স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তাদের জন্য ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’। মূলত যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে চলমান আলোচনা থমকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এই হুঁশিয়ারি দিলেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তাদের খুব দ্রুত (পদক্ষেপ) নেওয়া উচিত, অন্যথায় তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। সময় অত্যন্ত মূল্যবান!’
এদিকে ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতের অবসান ঘটাতে তেহরানের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সুনির্দিষ্ট ছাড় দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘মেহর’ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আপস বা সমঝোতার অভাব আলোচনার ক্ষেত্রে একটি ‘অচল অবস্থা’ তৈরি করতে পারে।
গত এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ঠিক আগে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন যে ইরান যদি যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে রাজি না হয়, তবে একটি ‘সমগ্র সভ্যতা’ ধ্বংস হয়ে যাবে; রোববারের বার্তাটিতে তারই প্রতিধ্বনি পাওয়া গেল।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করেছিলেন যে তেহরানের দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করার পর এই যুদ্ধবিরতি বর্তমানে ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। ট্রাম্প ইরানের দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করলেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জোর দিয়ে বলেছেন, তাদের প্রস্তাবগুলো ছিল দায়িত্বশীল ও উদার।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের প্রস্তাবের মধ্যে ছিল সবকটি ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করা—যার মধ্যে লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ওপর চলমান ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের ওপর আর কোনো হামলা হবে না—এমন গ্যারান্টির দাবিও জানানো হয়। এছাড়াও, যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ফার্স’ রোববার জানিয়েছে, তেহরানের প্রস্তাবের জবাবে ওয়াশিংটন পাঁচটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম শর্ত হলো—ইরানকে মাত্র একটি পারমাণবিক স্থাপনা সচল রাখার অনুমতি দেওয়া হবে এবং তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
তবে গত শুক্রবার ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখে, তবে তিনি তা মেনে নেবেন। দুই দেশের মধ্যে এটি একটি বড় দ্বিমতের জায়গা হলেও, এর মাধ্যমে পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করার আগের অবস্থান থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কিছুটা সরে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। পরবর্তীতে আলোচনা সচল রাখতে একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, যা মাঝেমধ্যে বিচ্ছিন্ন গোলাগুলি সত্ত্বেও মোটের ওপর বজায় রয়েছে।
সংঘাতের শুরু থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে। এর ফলে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে।
জবাবে, তেহরানকে নিজেদের শর্তে রাজি করাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ আরোপ করে চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করলেও, দুই পক্ষ এখনও সমঝোতা থেকে বেশ দূরে অবস্থান করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তাদের জন্য ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’। মূলত যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে চলমান আলোচনা থমকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এই হুঁশিয়ারি দিলেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তাদের খুব দ্রুত (পদক্ষেপ) নেওয়া উচিত, অন্যথায় তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। সময় অত্যন্ত মূল্যবান!’
এদিকে ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতের অবসান ঘটাতে তেহরানের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সুনির্দিষ্ট ছাড় দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘মেহর’ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আপস বা সমঝোতার অভাব আলোচনার ক্ষেত্রে একটি ‘অচল অবস্থা’ তৈরি করতে পারে।
গত এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ঠিক আগে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন যে ইরান যদি যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে রাজি না হয়, তবে একটি ‘সমগ্র সভ্যতা’ ধ্বংস হয়ে যাবে; রোববারের বার্তাটিতে তারই প্রতিধ্বনি পাওয়া গেল।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করেছিলেন যে তেহরানের দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করার পর এই যুদ্ধবিরতি বর্তমানে ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। ট্রাম্প ইরানের দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করলেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জোর দিয়ে বলেছেন, তাদের প্রস্তাবগুলো ছিল দায়িত্বশীল ও উদার।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের প্রস্তাবের মধ্যে ছিল সবকটি ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করা—যার মধ্যে লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ওপর চলমান ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের ওপর আর কোনো হামলা হবে না—এমন গ্যারান্টির দাবিও জানানো হয়। এছাড়াও, যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ফার্স’ রোববার জানিয়েছে, তেহরানের প্রস্তাবের জবাবে ওয়াশিংটন পাঁচটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম শর্ত হলো—ইরানকে মাত্র একটি পারমাণবিক স্থাপনা সচল রাখার অনুমতি দেওয়া হবে এবং তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
তবে গত শুক্রবার ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখে, তবে তিনি তা মেনে নেবেন। দুই দেশের মধ্যে এটি একটি বড় দ্বিমতের জায়গা হলেও, এর মাধ্যমে পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করার আগের অবস্থান থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কিছুটা সরে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। পরবর্তীতে আলোচনা সচল রাখতে একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, যা মাঝেমধ্যে বিচ্ছিন্ন গোলাগুলি সত্ত্বেও মোটের ওপর বজায় রয়েছে।
সংঘাতের শুরু থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে। এর ফলে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে।
জবাবে, তেহরানকে নিজেদের শর্তে রাজি করাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ আরোপ করে চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করলেও, দুই পক্ষ এখনও সমঝোতা থেকে বেশ দূরে অবস্থান করছে।
.png)

ভারতে কয়েক দশক ধরে চলা মাওবাদি বিদ্রোহ অনেকটাই নির্মূল করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে আন্দোলনটির আদর্শিক সমর্থকদের কাছ থেকে এখনো হুমকি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়। বিভিন্ন এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হয়। খবর রয়টার্স
৫ ঘণ্টা আগে-ba9dc7.jpg)
আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পাঁচ বছরে বদলে গেছে নারী ও মেয়েদের জীবন। শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা ও চলাফেরাসহ নানা ক্ষেত্রে তাঁদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইউনেস্কোর হিসাবে, বর্তমানে দেশটির প্রায় ২৪ লাখ মেয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ শেষে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভূখণ্ড’ হিসেবে ঘোষণার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলীয় প্রচার সভায় এ কথা বলেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধে ইরান শোচনীয়ভাবে পরাজিত হচ্ছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমরা আনুষ্ঠানিকভাব
১০ ঘণ্টা আগে