স্ট্রিম ডেস্ক

গাজায় হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। গাজার উত্তরাঞ্চলে চালানো এক বিমান হামলায় তিনি নিহত হন বলে জানিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরা
বুধবার (২৭ মে) ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল গাজা শহরে চালানো এক হামলায় ওদেহ নিহত হন।
তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস।
হামাসের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ ওদেহ চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলি হামলায় ইজ্জ আল-দীন আল-হাদ্দাদ নিহত হওয়ার পর কাসসাম ব্রিগেডের প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছিলেন বলে জানা যায়। কাসসাম ব্রিগেড হলো হামাসের সশস্ত্র শাখা। তবে হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বুধবার এক্সে এক পোস্টে লেখেন, গাজায় হামাস সন্ত্রাসী সংগঠনের সামরিক শাখার ৪ নম্বর কমান্ডারকে গতকাল নির্মূল করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ওদেহ নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তারা জানায়, ওদেহ ও তাঁর সহযোগীদের গতিবিধি অনুসরণে কয়েক মাসের গোয়েন্দা নজরদারির পর এই হামলা চালানো হয়।
আল-শিফা হাসপাতালের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে গাজা শহরের পশ্চিমাঞ্চলের রেমাল এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় ৬ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।
গাজা শহর থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক হিন্দ খুদারি জানান, ঈদুল আজহার প্রস্তুতির সময় জনবহুল এলাকায় হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।
তিনি বলেন, গতকাল রাত প্রায় সাড়ে ৯টার দিকে গাজা শহরে তিনটি বড় বিস্ফোরণ ঘটে। হামলাটি রেমালের মাঝামাঝি এলাকায় হয়। সেখানে অনেক বাজার ও দোকান রয়েছে। মুসলমানদের ঈদের কেনাকাটা ও প্রস্তুতির সময় বিমান হামলাটি চালানো হয়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ২০২৩ সালে দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে হামলায় ‘লক্ষ্যবস্তু পরিকল্পনা ও সমন্বয়’-এর দায়িত্বে ছিলেন ওদেহ।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার জবাবে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এতে ৭২ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েলি বাহিনী হামাসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হামাসের সাবেক রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া এবং গাজায় সংগঠনটির প্রধান ইয়াহইয়া সিনওয়ার।
এ ছাড়া হামাসের সশস্ত্র শাখার দীর্ঘদিনের কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফ এবং ইয়াহইয়া সিনওয়ারের উত্তরসূরি তার ভাই মোহাম্মদ সিনওয়ারকেও হত্যা করা হয়েছে।
গত ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে গাজায় অন্তত ৯০৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিহত ৭২ হাজার ৮০৩ জন।

গাজায় হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। গাজার উত্তরাঞ্চলে চালানো এক বিমান হামলায় তিনি নিহত হন বলে জানিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরা
বুধবার (২৭ মে) ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল গাজা শহরে চালানো এক হামলায় ওদেহ নিহত হন।
তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস।
হামাসের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ ওদেহ চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলি হামলায় ইজ্জ আল-দীন আল-হাদ্দাদ নিহত হওয়ার পর কাসসাম ব্রিগেডের প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছিলেন বলে জানা যায়। কাসসাম ব্রিগেড হলো হামাসের সশস্ত্র শাখা। তবে হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বুধবার এক্সে এক পোস্টে লেখেন, গাজায় হামাস সন্ত্রাসী সংগঠনের সামরিক শাখার ৪ নম্বর কমান্ডারকে গতকাল নির্মূল করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ওদেহ নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তারা জানায়, ওদেহ ও তাঁর সহযোগীদের গতিবিধি অনুসরণে কয়েক মাসের গোয়েন্দা নজরদারির পর এই হামলা চালানো হয়।
আল-শিফা হাসপাতালের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে গাজা শহরের পশ্চিমাঞ্চলের রেমাল এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় ৬ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।
গাজা শহর থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক হিন্দ খুদারি জানান, ঈদুল আজহার প্রস্তুতির সময় জনবহুল এলাকায় হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।
তিনি বলেন, গতকাল রাত প্রায় সাড়ে ৯টার দিকে গাজা শহরে তিনটি বড় বিস্ফোরণ ঘটে। হামলাটি রেমালের মাঝামাঝি এলাকায় হয়। সেখানে অনেক বাজার ও দোকান রয়েছে। মুসলমানদের ঈদের কেনাকাটা ও প্রস্তুতির সময় বিমান হামলাটি চালানো হয়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ২০২৩ সালে দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে হামলায় ‘লক্ষ্যবস্তু পরিকল্পনা ও সমন্বয়’-এর দায়িত্বে ছিলেন ওদেহ।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার জবাবে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এতে ৭২ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েলি বাহিনী হামাসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হামাসের সাবেক রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া এবং গাজায় সংগঠনটির প্রধান ইয়াহইয়া সিনওয়ার।
এ ছাড়া হামাসের সশস্ত্র শাখার দীর্ঘদিনের কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফ এবং ইয়াহইয়া সিনওয়ারের উত্তরসূরি তার ভাই মোহাম্মদ সিনওয়ারকেও হত্যা করা হয়েছে।
গত ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে গাজায় অন্তত ৯০৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত মোট নিহত ৭২ হাজার ৮০৩ জন।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৪ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৪ ঘণ্টা আগে