বঙ্গোপসাগর থেকে একটি পরাশক্তিকে পর্যবেক্ষণ

বিভক্ত এক পরাশক্তি এবং আমেরিকার অভ্যন্তরীণ ফাটলের বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া

আমেরিকার আড়াইশত বছর পূর্তি শুধু একটি মাইলফলক নয়—এটি বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি কৌশলগত মুহূর্ত। পাঁচ পর্বের এই ধারাবাহিক স্ট্র্যাটেজিক নিবন্ধে America at 250: At Home and Beyond গ্রন্থে উত্থাপিত কৌশলগত শিক্ষাগুলো বিশ্লেষণ করা হবে এবং সেসব শিক্ষার বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য তাৎপর্য অন্বেষণ করা হবে। এক অনিশ্চিত শতাব্দীর প্রেক্ষাপটে ধারাবাহিকটির বিভিন্ন পর্বে আলোচিত হবে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বিভাজন, পরিবর্তনশীল ইন্দো-প্যাসিফিক শক্তির ভারসাম্য, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর কৌশলগত সংকট, এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সামুদ্রিক সিদ্ধান্তের গুরুত্ব। ধারাবাহিকটির দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশ করা হলো।

সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন আহমদ
সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন আহমদ

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১২: ২২
স্ট্রিম গ্রাফিক্স

পৃথিবীর অনেক পর্যবেক্ষকের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এখনও একক কৌশলগত মহাশক্তি—সামরিক সক্ষমতায় অদ্বিতীয়, প্রযুক্তিতে অগ্রগামী এবং বৈশ্বিক প্রভাবে অনন্য। কিন্তু America at 250: At Home and Beyond গ্রন্থটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি হলো: আমেরিকার বাহ্যিক শক্তির আবরণের নিচে এমন এক অভ্যন্তরীণ অস্বস্তি জমে উঠেছে, যাকে আর সাময়িক রাজনৈতিক অস্থিরতা বলে উপেক্ষা করা যায় না। বইটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, পরাশক্তির পতন সবসময় সামরিক পরাজয় বা অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মাধ্যমে ঘটে না; কখনও কখনও তারা নিজেদের ভেতরের অনিশ্চয়তায় দুর্বল হয়ে পড়ে।

আড়াইশ বছরে পৌঁছেও আমেরিকা শক্তিশালী, একই সঙ্গে গভীরভাবে বিভক্ত। যদিও বইটির লেখকেরা যুক্তরাষ্ট্রকে চূড়ান্ত পতনের পথে এগিয়ে যাওয়া রাষ্ট্র হিসেবে দেখাননি। তবুও তারা এমন এক প্রজাতন্ত্রের ছবি এঁকেছেন, যা নিজেকে নিয়েই বর্তমান সময়ে অবিরাম সংগ্রাম করছে—শক্তিশালী রাষ্ট্রটি রাজনৈতিকভাবে মেরুকৃত, সামাজিকভাবে খণ্ডিত এবং নিজের জাতীয় পরিচয় নিয়েও ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তায় আক্রান্ত।

এই অভ্যন্তরীণ টানাপড়েন শুধু আমেরিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। কারণ একটি বৃহৎ শক্তির অভ্যন্তরীণ সংহতি প্রায়শই তার পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা নির্ধারণ করে। বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য আজকের আমেরিকাকে বোঝার অর্থ শুধু পেন্টাগন বা স্টেট ডিপার্টমেন্টকে দেখা নয়; বরং আমেরিকান সমাজের গভীরে যে বিভাজনের ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, তা বোঝাও আমাদের জন্য অপরিহার্য।

বিশ শতকের অধিকাংশ সময়জুড়ে যুক্তরাষ্ট্র গোটা বিশ্বে নিজেকে এক প্রাতিষ্ঠানিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছিল। রাজনৈতিক মতভেদ ছিল, কিন্তু তা সাধারণত ছিল বিশ্বে আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐকমত্যের ভেতরে সীমাবদ্ধ। আজ সেই ঐকমত্য দুর্বল হয়ে গেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মতাদর্শগত মেরুকরণ আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে শুধু নীতিগত মতপার্থক্যের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং তা আমেরিকান প্রজাতন্ত্রের প্রকৃতি নিয়ে পরস্পরবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির সংঘর্ষে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনগুলো ক্রমেই অস্তিত্বগত হয়ে উঠছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা কমছে। গণমাধ্যম, বিচারব্যবস্থা এবং আইনসভা—সব ক্ষেত্রেই জনবিশ্বাস ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। যে সামাজিক চুক্তি একসময় আমেরিকার নেতৃত্বের ভিত্তি ছিল, আজ তা চাপের মুখে।

বিশ শতকের অধিকাংশ সময়জুড়ে যুক্তরাষ্ট্র গোটা বিশ্বে নিজেকে এক প্রাতিষ্ঠানিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছিল। রাজনৈতিক মতভেদ ছিল, কিন্তু তা সাধারণত ছিল বিশ্বে আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐকমত্যের ভেতরে সীমাবদ্ধ। আজ সেই ঐকমত্য দুর্বল হয়ে গেছে।

বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পররাষ্ট্রনীতি কখনও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্নভাবে গড়ে ওঠে না। যে রাষ্ট্র নিজের ঘরে আত্মবিশ্বাসী, সে সাধারণত বাইরের পরিবেশে ধৈর্যের সঙ্গে আচরণ করতে পারে। কিন্তু যে রাষ্ট্র ভেতরে বিভক্ত, সে বাইরেও প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠতে পারে। বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ব দেখছে যে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা তার কৌশলগত আচরণকে অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়ে প্রভাবিত করছে—অনির্দেশ্যতা, বাছাইকৃত সম্পৃক্ততা, এবং লেনদেননির্ভরতা।

প্রথমত, অভ্যন্তরীণ বিভাজন আমেরিকার নীতিকে কম পূর্বানুমানযোগ্য করে তুলতে পারে। ওয়াশিংটনে প্রশাসন পরিবর্তনের সঙ্গে এখন বাণিজ্যনীতি, জোট-প্রতিশ্রুতি, নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থা এবং কূটনৈতিক অগ্রাধিকারে হঠাৎ বড় পরিবর্তন দেখা যায়। মিত্র ও অংশীদার রাষ্ট্রগুলোকে এমন এক পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হয়, যা প্রতি চার বছর পর নাটকীয়ভাবে বদলে যেতে পারে। স্থিতিশীল বহিরাগত সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর জন্য এই অস্থিরতা কৌশলগত অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই এই বাস্তবতার কিছু ঝলক দেখেছে। বাণিজ্য সুবিধা, শ্রমমান, গণতান্ত্রিক শাসন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি প্রায়ই আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বয়ানের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ওয়াশিংটন প্রশাসন যদি নিজ দেশে রাজনৈতিক চাপে থাকে, তবে তার বৈদেশিক অবস্থান দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের চেয়ে স্বল্পমেয়াদি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিবেচনায় বেশি প্রভাবিত হতে পারে। ফলে ভৌগোলিকভাবে দূরে থাকা দেশও আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অভিঘাত অনুভব করতে পারে।

দ্বিতীয়ত, বিভক্ত আমেরিকা তার বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতিতে আরও নির্বাচনী হয়ে উঠতে পারে। স্নায়ুযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ওয়াশিংটন একই সঙ্গে বহু অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছিল। কিন্তু বিগত কয়েক দশক ধরে বিশেষ এক গোষ্ঠীর বানানো বয়ানে পক্ষপাতদুষ্ট দীর্ঘস্থায়ী বিদেশি সংঘাতের অভিজ্ঞতা আমেরিকার জনমতের একাংশে অভ্যন্তরমুখী মনোভাব জোরদার করেছে। ওয়াশিংটনে এখন ক্রমশ প্রশ্ন উঠছে—কোন জোট এখনও অপরিহার্য, কোন অঞ্চল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এবং যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা আমেরিকা নিজেই গড়ে তুলেছিল তার ভার কতটা বহন করা উচিত, যখন দেশের ভেতরের অগ্রাধিকারগুলোও সরকারের উপর ক্রমেই চাপ সৃষ্টি করছে।

বাংলাদেশের জন্য এই পরিবর্তনশীল মানসিকতা ঝুঁকি এবং সুযোগ—উভয় বার্তাই বহন করে। ঝুঁকি হলো, ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলো কৌশলগত প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে না পারলে তাদের প্রতি আলোচ্য পরাশক্তির মনোযোগ কমে যেতে পারে। আর সুযোগ হলো, একসময় গৌণ বলে বিবেচিত অঞ্চলগুলো ভূ-রাজনৈতিকভাবে এখন বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। একুশ শতকে ইন্দো-প্যাসিফিক যখন আমেরিকার ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের কেন্দ্রে উঠে আসছে, তখন বঙ্গোপসাগরও নতুন ভূরাজনৈতিক দৃশ্যমানতা অর্জন করছে।

এমন পরিবেশ পরিস্থিতিতে কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশকে আর শুধু দক্ষিণ এশিয়ার একটি সাধারণ দরিদ্র রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা যাবে না; বরং ক্রমেই বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক সমীকরণের অংশ হিসাবে একটি প্রতিশ্রুতিশীল, দায়িত্বসম্পন্ন এবং উন্নয়নশীল সামুদ্রিক রাষ্ট্র হিসাবে দেখা জরুরী হয়ে উঠছে।

আড়াইশ বছরে পৌঁছেও আমেরিকা শক্তিশালী, একই সঙ্গে গভীরভাবে বিভক্ত। যদিও বইটির লেখকেরা যুক্তরাষ্ট্রকে চূড়ান্ত পতনের পথে এগিয়ে যাওয়া রাষ্ট্র হিসেবে দেখাননি। তবুও তারা এমন এক প্রজাতন্ত্রের ছবি এঁকেছেন, যা নিজেকে নিয়েই বর্তমান সময়ে অবিরাম সংগ্রাম করছে—শক্তিশালী রাষ্ট্রটি রাজনৈতিকভাবে মেরুকৃত, সামাজিকভাবে খণ্ডিত এবং নিজের জাতীয় পরিচয় নিয়েও ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তায় আক্রান্ত।

তৃতীয়ত, অভ্যন্তরীণ বিভাজন বা ভাঙন পররাষ্ট্রনীতিকে আরও লেনদেননির্ভর করে তুলতে পারে। মেরুকৃত পরিবেশে দীর্ঘদিনের নীতিগত অবস্থান তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক হিসাবের কাছে মান হারাতে পারে। কূটনীতি আরও ব্যক্তিনির্ভর হতে পারে। ব্যক্তি আরও স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারে। কৌশলগত সম্পর্কগুলোকে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির বদলে অর্থনৈতিক প্রভাব বা তাৎক্ষণিক লাভ-ক্ষতির মানদণ্ডে বিচার করা হতে পারে। এ বিশ্লেষণের অর্থ আমেরিকার বিশ্বমঞ্চ থেকে হারিয়ে যাওয়া নয়; বরং তার সম্পৃক্ততা ক্রমশ তাৎক্ষণিক স্বার্থের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে বলে অনুমিত।

ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর জন্য এর অর্থ নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া। একসময় প্রচলিত কূটনীতি ধরে নিত যে আমেরিকার প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ধারাবাহিকতা থাকবে। আজ ছোট রাষ্ট্রগুলোকে এমন এক পররাষ্ট্রনীতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, যেখানে ঐতিহাসিক পরিচয়ের চেয়ে কৌশলগত উপযোগিতার ওপর সম্পর্ক নির্ভর করতে পারে। যারা এই পরিবর্তন বুঝবে, তারা মানিয়ে নিতে পারবে। যারা বুঝবে না, তারা হঠাৎ নীতি পরিবর্তনে বিস্মিত হবে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা প্রয়োজন—আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বিভাজন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার শক্তিকে কমিয়ে দেয় না। অনেক ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন কৌশলগত প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করতে পারে। ইতিহাস সাক্ষী, অভ্যন্তরীণ সংকটে থাকা রাজনৈতিক নেতৃত্ব কখনও কখনও জাতীয় ঐক্য পুনরুদ্ধারে আরও দৃঢ় বহির্মুখী অবস্থান গ্রহণ করে। এর অর্থ এই নয় যে সংঘাত অনিবার্য; বরং এটি বোঝায় যে অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা কখনও কখনও বাইরে আরও দৃঢ় আচরণে রূপ নিতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা হতে পারে—আমেরিকার প্রতিটি অভ্যন্তরীণ সংকটকে দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে না দেখা। আজকের বিশ্বে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বৈশ্বিক কৌশল ক্রমেই অবিচ্ছেদ্য হয়ে উঠছে—এই উপলব্ধি ঢাকাকে আরও পরিশীলিত কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণে উৎসাহিত করা উচিত।

অনেক সময় ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলো বড় শক্তিকে শুধু আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে। অথচ একবিংশ শতাব্দীতে বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রবণতা তাদের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক অবস্থানের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ওয়াশিংটনের নির্বাচন, জনমত, কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ গতিশীলতা এবং মতাদর্শগত পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা এখন আর শুধু কূটনীতিকদের দায়িত্ব নয়; এটি ধীরে ধীরে একটি কৌশলগত প্রয়োজন হয়ে উঠছে। America at 250 তাই শুধু আত্মসমালোচনায় নিমগ্ন এক পরাশক্তির প্রতিচ্ছবি নয়; এটি একই সঙ্গে একটি সতর্কবার্তা—বৃহৎ শক্তির অভ্যন্তরীণ অবস্থা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর বহিরাগত পরিবেশকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

তাই শুধু আমেরিকার শক্তিকে বোঝা নয়; বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ বরং আমেরিকার অনিশ্চয়তাকেও শনাক্ত করা। কারণ পরিবর্তনশীল বিশ্বে সবচেয়ে বড় কৌশলগত ঝুঁকি অনেক সময় বৃহৎ শক্তির পূর্বানুমেয় ক্ষমতা থেকে নয়, বরং তাদের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের অপ্রত্যাশিত পরিণতি থেকেই উদ্ভূত হয়।

কমোডর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন আহমদ (অবসরপ্রাপ্ত): মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিআইএমআরএডি)

সম্পর্কিত