্যের গল্প, ব্যবহার, তৈরির প্রক্রিয়া কিংবা গ্রাহকের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরতে হয়।
সবশেষে, ব্যবসা থেকে যে লাভ হবে, তার একটি অংশ আবার ব্যবসাতেই বিনিয়োগ করুন। এতে ধীরে ধীরে পণ্যের সংখ্যা বাড়ানো, ভালো প্যাকেজিং করা কিংবা বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
ব্যবসা শুরু করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি সব সময় টাকা নয়। বরং প্রয়োজন একটি ভালো ধারণা, কাজ শেখার আগ্রহ এবং লেগে থাকার মানসিকতা। ১০ হাজার টাকা হয়তো খুব বড় অঙ্ক নয়, কিন্তু সেই টাকাই হতে পারে আপনার উদ্যোক্তা হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ।

বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজজীবন নতুন কিছু শেখার, নিজের দক্ষতা গড়ে তোলার এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সেরা সময়। অনেক শিক্ষার্থীই পড়াশোনার পাশাপাশি এমন কিছু করতে চান, যাতে নিজের হাতখরচ চালানো যায়, পরিবারের ওপর চাপ কমে এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য অভিজ্ঞতাও তৈরি হয়। এখানেই চলে আসে অনলাইনে ছোটখাটো ব্যবসার নাম।
তবে অনেকেই মনে করেন, ব্যবসার শুরুটা করতেও লাখ লাখ টাকা লাগবে। এখন একটি স্মার্টফোন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং ১০ হাজার টাকার মতো ছোট বাজেট দিয়েও নিজের ব্যবসা শুরু করা সম্ভব।
বিশেষ করে বাংলাদেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক এবং বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসের কারণে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। অনেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করছেন। কেউ কেউ আবার সেই ছোট ব্যবসাকেই কয়েক বছরের মধ্যে বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। কম টাকায় ব্যবসা শুরু করা সম্ভব হলেও সফল হতে হলে ধৈর্য, নিয়মিত কাজ এবং গ্রাহকের বিশ্বাস অর্জনের বিকল্প নেই। শুরুতে লাভ কম হলেও হতাশ হওয়া যাবে না। বরং অভিজ্ঞতা অর্জনের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
আপনি যদি শিক্ষার্থী হন এবং কম পুঁজিতে কিছু শুরু করতে চান, তাহলে এই ১০টি আইডিয়া আপনার জন্য হতে পারে ভালো একটি শুরু।
বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন ব্যবসাগুলোর একটি হলো পোশাক বিক্রি। নতুন উদ্যোক্তাদের বড় একটি অংশ এই ব্যবসা দিয়েই যাত্রা শুরু করেন।
শুরুতেই অনেক পোশাক কেনার প্রয়োজন নেই। পাইকারি বাজার, স্থানীয় বুটিক বা ছোট উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে অল্প কিছু পোশাক সংগ্রহ করে একটি ফেসবুক পেজ খুলে বিক্রি শুরু করতে পারেন। ভালো মানের ছবি, সঠিক দাম এবং দ্রুত গ্রাহকসেবা এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় শক্তি।
যদি শুরুতেই বেশি টাকা বিনিয়োগ না করে গ্রাহকের চাহিদা বুঝে ধীরে ধীরে পণ্যের সংখ্যা বাড়ান, তাহলে ঝুঁকিও কম থাকবে।
ঘরে তৈরি খাবারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। অনেক মানুষ এখন বাসায় তৈরি কেক, কুকিজ, আচার, ফ্রোজেন ফুড, স্বাস্থ্যকর খাবার কিংবা বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস কিনতে আগ্রহী।
যদি রান্না করতে ভালো লাগে, তাহলে এটি হতে পারে আপনার জন্য ভালো একটি ব্যবসা। শুরুতে পরিবারের সদস্য, বন্ধু কিংবা পরিচিতদের মাধ্যমে অর্ডার নেওয়া যেতে পারে। ফুড ডেলিভারি অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই শুরুটা করতে পারেন। পরে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে নতুন গ্রাহক তৈরি করা সম্ভব।
এই ব্যবসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো খাবারের মান এবং পরিচ্ছন্নতা। একজন সন্তুষ্ট গ্রাহকই নতুন আরও কয়েকজন গ্রাহক এনে দিতে পারেন।
বিদেশের মতো বাংলাদেশেও থ্রিফট ফ্যাশনের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। অনেকেই কম দামে ভালো মানের ব্যবহৃত পোশাক, ব্যাগ বা জুতা কিনতে চান।
আপনি চাইলে ভালো মানের প্রি-লাভড পোশাক সংগ্রহ করে অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পণ্যের পরিষ্কার ছবি, সঠিক বিবরণ এবং বাস্তব অবস্থা জানানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকের আস্থা অর্জন করতে পারলে এই ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় করা সম্ভব।
হাতে তৈরি পণ্যের আলাদা একটি বাজার সব সময়ই থাকে। হাতে তৈরি গয়না, বুকমার্ক, মোমবাতি, ওয়াল ডেকর, টোট ব্যাগ, কাস্টমাইজড উপহারের বক্স কিংবা ছোটখাটো সাজসজ্জার সামগ্রী অনলাইনে ভালো বিক্রি হয়।
ঈদ, পূজা, ভালোবাসা দিবস কিংবা নতুন বছরের মতো উৎসবগুলোতে এসব পণ্যের চাহিদা আরও বেড়ে যায়। নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে কম পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করা যায়।
সব ব্যবসায় হাতে পণ্য রাখতে হয় না। ডিজিটাল পণ্য বিক্রি এখন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা ব্যবসাগুলোর একটি।
যেমন সিভি টেমপ্লেট, প্রেজেন্টেশন ডিজাইন, ডিজিটাল প্ল্যানার, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের টেমপ্লেট, ই-বুক কিংবা নোট তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করা যায়।
এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একবার একটি পণ্য তৈরি করলে সেটি বারবার বিক্রি করা সম্ভব। ফলে বারবার উৎপাদনের খরচও থাকে না।
বাংলাদেশে হাজার হাজার ছোট ব্যবসা রয়েছে, যাদের নিজেদের ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম পেজ চালানোর সময় বা দক্ষতা নেই।
আপনি যদি ফেসবুক পোস্ট তৈরি, ক্যাপশন লেখা, ইনবক্সের উত্তর দেওয়া কিংবা নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশ করতে পারেন, তাহলে এই সেবা দিতে পারেন। শুরুতে একটি বা দুটি ছোট ব্যবসার সঙ্গে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করলে পরে আরও বড় ক্লায়েন্ট পাওয়া সহজ হয়।
যারা লিখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি দারুণ একটি সুযোগ।
বিভিন্ন ওয়েবসাইট, অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ব্লগ, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিংবা ছোট ব্যবসা নিয়মিত কনটেন্ট লেখার জন্য লোক খোঁজে। বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষাতেই কাজের সুযোগ রয়েছে।
শুরুতে কয়েকটি নমুনা লেখা বা একটি ছোট পোর্টফোলিও তৈরি করুন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কাজ খোঁজা যেতে পারে।
বর্তমানে ভিডিও কনটেন্টের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকের কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার ভিডিও তৈরি হচ্ছে।
CapCut, DaVinci Resolve বা অন্য কোনো ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার শিখে ইউটিউবার, ছোট ব্যবসা কিংবা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ভিডিও সম্পাদনার কাজ করা যায়।
শুরুতে নিজের কয়েকটি নমুনা ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
কোনো বিষয়ে যদি আপনার ভালো দক্ষতা থাকে, তাহলে সেটিকে আয়ের উৎসে পরিণত করা সম্ভব।
স্কুল-কলেজের বিষয় ছাড়াও ইংরেজি ভাষা, গণিত, কম্পিউটার, গ্রাফিক ডিজাইন কিংবা অন্যান্য দক্ষতা অনলাইনে শেখানো যায়। Zoom, Google Meet কিংবা অন্যান্য ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেই ক্লাস নেওয়া সম্ভব। এই ব্যবসায় মূল বিনিয়োগ হলো আপনার জ্ঞান এবং সময়।
এআই ব্যবহার করে লেখার খসড়া তৈরি, ডিজাইন বানানো, প্রেজেন্টেশন তৈরি, ছবি সম্পাদনা কিংবা ছোট ব্যবসার জন্য ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির মতো সেবা দেওয়া যায়।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। এআই-এর দেওয়া কাজ হুবহু ব্যবহার না করে অবশ্যই নিজের মতো করে সম্পাদনা ও যাচাই করতে হবে। কারণ সব সময় এআই-এর তথ্য শতভাগ সঠিক নাও হতে পারে।
অনেকে শুরুতেই বড় লাভের আশা করেন। কিন্তু বাস্তবে বেশির ভাগ ব্যবসার প্রথম কয়েক মাস শেখার সময়। তাই শুরুতেই ছোট পরিসরে কাজ শুরু করুন।
একসঙ্গে অনেক ধরনের পণ্য বিক্রি না করে একটি নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবায় মনোযোগ দিন। এতে নিজের পরিচিতি তৈরি করা সহজ হয়। গ্রাহকের সঙ্গে সব সময় ভদ্র আচরণ করুন। ইনবক্স বা ফোনের উত্তর যত দ্রুত দেওয়া যায়, তত ভালো। অনলাইন ব্যবসায় বিশ্বাসই সবচেয়ে বড় মূলধন।
পণ্যের ভালো ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করুন। অনেক সময় একটি সুন্দর ছবিই একজন ক্রেতাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। নিয়মিত ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকে কনটেন্ট প্রকাশ করুন। এখন শুধু পণ্য পোস্ট করলেই হয় না, পণ্যের গল্প, ব্যবহার, তৈরির প্রক্রিয়া কিংবা গ্রাহকের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরতে হয়।
সবশেষে, ব্যবসা থেকে যে লাভ হবে, তার একটি অংশ আবার ব্যবসাতেই বিনিয়োগ করুন। এতে ধীরে ধীরে পণ্যের সংখ্যা বাড়ানো, ভালো প্যাকেজিং করা কিংবা বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
ব্যবসা শুরু করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি সব সময় টাকা নয়। বরং প্রয়োজন একটি ভালো ধারণা, কাজ শেখার আগ্রহ এবং লেগে থাকার মানসিকতা। ১০ হাজার টাকা হয়তো খুব বড় অঙ্ক নয়, কিন্তু সেই টাকাই হতে পারে আপনার উদ্যোক্তা হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ।
.png)

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে প্রথমবার নারী নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিচ্ছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২২ মে) জাবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
২২ মে ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে চার খাতে কর্মী নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। সোমবার (১৮ মে) দেশটির শ্রমমন্ত্রীর আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান।
১৮ মে ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে এ বছর ছয় হাজার চালক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি (ডিটিসি)।
১৭ মে ২০২৬
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে দক্ষ পেশাজীবীদের চাহিদা বাড়ছে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো এমন কর্মী খুঁজছে, যারা শুধু হিসাব রক্ষণে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যয় বিশ্লেষণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।
৩০ এপ্রিল ২০২৬