স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ ইস্যুতে একা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানে কোনো সামরিক অভিযান চালাতে পারবেন না ট্রাম্প।
প্রতিনিধি পরিষদের এই সিদ্ধান্তকে ‘অর্থহীন’ এবং ‘দেশপ্রেমহীন’ কাজ অভিহিত করেছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ‘গতকাল এক অর্থহীন ভোটে প্রতিনিধি পরিষদের চার খারাপ রিপাবলিকান এবং সব ডেমোক্র্যাট মিলে আমার ক্ষমতা সীমিত করার পক্ষে ভোট দিয়েছে; তাও এমন সময়ে যখন আমি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের সমঝোতা ও আলোচনা নিয়ে ব্যস্ত।’
গত বুধবার (৩ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ট্রাম্পের যুদ্ধ বিষয়ক সিদ্ধান্ত একা নেওয়ার ক্ষমতা খর্ব করার প্রস্তাব অনুমোদন করে। রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত এই কক্ষে প্রস্তাব ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। চারজন রিপাবলিকান সাংসদ নিজেদের দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দেওয়ায় এই জয় নিশ্চিত হয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা বা বিশেষ সামরিক অনুমোদন ছাড়া ট্রাম্প একক সিদ্ধান্তে ইরানে দীর্ঘমেয়াদী সেনা মোতায়েন বা বড় ধরনের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবেন না। এই পদক্ষেপকে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষমতার ওপর বড় ধরনের আইনগত ও রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নির্বাচন এগিয়ে আসার মুখে ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই এই যুদ্ধ নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। চারজন রিপাবলিকান প্রতিনিধি—মিশিগানের টম ব্যারেট, ওহাইওর ওয়ারেন ডেভিডসন, পেনসিলভানিয়ার ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক এবং কেনটাকির থমাস ম্যাসি এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
অন্যদিকে, কোনো ডেমোক্র্যাট সদস্য এর বিরুদ্ধে ভোট দেননি। এটি ছিল ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের চতুর্থ প্রয়াস, এর আগে তিনটি প্রস্তাব সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। গত মাসে এই প্রস্তাব পাস হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে রিপাবলিকান হাউসের শীর্ষ নেতারা তড়িঘড়ি করে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছিলেন। তবে এবার সেই চাপ উপেক্ষা করেই বিল পাস হলো।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজ দলের এই বিদ্রোহ ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক দুশ্চিন্তার কারণ।
প্রতিনিধি পরিষদের এই প্রস্তাব মূলত মার্কিন সংবিধানের ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতির ওপর ভিত্তি করে আনা। ডেমোক্র্যাটরা শুরু থেকেই দাবি করছে, সংবিধানে যুদ্ধ ঘোষণার অধিকার একমাত্র কংগ্রেসের ওপর ন্যস্ত করেছে।
হাউসের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য গ্রেগরি মিকস বিবৃতিতে বলেন, ‘আজকের এই যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাব পাস হওয়া বড় টার্নিং পয়েন্ট। এর ফলে প্রমাণিত হলো, অনেক রিপাবলিকান নেতা তাদের নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি শুনছেন। আর মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে অন্তহীন বা উদ্দেশ্যহীন যুদ্ধ দেখতে চায় না।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ ইস্যুতে একা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানে কোনো সামরিক অভিযান চালাতে পারবেন না ট্রাম্প।
প্রতিনিধি পরিষদের এই সিদ্ধান্তকে ‘অর্থহীন’ এবং ‘দেশপ্রেমহীন’ কাজ অভিহিত করেছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ‘গতকাল এক অর্থহীন ভোটে প্রতিনিধি পরিষদের চার খারাপ রিপাবলিকান এবং সব ডেমোক্র্যাট মিলে আমার ক্ষমতা সীমিত করার পক্ষে ভোট দিয়েছে; তাও এমন সময়ে যখন আমি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের সমঝোতা ও আলোচনা নিয়ে ব্যস্ত।’
গত বুধবার (৩ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ট্রাম্পের যুদ্ধ বিষয়ক সিদ্ধান্ত একা নেওয়ার ক্ষমতা খর্ব করার প্রস্তাব অনুমোদন করে। রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত এই কক্ষে প্রস্তাব ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। চারজন রিপাবলিকান সাংসদ নিজেদের দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দেওয়ায় এই জয় নিশ্চিত হয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা বা বিশেষ সামরিক অনুমোদন ছাড়া ট্রাম্প একক সিদ্ধান্তে ইরানে দীর্ঘমেয়াদী সেনা মোতায়েন বা বড় ধরনের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবেন না। এই পদক্ষেপকে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষমতার ওপর বড় ধরনের আইনগত ও রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নির্বাচন এগিয়ে আসার মুখে ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই এই যুদ্ধ নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। চারজন রিপাবলিকান প্রতিনিধি—মিশিগানের টম ব্যারেট, ওহাইওর ওয়ারেন ডেভিডসন, পেনসিলভানিয়ার ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক এবং কেনটাকির থমাস ম্যাসি এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
অন্যদিকে, কোনো ডেমোক্র্যাট সদস্য এর বিরুদ্ধে ভোট দেননি। এটি ছিল ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের চতুর্থ প্রয়াস, এর আগে তিনটি প্রস্তাব সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। গত মাসে এই প্রস্তাব পাস হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে রিপাবলিকান হাউসের শীর্ষ নেতারা তড়িঘড়ি করে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছিলেন। তবে এবার সেই চাপ উপেক্ষা করেই বিল পাস হলো।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজ দলের এই বিদ্রোহ ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক দুশ্চিন্তার কারণ।
প্রতিনিধি পরিষদের এই প্রস্তাব মূলত মার্কিন সংবিধানের ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতির ওপর ভিত্তি করে আনা। ডেমোক্র্যাটরা শুরু থেকেই দাবি করছে, সংবিধানে যুদ্ধ ঘোষণার অধিকার একমাত্র কংগ্রেসের ওপর ন্যস্ত করেছে।
হাউসের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য গ্রেগরি মিকস বিবৃতিতে বলেন, ‘আজকের এই যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাব পাস হওয়া বড় টার্নিং পয়েন্ট। এর ফলে প্রমাণিত হলো, অনেক রিপাবলিকান নেতা তাদের নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি শুনছেন। আর মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে অন্তহীন বা উদ্দেশ্যহীন যুদ্ধ দেখতে চায় না।’

ইরান ও ইসরায়েল অন্তত এক সপ্তাহ পরস্পরের ওপর হামলা করবে না বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা পর তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর আল-জাজিরার।
৩৭ মিনিট আগে
হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর একটি ‘অ্যাপাচি’ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার ওই ঘটনার পর হেলিকপ্টারের দুই ক্রকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত দুজন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
৪৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা জুনের শেষে একটি ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে’ পৌঁছাতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি। খবর আল জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে দুই দেশই ফের হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরান সতর্ক করেছে, ইসরায়েল লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখলে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। আর ইসরায়েল বলেছে, তারাও হামলা চালাতে প্রস্তুত। খবর রয়টার্সের।
৩ ঘণ্টা আগে