স্ট্রিম ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসন তদারকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পর্ষদ’-এ যোগ দেবে না ইতালি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি এই তথ্য জানিয়েছেন।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইতালির সংবাদ সংস্থা এএনএসএ কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইতালির সংবিধান ও বোর্ড অব পিসের সনদের মধ্যে এমন কিছু আইনি সংঘাত আছে, যা মেটানো সম্ভব নয়। মোদ্দাকথা সংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইতালি সবসময় শান্তি উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালি ছাড়াও ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এই বোর্ডে যোগ দেয়নি। গত বছর গাজা যুদ্ধের পর সেখানে অন্তর্বর্তী শাসনব্যবস্থা হিসেবে এই বোর্ডকে অনুমোদন দিয়েছিল জাতিসংঘ। কিন্তু পরে বোর্ডের সনদ বড় আকারে পরিবর্তন করা হয়, যেখানে গাজার কথাই আর উল্লেখ নেই।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ। অনেকের আশঙ্কা, এই বোর্ড আসলে জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে একটি বিকল্প আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা।
তাজানি বলেন, ইতালির সংবিধানের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ইতালি কেবল সেইসব আন্তর্জাতিক সংস্থায় যোগ দিতে পারে যেখানে সব দেশের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত থাকে। কিন্তু বোর্ড অব পিসের সনদে ট্রাম্পকে চূড়ান্ত ক্ষমতাসম্পন্ন চেয়ারম্যান ও ভেটো ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা এই শর্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ইতালির মিলানে গত শুক্রবার শীতকালীন অলিম্পিকের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ‘খুবই ইতিবাচক’ বৈঠকের কথা জানান ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, গাজায় পুলিশদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সেখানে নিজস্ব ভূমিকা রাখতে ইতালি প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে, বোর্ড অব পিসে স্থায়ী সদস্য হতে হলে ১০০ কোটি ডলার দিতে হবে। সমালোচকরা বলছেন, এটি জাতিসংঘের একটি ‘পে-টু-প্লে’ (টাকা দিলে সুযোগ) সংস্করণ হয়ে উঠছে।
পর্ষদের প্রথম বৈঠক আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে হতে পারে। আর এর একদিন আগে বৈঠক করবেন ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
এদিকে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান শনিবার বলেছেন, দুই সপ্তাহের মধ্যে বোর্ডের প্রথম বৈঠকে যোগ দিতে তিনি ওয়াশিংটন যাবেন।
গত মাসে ট্রাম্প প্রায় ৬০টি দেশকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। এখন পর্যন্ত বোর্ডের ওয়েবসাইটে ২৬টি দেশের নাম রয়েছে, যার মধ্যে কাতার ও মিসরও আছে। এ দেশ দুটি গাজা সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গত মাসে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করে বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার মূল দায়িত্ব জাতিসংঘের, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের।

ফিলিস্তিনের গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসন তদারকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পর্ষদ’-এ যোগ দেবে না ইতালি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি এই তথ্য জানিয়েছেন।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইতালির সংবাদ সংস্থা এএনএসএ কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইতালির সংবিধান ও বোর্ড অব পিসের সনদের মধ্যে এমন কিছু আইনি সংঘাত আছে, যা মেটানো সম্ভব নয়। মোদ্দাকথা সংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইতালি সবসময় শান্তি উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালি ছাড়াও ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এই বোর্ডে যোগ দেয়নি। গত বছর গাজা যুদ্ধের পর সেখানে অন্তর্বর্তী শাসনব্যবস্থা হিসেবে এই বোর্ডকে অনুমোদন দিয়েছিল জাতিসংঘ। কিন্তু পরে বোর্ডের সনদ বড় আকারে পরিবর্তন করা হয়, যেখানে গাজার কথাই আর উল্লেখ নেই।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ। অনেকের আশঙ্কা, এই বোর্ড আসলে জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে একটি বিকল্প আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা।
তাজানি বলেন, ইতালির সংবিধানের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ইতালি কেবল সেইসব আন্তর্জাতিক সংস্থায় যোগ দিতে পারে যেখানে সব দেশের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত থাকে। কিন্তু বোর্ড অব পিসের সনদে ট্রাম্পকে চূড়ান্ত ক্ষমতাসম্পন্ন চেয়ারম্যান ও ভেটো ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা এই শর্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ইতালির মিলানে গত শুক্রবার শীতকালীন অলিম্পিকের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ‘খুবই ইতিবাচক’ বৈঠকের কথা জানান ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, গাজায় পুলিশদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সেখানে নিজস্ব ভূমিকা রাখতে ইতালি প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে, বোর্ড অব পিসে স্থায়ী সদস্য হতে হলে ১০০ কোটি ডলার দিতে হবে। সমালোচকরা বলছেন, এটি জাতিসংঘের একটি ‘পে-টু-প্লে’ (টাকা দিলে সুযোগ) সংস্করণ হয়ে উঠছে।
পর্ষদের প্রথম বৈঠক আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে হতে পারে। আর এর একদিন আগে বৈঠক করবেন ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
এদিকে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান শনিবার বলেছেন, দুই সপ্তাহের মধ্যে বোর্ডের প্রথম বৈঠকে যোগ দিতে তিনি ওয়াশিংটন যাবেন।
গত মাসে ট্রাম্প প্রায় ৬০টি দেশকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। এখন পর্যন্ত বোর্ডের ওয়েবসাইটে ২৬টি দেশের নাম রয়েছে, যার মধ্যে কাতার ও মিসরও আছে। এ দেশ দুটি গাজা সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গত মাসে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করে বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার মূল দায়িত্ব জাতিসংঘের, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৫ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে