স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে কোনো দেশ ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হলে ২৫ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়বে আগে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার এই সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন ট্রাম্প।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এই আদেশে সই করেন তিনি। এর ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে ২৫ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়তে হতে পারে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প এই নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। যদিও গতকালই ওমানের মাসকটে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সম্ভাব্য চুক্তি করতে আলোচনায় বসেছিল। ওমানের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই পরোক্ষ আলোচনা থেকে কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
বৈঠক শেষ মাসকটে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, এই পরোক্ষা আলোচনার ‘শুরুটা ভালো হয়েছে। এখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরাশর্ম করে পরবর্তী ধাপের আলোচনা কীভাবে এগোবে তার সিদ্ধান্ত নেবে দুই দেশ।
তবে আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় গভীর অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কারণ গত বছরের জুনে ইসরায়েল-ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সরাসরি অংশ নেয় এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। আর ওই হামলাটি পূর্ব নির্ধারিত ষষ্ঠ দফার পরোক্ষ আলোচনা শুরুর মাত্র কয়েকদিন আগে চালানো হয়েছিল। তাই এই অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, উভয় পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একমত। যদিও এই আলোচনা কবে এবং কোথায় শুরু হবে সে ব্যাপারে তাঁরা সম্মত হতে পারেননি।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কয়েক দফায় পৃথকভাবে বৈঠক করেন। তিনি দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করেন।
তিনি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় পক্ষের চিন্তা-ভাবনা স্পষ্ট করতে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে অগ্রগতি সম্ভব তা চিহ্নিত করতে এই আলোচনা কার্যকর ছিল।
পরবর্তী আলোচনার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি উল্লেখ করেন, তাদের লক্ষ্য হলো ‘সুবিধাজনক সময়ে আবারও আলোচনায় বসা।’
এদিকে, ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল ‘চুক্তি করতে কূটনৈতিক এবং তথ্যভিত্তিক আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করা’।

ইরানের সঙ্গে কোনো দেশ ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হলে ২৫ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়বে আগে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার এই সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন ট্রাম্প।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এই আদেশে সই করেন তিনি। এর ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে ২৫ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়তে হতে পারে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প এই নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। যদিও গতকালই ওমানের মাসকটে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সম্ভাব্য চুক্তি করতে আলোচনায় বসেছিল। ওমানের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই পরোক্ষ আলোচনা থেকে কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
বৈঠক শেষ মাসকটে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, এই পরোক্ষা আলোচনার ‘শুরুটা ভালো হয়েছে। এখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরাশর্ম করে পরবর্তী ধাপের আলোচনা কীভাবে এগোবে তার সিদ্ধান্ত নেবে দুই দেশ।
তবে আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় গভীর অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কারণ গত বছরের জুনে ইসরায়েল-ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সরাসরি অংশ নেয় এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। আর ওই হামলাটি পূর্ব নির্ধারিত ষষ্ঠ দফার পরোক্ষ আলোচনা শুরুর মাত্র কয়েকদিন আগে চালানো হয়েছিল। তাই এই অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, উভয় পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একমত। যদিও এই আলোচনা কবে এবং কোথায় শুরু হবে সে ব্যাপারে তাঁরা সম্মত হতে পারেননি।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কয়েক দফায় পৃথকভাবে বৈঠক করেন। তিনি দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করেন।
তিনি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় পক্ষের চিন্তা-ভাবনা স্পষ্ট করতে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে অগ্রগতি সম্ভব তা চিহ্নিত করতে এই আলোচনা কার্যকর ছিল।
পরবর্তী আলোচনার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি উল্লেখ করেন, তাদের লক্ষ্য হলো ‘সুবিধাজনক সময়ে আবারও আলোচনায় বসা।’
এদিকে, ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল ‘চুক্তি করতে কূটনৈতিক এবং তথ্যভিত্তিক আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করা’।

ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব চুক্তি অনুমোদন করায় দেশটিতে পূর্বনির্ধারিত সামরিক হামলা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
১ ঘণ্টা আগে
খার্গ দ্বীপে কোনো ধরনের হামলা হলে ‘দৃঢ়, বিধ্বংসী ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানারহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখলের হুমকির জবাবে এমন প্রতিক্রিয়া দেখাল ইরান।
২ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘ভবিষ্যতে খার্গ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেল অবকাঠামো নিজেদের কবজায় নেব। আমরা দেশটির তেল ও গ্যাস বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেব, ঠিক যেমনটা ভেনেজুয়েলায় করেছি।’
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে গোলাগুলির জেরে হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এখনো যাতায়াত করছে।
৮ ঘণ্টা আগে