নাটোরে আ.লীগের দুই নেতার বাড়িতে হামলা, লুটের অভিযোগ

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
নাটোর

নাটোরের গুরুদাসপুরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে হামলা। স্ট্রিম গ্রাফিকস

নাটোরের গুরুদাসপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দুই নেতার বাড়িতে হামলা ও লুটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে গুরুদাসপুর পৌরসভার কাচারীপাড়া মহল্লায় প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী আবদুল কুদ্দুস এবং শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে কারাবন্দি পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সবুজ ফকিরের বাড়িতে হামলা-লুট হয়।

আবদুল কুদ্দুস ২০২৩ সালের ৩০ আগস্ট মারা যান। তিনি নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে পাঁচবার এমপি হন। এ ছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২৫-৩০টি মোটরসাইকেলে এসে একদল লোক আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে জানালার কাঁচ ভেঙে যায়।

আবদুল কুদ্দসের ছেলে আসিফ আবদুল্লাহ বিন কুদ্দুস শোভন জানান, বর্তমানে তাদের কেউ বাড়িতে থাকেন না। রোববার দুপুরে হঠাৎ কয়েকজন ফাঁকা বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তিনি বলেন, থানায় গেলে উল্টো হয়রানি করা হতে পারে– এজন্য অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

এর আগে শনিবার (৮ আগস্ট) গভীর রাতে গুরুদাসপুর পৌর আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম সবুজ ফকিরের বাড়িতে লুটের অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তরা বাড়ি থেকে প্রায় সাত ভরি স্বর্ণের গহনা ও দেড় লাখ টাকা নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

সবুজের স্ত্রী রিক্তা জানান, সন্তানদের নিয়ে তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। প্রাচীর টপকে অপরিচিত ১০-১২ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়েন। ভয়ে সন্তানদের নিয়ে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে সকালে ফিরে আলমারি ভেঙে প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও দেড় লাখ টাকা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

রিক্তা বলেন, ‘আমার স্বামী নাশকতার মামলায় বর্তমানে নাটোর জেলা কারাগারে বন্দি। বাড়িতে আমরা নিরাপত্তাহীন। থানায় গেলে মামলা নেবে, সেই ভরসা পাই না।’

গুরুদাসপুর থানার ওসি রিয়াজ হাসান জানান, একটি মিছিল যাওয়ার পথে প্রয়াত আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে তারা জেনেছেন। রেজাউল করিমের বাড়িতে লুটের খবরও লোকমুখে শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত