স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের শাসকদের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি চাওয়া হয়েছে। আর এটি চেয়েছেন ইরানের ‘নতুন প্রেসিডেন্ট’।
এদিকে, ট্রাম্পের এই দাবির কিছুক্ষণ পরই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, হরমুজ প্রণালি তাদের ‘কঠোর ও পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাস্যকর কথাবার্তায় শত্রুদের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না।
আজ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন তিনি। শুধু তাই নয়, এ প্রেসিডেন্টকে ‘পূর্বসূরিদের তুলনায় কম কট্টর এবং বেশ বুদ্ধিমান’ বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। খবর বিবিসির।
পোস্টে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত, স্বাধীন ও স্বচ্চ হলেই কেবল যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি বিবেচনা করব। তার আগ পর্যন্ত ইরানকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হবে এবং দেশটির জন্য প্রস্তর যুগ ফিরিয়ে আনবেন।
তবে ট্রাম্প ঠিক কার কথা বলছেন তা স্পষ্ট নয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরুর পর থেকে ইরানের একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন। ৮ মার্চ তাঁর ছেলে মোজতাবা খামেনি তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। তিনি এরপর থেকে কয়েকটি লিখিত বিবৃতি দিলেও প্রকাশ্যে আসেননি। ট্রাম্প নিজেও বলেছেন, তিনি জানেন না মোজতাবা বেঁচে আছেন কি না।
অন্যদিকে, ইরানে কোনো ‘নতুন প্রেসিডেন্টও’ নেই। ২০২৪ সালে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সর্বশেষ গতকালও প্রকাশ্যে এসেছেন। পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের ‘প্রয়োজনীয় সদিচ্ছা’ আছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক খবরে বলা হয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্টের দেশটির শাসনব্যবস্থার পক্ষে কথা বলার ক্ষমতা আছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খোলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো সমস্যা নয়। যুদ্ধ শেষ হলেই প্রণালি খুলে যাবে বলে ইঙ্গিত দেন। তবে আজকের বক্তব্য তাঁর ওই বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের শাসকদের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি চাওয়া হয়েছে। আর এটি চেয়েছেন ইরানের ‘নতুন প্রেসিডেন্ট’।
এদিকে, ট্রাম্পের এই দাবির কিছুক্ষণ পরই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, হরমুজ প্রণালি তাদের ‘কঠোর ও পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাস্যকর কথাবার্তায় শত্রুদের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না।
আজ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন তিনি। শুধু তাই নয়, এ প্রেসিডেন্টকে ‘পূর্বসূরিদের তুলনায় কম কট্টর এবং বেশ বুদ্ধিমান’ বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। খবর বিবিসির।
পোস্টে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত, স্বাধীন ও স্বচ্চ হলেই কেবল যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি বিবেচনা করব। তার আগ পর্যন্ত ইরানকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হবে এবং দেশটির জন্য প্রস্তর যুগ ফিরিয়ে আনবেন।
তবে ট্রাম্প ঠিক কার কথা বলছেন তা স্পষ্ট নয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরুর পর থেকে ইরানের একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন। ৮ মার্চ তাঁর ছেলে মোজতাবা খামেনি তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। তিনি এরপর থেকে কয়েকটি লিখিত বিবৃতি দিলেও প্রকাশ্যে আসেননি। ট্রাম্প নিজেও বলেছেন, তিনি জানেন না মোজতাবা বেঁচে আছেন কি না।
অন্যদিকে, ইরানে কোনো ‘নতুন প্রেসিডেন্টও’ নেই। ২০২৪ সালে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সর্বশেষ গতকালও প্রকাশ্যে এসেছেন। পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের ‘প্রয়োজনীয় সদিচ্ছা’ আছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক খবরে বলা হয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্টের দেশটির শাসনব্যবস্থার পক্ষে কথা বলার ক্ষমতা আছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খোলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো সমস্যা নয়। যুদ্ধ শেষ হলেই প্রণালি খুলে যাবে বলে ইঙ্গিত দেন। তবে আজকের বক্তব্য তাঁর ওই বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ইরানের হস্তক্ষেপে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে আছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের বড় একটি অংশ আটকে আছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামীকালও যদি প্রণালি খুলে দেওয়া হয়, তারপরও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় এ ধাক্কা টের পাওয়া যাবে দীর্ঘদিন।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধে বড় ফ্রন্টগুলোতে অগ্রগতি না হওয়ায় এবং কৌশলগত ব্যর্থতার কারণে যুক্তরাষ্ট্র তার ঘোষিত লক্ষ্য ধারাবাহিকভাবে পাল্টেছে। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মাদ এলমাসরি এমনটাই মনে করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
আবারও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগে গত মাসেও তিনি জোটটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে জড়াবে না যুক্তরাজ্য।
৪ ঘণ্টা আগে