জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ইরান যুদ্ধের জেরে পেছাল ট্রাম্প-শি বৈঠক

তথ্যসূত্র:
তথ্যসূত্র:
দ্য গার্ডিয়ান

গত বছরের ৩০ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে এপেক সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করেন ট্রাম্প ও শি চিন পিং। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল প্রতীক্ষিত চীন সফর পিছিয়ে মে মাসে নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে ট্রাম্প নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আগামী সপ্তাহে এই সফর হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান সামরিক পরিস্থিতির কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৪ ও ১৫ মে বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প। এছাড়া চলতি বছরের শেষ দিকে শি চিন পিং ও ফিরতি সফরে ওয়াশিংটনে আসবেন বলে জানা গেছে।

সফর সম্পর্কে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমাদের প্রতিনিধিরা এই ঐতিহাসিক সফরের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছেন। প্রেসিডেন্ট শির সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমি নিশ্চিত এই সফর একটি স্মরণীয় ঘটনা হতে যাচ্ছে।’

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও শি চিন পিং সফরের নতুন সময়সূচির বিষয়ে কথা বলেছেন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করেছেন। লিভিট বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি বুঝতে পেরেছেন যে চলমান সামরিক অভিযানের এই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিজ দেশে থাকা কতটা জরুরি।’

উল্লেখ্য, গত আট বছরের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটিই হবে প্রথম চীন সফর। তবে এমন এক সময়ে এই সফর হতে যাচ্ছে যখন ইরান যুদ্ধ নিয়ে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। বিশেষ করে চীন হলো ইরানের তেলের প্রধান ক্রেতা। অন্যদিকে, ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার চেষ্টার বিপরীতে ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে তেলের বড় গ্রাহকদের সমর্থন চাইলেও বেইজিং এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সাড়া দেয়নি।

সফরের দুই দিনে দুই দেশের নেতাদের মধ্যে কৃষি ও উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ বাণিজ্য নিয়ে ইতিবাচক আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে উত্তেজনা বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মে মাসে এই বৈঠকের সময় ইরান যুদ্ধের পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়, তার ওপরই নির্ভর করছে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কূটনীতির অনেক

সম্পর্কিত