তথ্যসূত্র:
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। একদিকে লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থান চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এরই মধ্যে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, আলোচনার টেবিলে বসার আগেই ইরান প্রস্তাবিত ১০ দফার তিন শর্ত ভঙ্গ করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনা ও সামরিক চাপেই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। লিভিট আরও জানান, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
লিভিট বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরান হোয়াইট হাউসকে আশ্বস্ত করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন এখন হরমুজ প্রণালি থেকে “রাজস্ব আদায়ের” একটি ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে। আগামী দুই সপ্তাহে আলোচনায় এসব বিষয় প্রাধান্য পাবে।’
লিভিট জানান, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুকে ট্রাম্প প্রশাসন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। শুক্রবার পাকিস্তানে হতে যাওয়া আলোচনায় অংশ নিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারকে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে হোয়াইট হাউস।’
পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, আলোচনার আগেই ইরান প্রস্তাবিত ১০ দফার তিনটি ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—লেবাননে যুদ্ধবিরতি না মানা, ইরানের আকাশসীমায় ড্রোন প্রবেশ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা। গালিবাফ বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বা যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা কঠিন।’
ইরানের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে ইরান বা তার মিত্রদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আর নতুন করে কোনো সামরিক হামলা চালায়নি।
বুধবার (৮ এপ্রিল) এক ভাষণে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির মানে এই নয় যে, আমাদের সামরিক অভিযানের সমাপ্তি ঘটেছে। আমরা যেকোনো মুহূর্তে পুনরায় যুদ্ধে ফিরে যেতে প্রস্তুত। আমাদের আঙুল ট্রিগারেই আছে।’
নেতানিয়াহু দাবি করেন, এই যুদ্ধবিরতি তাদের সব লক্ষ্য অর্জনের প্রস্তুতির অংশ। তিনি জানান, লেবাননের ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে এবং ইরান যদি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ না করে, তবে সামরিক লড়াই আবারও শুরু হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত না করতে পারলে এই সংঘাত পুরো যুদ্ধবিরতিকে নস্যাৎ করে দিতে পারে। ইরান ইতিমধ্যে হুমকি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ‘ওয়াচডগ’ বা ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে ইরান নিজস্ব শক্তিতে তাদের ‘শাস্তি’ দেবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। একদিকে লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থান চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এরই মধ্যে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, আলোচনার টেবিলে বসার আগেই ইরান প্রস্তাবিত ১০ দফার তিন শর্ত ভঙ্গ করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনা ও সামরিক চাপেই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। লিভিট আরও জানান, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
লিভিট বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরান হোয়াইট হাউসকে আশ্বস্ত করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন এখন হরমুজ প্রণালি থেকে “রাজস্ব আদায়ের” একটি ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে। আগামী দুই সপ্তাহে আলোচনায় এসব বিষয় প্রাধান্য পাবে।’
লিভিট জানান, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুকে ট্রাম্প প্রশাসন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। শুক্রবার পাকিস্তানে হতে যাওয়া আলোচনায় অংশ নিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারকে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে হোয়াইট হাউস।’
পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, আলোচনার আগেই ইরান প্রস্তাবিত ১০ দফার তিনটি ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—লেবাননে যুদ্ধবিরতি না মানা, ইরানের আকাশসীমায় ড্রোন প্রবেশ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা। গালিবাফ বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বা যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা কঠিন।’
ইরানের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে ইরান বা তার মিত্রদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আর নতুন করে কোনো সামরিক হামলা চালায়নি।
বুধবার (৮ এপ্রিল) এক ভাষণে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির মানে এই নয় যে, আমাদের সামরিক অভিযানের সমাপ্তি ঘটেছে। আমরা যেকোনো মুহূর্তে পুনরায় যুদ্ধে ফিরে যেতে প্রস্তুত। আমাদের আঙুল ট্রিগারেই আছে।’
নেতানিয়াহু দাবি করেন, এই যুদ্ধবিরতি তাদের সব লক্ষ্য অর্জনের প্রস্তুতির অংশ। তিনি জানান, লেবাননের ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে এবং ইরান যদি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ না করে, তবে সামরিক লড়াই আবারও শুরু হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত না করতে পারলে এই সংঘাত পুরো যুদ্ধবিরতিকে নস্যাৎ করে দিতে পারে। ইরান ইতিমধ্যে হুমকি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ‘ওয়াচডগ’ বা ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে ইরান নিজস্ব শক্তিতে তাদের ‘শাস্তি’ দেবে।

লেবাননজুড়ে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৬৫ জন আহত হয়েছেন। রাতে লেবাননের সিভিল ডিফেন্স ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ২৬২ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এর প্রতিবাদে চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছে ইরান। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ ও তাসনিম এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মাত্র ১০ মিনিটে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে