দ্রুত চুক্তির আহ্বান
তথ্যসূত্র:

ইরান যদি দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশটির তেলের খনি, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং পানি সরবরাহ অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৩০ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে দাবি করেন, ‘সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের নতুন শাসনব্যবস্থার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করছে। আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু কোনো কারণে যদি কোনো চুক্তি না হয় এবং হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দেওয়া না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সকল বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র, তেলের খনি এবং খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে ‘ইরান সফর’ শেষ করবে।’
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের শুরু থেকেই ট্রাম্প একের পর এক আলটিমেটাম দিয়ে আসছেন। গত ১০ মার্চ তিনি ইরানকে ‘২০ গুণ বেশি কঠোর’ আঘাত করার হুমকি দেন। পরে ২১ মার্চ ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিলেও ২৩ মার্চ তা পিছিয়ে দেন। সর্বশেষ গত শুক্রবার তিনি এই সময়সীমা পুনরায় বাড়িয়ে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করেন।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনায় ‘বড় অগ্রগতি’র দাবি করলেও পেন্টাগন ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, ইরান শুরু থেকেই সরাসরি আলোচনার খবর অস্বীকার করে আসছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনের দেওয়া ১৫-দফার প্রস্তাব ‘অবাস্তব ও অগ্রহণযোগ্য’ এবং এর বিপরীতে তারা নিজস্ব পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘন ঘন সময়সীমা পরিবর্তন এবং অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করে শর্ত মানতে বাধ্য করার কৌশল।

ইরান যদি দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশটির তেলের খনি, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং পানি সরবরাহ অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৩০ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে দাবি করেন, ‘সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের নতুন শাসনব্যবস্থার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করছে। আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু কোনো কারণে যদি কোনো চুক্তি না হয় এবং হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দেওয়া না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সকল বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র, তেলের খনি এবং খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে ‘ইরান সফর’ শেষ করবে।’
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের শুরু থেকেই ট্রাম্প একের পর এক আলটিমেটাম দিয়ে আসছেন। গত ১০ মার্চ তিনি ইরানকে ‘২০ গুণ বেশি কঠোর’ আঘাত করার হুমকি দেন। পরে ২১ মার্চ ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিলেও ২৩ মার্চ তা পিছিয়ে দেন। সর্বশেষ গত শুক্রবার তিনি এই সময়সীমা পুনরায় বাড়িয়ে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করেন।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনায় ‘বড় অগ্রগতি’র দাবি করলেও পেন্টাগন ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, ইরান শুরু থেকেই সরাসরি আলোচনার খবর অস্বীকার করে আসছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনের দেওয়া ১৫-দফার প্রস্তাব ‘অবাস্তব ও অগ্রহণযোগ্য’ এবং এর বিপরীতে তারা নিজস্ব পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘন ঘন সময়সীমা পরিবর্তন এবং অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করে শর্ত মানতে বাধ্য করার কৌশল।

ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে সোমবার হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের দাবি, হামলার জবাবে একটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তাঁরা। ইরান যুদ্ধ স্থায়ী বন্ধে চলমান আলোচনার মধ্যেই উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি। খবর রয়টার্সের
৩ ঘণ্টা আগে
গত এপ্রিলে হওয়া যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে দক্ষিণ লেবাননে অভিযান আরও জোরদার করেছে ইসরায়েল। দেশটির বাহিনী লিতানি নদী পেরিয়ে এখন নাবাতিয়েহ শহরের উপকণ্ঠে পৌঁছে গেছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেউফোর্ট দুর্গও তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনিতে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা বিস্ফোরক গুদামে বিস্ফোরণে অন্তত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (৩১ মে) চীন সীমান্তের কাছে নামখাম টাউনশিপের কাউংটুপ গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চুক্তির সম্ভবনা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কৌশল ও ইমেজকে চরম বিপাকে ফেলেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে