leadT1ad

মার্কিন হামলা হলে ইরানকে সহায়তার অঙ্গীকার হাজারো ইরাকির

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ৪৬
মার্কিনবিরোধী লড়াইয়ে যোগ দিতে বাগদাদে কাতায়েব হিজবুল্লাহর খাতায় নাম নিবন্ধন করছেন স্থানীয়রা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা থেকে ইরানকে রক্ষা করতে ইরাকের দিয়ালা প্রদেশে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এ সময় তারা ইরান ও ইরাক উভয় দেশকে রক্ষার শপথ নেন।

মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন মতে, গতকাল শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ইরাকের দিয়ালা প্রদেশে প্রায় ৫ হাজার মানুষের এক সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এক বিবৃতিতে তারা জানান, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কোনো প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়াই ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী, পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে সমর্থন দিতে প্রস্তুত তারা।

এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল যখন ওমানে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চললেও উত্তেজনা কমছে না। গত শুক্রবার ওয়াশিংটন ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এতে তুরস্ক, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকাবাহী ১৪টি জাহাজসহ ১৫টি প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। এদিকে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ বর্তমানে আরব সাগরে অবস্থান করছে।

ইরান-সমর্থিত বদর অর্গানাইজেশনের নেতা আম্মার আল-তামিমি জানান, এই স্বেচ্ছাসেবীরা কোনো নির্দিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য নন, বরং তারা একটি রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন। মোট ৪ হাজার ৯৪৭ জন স্বেচ্ছাসেবীর নাম ও সাংগঠনিক কাঠামোর তালিকা দিয়ালা অপারেশন কমান্ডের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের কাছে পাঠানো হবে।

গত বৃহস্পতিবার ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া হুঁশিয়ারি দেন, ওয়াশিংটন যুদ্ধ চাইলে তা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে এবং সব মার্কিন ঘাঁটি আক্রান্ত হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এর আগে হুমকি দিয়েছিলেন, কোনো চুক্তি না হলে ‘ভয়াবহ কিছু’ ঘটতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর থেকেই ইরাকের রাজনীতি ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর ইরানের শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত