স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে বানর হিসেবে দেখানো একটি ভিডিও নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডিতে পোস্ট করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ভিডিওটি সরিয়েও নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট। তবে তিনি এই ঘটনায় ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের দাবি, ভিডিওটির শেষ দিকে থাকা আপত্তিকর অংশগুলো তিনি দেখেননি। আর এই ভুলের জন্য হোয়াইট হাউসের এক কর্মীকে দায়ী করেছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছেন, ভিডিওটি বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে পোস্ট করা হয়। পরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ১২ ঘণ্টা পর ভিডিওটি সরানো হয়।
সাংবাদিকদের কাছে ট্রাম্পের দেওয়া ব্যাখ্যার বরাতে সিএনএন বলেছে, এতে নিশ্চিত যে, ট্রাম্প নিজেই ভিডিওটির অন্তত কিছু অংশ দেখেছিলেন। এই ভিডিও পোস্টের জেরে হোয়াইট হাউসকে সারাদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
এর আগে, ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার পর হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, এক কর্মী ভুলবশত এটি পোস্ট করেছিলেন।
এদিকে, ভিডিওটি ১২ ঘণ্টা অনলাইনে থাকার পরও ট্রাম্প শুক্রবার সন্ধ্যায় দাবি করেছেন—বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ভিডিওটির প্রথম অংশে ভোটিং মেশিনে জালিয়াতি সংক্রান্ত কিছু ভিত্তিহীন দাবি ছিল। সে প্রসঙ্গের উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, আমি ভিডিওটির শুরুর দিকটা দেখেছিলাম। সেটি ঠিকই ছিল। ভোট জালিয়াতির বিষয়ে এটি অত্যন্ত জোরালো একটি পোস্ট ছিল।
ট্রাম্প বলেন, কেউ জানত না যে ভিডিওটির শেষে ওরকম কিছু আছে। তারা যদি পুরোটা দেখত, তবে নিশ্চয়ই সেটি ধরা পড়ত এবং হয়তো এটি সরিয়েও ফেলতো।
ট্রাম্প জানান, ভিডিওটির প্রথম অংশ দেখার পর তিনি এটি তার এক কর্মীর কাছে পাঠিয়েছিলেন এবং ওই কর্মীরই উচিত ছিল এটি শেষ পর্যন্ত দেখা।
তিনি বলেন, কেউ একজন অসাবধানতাবশত খুব ছোট একটি অংশ মিস করে গেছে।
ব্যাপক সমালোচনার পর রিপাবলিকান পার্টির পক্ষ থেকেও তাঁকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। তবে তিনি সরাসরি তা নাকচ করে দেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি কোনো ভুল করিনি।’
সাংবাদিকরা বারবার প্রশ্ন করলে ট্রাম্প বলেন, তিনি ভিডিওর ওই বর্ণবাদী অংশের নিন্দা করেন। বলেন, অবশ্যই আমি এর নিন্দা জানাই। এসময় নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী প্রেসিডেন্ট দাবি করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ৬২ সেকেন্ডের ভিডিওর শেষাংশে যুক্ত ছিল ওই ক্লিপটি। ভিডিওটিতে ২০২০ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ ছিল। অবশ্য এই অভিযোগ আগেই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ভিডিওটি নজরে আসার পর ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় শিবির থেকে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে বানর হিসেবে দেখানো একটি ভিডিও নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডিতে পোস্ট করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ভিডিওটি সরিয়েও নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট। তবে তিনি এই ঘটনায় ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের দাবি, ভিডিওটির শেষ দিকে থাকা আপত্তিকর অংশগুলো তিনি দেখেননি। আর এই ভুলের জন্য হোয়াইট হাউসের এক কর্মীকে দায়ী করেছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছেন, ভিডিওটি বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে পোস্ট করা হয়। পরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ১২ ঘণ্টা পর ভিডিওটি সরানো হয়।
সাংবাদিকদের কাছে ট্রাম্পের দেওয়া ব্যাখ্যার বরাতে সিএনএন বলেছে, এতে নিশ্চিত যে, ট্রাম্প নিজেই ভিডিওটির অন্তত কিছু অংশ দেখেছিলেন। এই ভিডিও পোস্টের জেরে হোয়াইট হাউসকে সারাদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
এর আগে, ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার পর হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, এক কর্মী ভুলবশত এটি পোস্ট করেছিলেন।
এদিকে, ভিডিওটি ১২ ঘণ্টা অনলাইনে থাকার পরও ট্রাম্প শুক্রবার সন্ধ্যায় দাবি করেছেন—বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ভিডিওটির প্রথম অংশে ভোটিং মেশিনে জালিয়াতি সংক্রান্ত কিছু ভিত্তিহীন দাবি ছিল। সে প্রসঙ্গের উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, আমি ভিডিওটির শুরুর দিকটা দেখেছিলাম। সেটি ঠিকই ছিল। ভোট জালিয়াতির বিষয়ে এটি অত্যন্ত জোরালো একটি পোস্ট ছিল।
ট্রাম্প বলেন, কেউ জানত না যে ভিডিওটির শেষে ওরকম কিছু আছে। তারা যদি পুরোটা দেখত, তবে নিশ্চয়ই সেটি ধরা পড়ত এবং হয়তো এটি সরিয়েও ফেলতো।
ট্রাম্প জানান, ভিডিওটির প্রথম অংশ দেখার পর তিনি এটি তার এক কর্মীর কাছে পাঠিয়েছিলেন এবং ওই কর্মীরই উচিত ছিল এটি শেষ পর্যন্ত দেখা।
তিনি বলেন, কেউ একজন অসাবধানতাবশত খুব ছোট একটি অংশ মিস করে গেছে।
ব্যাপক সমালোচনার পর রিপাবলিকান পার্টির পক্ষ থেকেও তাঁকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। তবে তিনি সরাসরি তা নাকচ করে দেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি কোনো ভুল করিনি।’
সাংবাদিকরা বারবার প্রশ্ন করলে ট্রাম্প বলেন, তিনি ভিডিওর ওই বর্ণবাদী অংশের নিন্দা করেন। বলেন, অবশ্যই আমি এর নিন্দা জানাই। এসময় নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কম বর্ণবাদী প্রেসিডেন্ট দাবি করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ৬২ সেকেন্ডের ভিডিওর শেষাংশে যুক্ত ছিল ওই ক্লিপটি। ভিডিওটিতে ২০২০ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ ছিল। অবশ্য এই অভিযোগ আগেই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ভিডিওটি নজরে আসার পর ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় শিবির থেকে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

ইরানের সঙ্গে কোনো দেশ ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হলে ২৫ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়বে আগে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার এই সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন ট্রাম্প।
১৮ ঘণ্টা আগে
ওমানের মাসকটে হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনাকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবে দেখছে ইরান। তবে ওমানের মধ্যস্থতায় হওয়া এ বৈঠক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা দূর করার মতো কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা আসেনি।
২০ ঘণ্টা আগে
ইরানের থাকা নিজেদের নাগরিকদের অবিলম্বে দেশটির ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মাসকটে আলোচনার মধ্যেই এই নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।
১ দিন আগে
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জুমার নামাজের সময় ইমামবারায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ইসলামাবাদের শেহজাদ টাউন এলাকার তারলাই ইমামবারায় এই ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৬৯ জন।
১ দিন আগে