leadT1ad

বিডিআর নাম পুনর্বহাল করা হবে: তারেক রহমান

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩: ৩১
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর আগের নাম বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) পুনর্বহাল করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্রপরিচালনার সুযোগ পেলে আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বিডিআরের নাম পুনর্বহাল করতে চাই।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনী সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা না ঘটে, সেজন্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে ওই দিনটিকে আমাদের ‘শহীদ সেনা দিবস’ অথবা ‘সেনা হত্যাযজ্ঞ দিবস’ কিংবা ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিএনপি সরকারে গেলে সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করবে না জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাদের কখনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে দেবে না। সেনাবাহিনীর জন্য ‘ওয়ান র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ চালু করা হবে।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের রাজনীতি নিয়ে সচেতন হবে। কিন্তু রাজনীতির চাদরে যাতে সেনাবাহিনী আচ্ছাদিত না হয়, সে বিষয়ে সব সদস্যদের সতর্ক থাকা জরুরি।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সেনাবাহিনীকে গর্বিত করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জনগণের রায়ে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপি সেনাবাহিনীর সব দাবি-দাওয়া পর্যায়ক্রমে পূরণ করবে।

তিনি বলেন, জনগণ সেনাবাহিনীকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের নির্ভরযোগ্য প্রহরী হিসেবে মনে করে। সেনাবাহিনীকে ভিন্ন কাজে সংযুক্ত করা হলে তাদের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। বিগত দেড় দশকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং গৌরব সম্পর্কে সেনা কর্মকর্তা এবং সদস্যরা নিজেরা নিজেদের বিবেককে জিজ্ঞেস করলে হয়তো অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যাবে।

তারেক রহমান বলেন, দেশ ফ্যাসিবাদ আর তাবেদারের অপশক্তির কবলে পড়ার পর শুধু গণতন্ত্র এবং মানুষের স্বাধীনতা ভুলুণ্ঠিত হয়নি। বরং একইসঙ্গে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের নির্মম দিনটি পর্যন্ত সেনাবাহিনী গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতে পারেনি অথবা পালন করতে দেওয়া হয়নি। সেনাবাহিনীর হারানো গৌরব ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত